• ক্রিকেট

সিলেটে আরিফুলদের দিন

সেন্ট্রেল জোন-নর্থ জোন, সিলেট

টস- নর্থ জোন (ফিল্ডিং)
১ম দিনশেষে
সেন্ট্রাল জোন ১ম ইনিংস ১৮৮ (ইরফান ৫৭*, তাসকিন ৩৪, আরিফুল ৪/৫৫, শুভাশীষ ২/৩৭, শফিউল ২/৩৯)
নর্থ জোন ৯৩/০* (মিজানুর ৪৯*, নাজমুল শান্ত ৪২*)


আরিফুল হক, শুভাশীষ রায়, শফিউল ইসলাম- তিনজনই ছিলেন জাতীয় দলের প্রাথমিক দলে। কারও জায়গা হয়নি জাতীয় দলে, মুমিনুলের মতো জাতীয় লিগে খেলছেন তারাও। এ তিনজনের বোলিং তোপেই সিলেটে বিসিএলের ম্যাচে ১৮৮ রানে গুটিয়ে গেছে সেন্ট্রাল জোন। নর্থ জোনের হয়ে খেলা আরিফুল নিয়েছেন ৪ উইকেট, শুভাশীষ ও শফিউলের ২টি করে উইকেটের সঙ্গে ১টি উইকেট ফরহাদ রেজার। রান-আউটটিও করেছেন আরিফুলই। 

টসে জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিল নর্থ জোনে, ১১ রানের মাথায় প্রথম আঘাতটা হেনেছিলেন শফিউল। রনি তালুকদার উইকেটকিপার ধীমান ঘোষকে ক্যাচ দিয়েছেন ৬ রান করে। গ্লাভস হাতে ব্যস্ত দিন পার করেছেন ধীমান, নিয়েছেন ৬টি ক্যাচ। ৩১ থেকে ৪৫- ১৪ রানের মাঝে সেন্ট্রাল জোন হারিয়েছে ৪ উইকেট। সাদমান ৯ রানে আরিফুলের বলে ক্যাচ দিয়েছেন নাজমুল হাসানকে, রকিবুল হাসান (৪) ও শুভাগত হোম (২) আরিফুলের বলেই ধীমানকে দিয়েছেন ক্যাচ। মাঝে ফিরতি ক্যাচ দিয়েছেন মার্শাল আইয়ুব, ০ রানে।

মেহরাব হোসেনের ৯৬ বলে ২৭ রানের ইনিংস শেষ হয়েছে শফিউলের বলে, ধীমানকে ক্যাচ দিয়েই। তানবির হায়দার শুভাশীষের প্রথম শিকার, মোশাররফ হোসেন রান-আউট। ফরহাদ রেজার বলে শরীফ যখন আউট হন, সেন্ট্রাল জোনের রান ৯ উইকেটে ১২২। ছিলেন শুধু ইরফান শুক্কুর, তার সঙ্গী শেষ ব্যাটসম্যান তাসকিন আহমেদ। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়া তাসকিন ৩৬ বলে ৩৪ রান করলেন ৬ চারে, শুভাশীষের বলে মিজানুর রহমানকে ক্যাচ দিয়ে শেষ হয়েছে তার ইনিংস। এর আগে ১৬ ম্যাচের প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে তাসকিনের সর্বোচ্চ ইনিংস ছিল ৩৩ রানের। শেষ উইকেটে উঠেছে ৬৬ রান, শুক্কুর  অপরাজিত ছিলেন ৫৫ বলে ৫৭ রানে। এর মাঝে ৭টি চার মেরেছেন, ছয় ২টি।

ব্যাটিংয়ের সুখস্মৃতি বোলিংয়ে ধরে রাখতে পারেননি তাসকিন। ৭ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ছিলেন উইকেটশূন্য। উইকেটশূন্য আছেন সেন্ট্রাল জোনের সব বোলারই। নাজমুল অপরাজিত ৪২ রানে, মিজানুর দাঁড়িয়ে ৪৯ রানে। ১ম দিনেই লিড ৯৫ রানে নামিয়ে এনেছে নর্থ জোন।