• ফুটবল

ফাইনাল জিততে রিয়ালের যত 'কুসংস্কার'

হাতছানি দিচ্ছে হ্যাটট্রিক শিরোপা। গত দুইবার যা হয়েছে, তৃতীয়বারের মতো সেটা পুনরাবৃত্তি করতে কোনো কার্পণ্য করবে না রিয়াল মাদ্রিদ, তা বলাই বাহুল্য। কিয়েভের ফাইনালে জয় পাওয়ার জন্য তাই হয়ত নিজেদের অজান্তেই রিয়ালের ফুটবলাররা মানছেন বেশ কিছু ‘কুসংস্কার’। গত দুইবার যা যা করেছেন, এবারো ঠিক একই কাজের পুনরাবৃত্তিই ঘটাচ্ছেন অনেকেই!  

জিদানের ‘বারবিকিউ লাঞ্চ ট্রিট’

গতবার জুভেন্টাসের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালের আগে দলের সবাইকে লাঞ্চের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন জিনেদিন জিদান। এবারো একই কাজ করেছেন জিজু। গত শুক্রবার অনুশীলন গ্রাউন্ডে ফুটবলার, কোচিং স্টাফ ও তাদের পরিবারকে নিয়ে একসাথে দুপুরের খাবার খান তিনি।

রামোসদের ‘ছুটি কাটানো’

২০১৬ সালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে ফাইনালে আগে কেইলর নাভাস, লুকাস ভাসকেজ, লুকা মডরিচ ও তাদের পরিবারকে নিজের বাড়িতে ছুটি কাটানোর জন্য ডেকেছিলেন অধিনায়ক সার্জিও রামোস। এবার ক্লান্তি দূর করার উপলক্ষ হিসেবে রামোস, মডরিচ ও ভাসকেজকে নিজের জীবনের ওপর নির্মিত সিনেমার প্রদর্শনীতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন নাভাস।

রোনালদো-মার্সেলো-ক্যাসিমিরোর একত্রে ছবি

এই মৌসুমে পিএসজির বিপক্ষে ম্যাচের সময় থেকেই ঘটছে এই ব্যাপারটা। প্লেন থেকে নামার সময় তিনজনকে প্রতিবারই এক ফ্রেমে বন্দি করেছেন ক্যামেরাম্যান, আর কোনোবারই খালি হাতে ফিরতে হয়নি মাদ্রিদকে!

একই কাপড়ে সাক্ষাতকার

গত দুই ফাইনালের আগে সবাই যে ধরনের কাপড়ে সাংবাদিকদের সাক্ষাতকার দিয়েছিলেন, এবারো ঠিক একই কাজ করেছেন রামোসরা।

ইচ্ছাকৃতভাবে হোক কিংবা অনিচ্ছাকৃত, সব তো একই রকম হচ্ছে। শিরোপাও কি তাহলে একইভাবে উঠবে রামোসের হাতেই?