• ফুটবল

"তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে"

পোস্টটি ৭৬৮৯ বার পঠিত হয়েছে
'আউটফিল্ড’ একটি কমিউনিটি ব্লগ। এখানে প্রকাশিত সব লেখা-মন্তব্য-ছবি-ভিডিও প্যাভিলিয়ন পাঠকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিজ উদ্যোগে করে থাকেন; তাই এসবের সম্পূর্ণ স্বত্ব এবং দায়দায়িত্ব লেখক ও মন্তব্য প্রকাশকারীর নিজের। কোনো ব্যবহারকারীর মতামত বা ছবি-ভিডিওর কপিরাইট লঙ্ঘনের জন্য প্যাভিলিয়ন কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। ব্লগের নীতিমালা ভঙ্গ হলেই কেবল সেই অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবেন।

মালবাহী বিমানটা আকাশে উড়াল দিল কলকাতার পথে। তুর্যের মনে তখন অনেক অনেক চিন্তা ভিড় করেছে। ২৫ মার্চ এর কালরাত্রি শেষে যখন প্রতিটা তরুন মনে প্রথম জেগে উঠেছে প্রতিরোধের ইচ্ছা তখন সে আরো এক ধাপ এগিয়ে ভেবে বসে আছে দেশটা স্বাধীন করতে হবে।  সেও প্রায় দুইমাস আগের কথা। তার পরে রওনা দিয়েছল সে দুই বন্ধুর সাথে আগরতলার দিকে। আজাদ বয়েজের হয়ে ক্রিকেট আর মোহামেডানের হয়ে ফুটবল এই দুই এর মাঝে একটু যেন সিদ্ধ্বান্তহীনতায় ভোগা ছেলেটি আপাতত এই দুটোকেই সরিয়ে দিয়ে দেশ স্বাধীন করতে প্রায় বদ্ধপরিকর। কিন্তু সে খেলা ছেড়ে আসলেও খেলা তাকে ছাড়ে নি। আগরতলা পৌছে কোথাকার কোন কোলকাতার সাংবাদিক তাকে খুজে বের করল।
-তুমি কি তুর্য?
অজানা ভয় তুর্যকে তাড়া করে ফেরে। দেশে মোটামুটি নাম ডাক হয়েছে তার। কিন্তু তাকে যদি চিনে ফেলে তাড়া করে আসে কেউ? কোন শত্রু? বাবা মায়ের যদি ক্ষতি হয়? এসব ভাবতে ভাবতে তার কানে আসে কীভাবে প্রতাপ শংকর হাজরা তাকে খুজে বেড়াচ্ছেন। ছেলেটি হঠাৎ বুঝতে পারে তার যুদ্ধের আসল ডাক এসেছে। যুদ্ধ তাকে করতে হবে। তবে অস্ত্র হাতে নয়। যুদ্ধ করতে হবে যে কাজটি সে সবচেয়ে ভাল পারে। বল পায়ে। মালবাহী বিমানে যেতে যেতে তুর্য হাজরার জন্ম হয়। তুর্য তার ডাকনাম। তুর্য হাজরা একটি ছদ্মনাম। তুর্য হাজরার আসল নাম কাজী সালাউদ্দিন।পরবর্তীতে বাংলাদেশ এর ফুটবলের সবচেয়ে বড় সুপারস্টার। তুর্য হাজরার জীবনের গল্প স্কিল এর, গ্ল্যামারের এবং গৌরবের।তিনি আবাহনীর আবার মোহামেডানের।তিনি বাংলাদেশ দলের। তার গল্পে আছে মারদেকা কাপে দেশের নাম উজ্জ্বল করা বা হংকং এ প্রথম বাংলাদেশি হিসাবে প্রফেশনালি খেলতে যাওয়া অথবা শেষে দেশের ফুটবল ফেডারেশানের সভাপতিত্ব করা। কিন্তু এর বাইরে তিনি এমন এক গল্পের অংশ যার উদাহরন ইতিহাসে এর আগে আসে নি।

দেশের পতাকা নিয়ে lap of honor

এই গল্পের নাম স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল। ৭১ এর সংগ্রামে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব প্রথমেই যুদ্ধ ব্যাপারটিকে শুধু একটি দাঙ্গা হাংগামার পর্যায় থেকে জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে বাঙালি জাতির উঠে আসার ও হৃদয়ে জায়গা করে নেবার প্রক্রিয়া হিসাবে চিন্তা করতে শুরু করেন। এই চিন্তা ছিল দূরদর্শী। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র যেমন সাংস্কৃতিক আর মনস্তাত্ত্বিক লড়াইয়ে আমাদের প্রতিদিন একটু একটু করে এগিয়ে দিয়েছে সেরকমই স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল ছিল আরেক ফ্রন্টে আমাদের বিজয়ের ভাগিদার ও দাবীদার। স্ট্র্যাটেজিক ভাবে এটি ছিল একটা পরোক্ষ যুদ্ধ। তবে কৌশলগত ভাবে একটা দারূন পদক্ষেপ। ভারতের সাধারণ জনগনের মধ্যে যেমন আমাদের দেশের সমর্থন বাড়াতে এই দলের খেলা ১৬ প্রদর্শনী ম্যাচ বিশাল ভূমিকা রাখে তেমনি যুদ্ধকালীন সময়ে অস্থায়ী সরকারের কোষাগারে জমা দান করে মূল্যবান ৫ লাখ ভারতীয় রুপী।

এবারে ফিরে যেতে হবে মুজিবনগরে জানতে কীভাবে এইরকম একটা দলের চিন্তা প্রথম আসে। সরকার গঠনের পর সেক্টর বিভাজন আর প্রাথমিক যুদ্ধপরিকল্পনা শেষে প্রবাসী সরকার মন দেন দেশের মানুষের মনস্ত্বাত্বিক অবস্থা উন্নয়ন আর যুদ্ধ তহবিল পুনর্গঠনের দিকে। এর অংশ হিসাবে ১৯৭১ সালের ১৩ জুন এ “বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতি” নামে একটি বডি গঠন করা হয়। এর দায়িত্ব নিয়ে আশরাফ আলী চৌধুরী প্রস্তাব দেন একটি ফুটবল দল গঠনের যারা ভারত জুড়ে প্রদর্শনী ম্যাচ খেলবে। ক্রীড়া অঙ্গনে পদচারণা আছে এমন হাতে গোনা কয়েকজন কে খুজে বের করা হয় প্রথমে সীমান্তের এপার ওপার মিলিয়ে। তাদের কলকাতায় এক করা হয় একটি অনুশীলন ক্যাম্পের জন্য। এ পর্যায়ে দলে রিক্রুট হওয়া আলী ইমাম, সাইদুর রহমান প্যাটেল ও প্রতাপ শঙ্কর হাজরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ এবং তাদের কলকাতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তুর্য হাজরা (ওরফে কাজি সালাউদ্দিন) এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবেই দলে এসে যোগ দেন। এর আগে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম সাক্ষরিত এক চিঠিতে সকল ক্রীড়াবিদ কে মুজিবনগর এসে যোগ দিতে বলা হয়। আকাশবানি কলকাতাতেও দেয়া হয় একই ঘোষনা। প্রথমে ৪০ জন এসে যোগ দিয়েছিলেন ওপেন ট্রায়াল এ। বাছাই করা হয়েছিল ২৫ জনকে। ভারত সফরের মাঝে নানা পর্যায়ে জাতীয় পর্যায়ের আরো ৫ জন যোগ হয়ে দল হয় ৩০ জনের। সব শেষে তুর্য হাজরাকে নিয়ে ৩১ জনের দল ঘুরে বেড়িয়েছে ভারত জুড়ে। এদের সম্পর্কে আনন্দবাজার লিখেছিল “যেন আরেক মুজিব বাহিনী” আর ম্যানেজার মাজহারুল ইসলাম তান্না বলেছিলেন-'ভারতের যেখানেই গিয়েছি আমরা, প্রচণ্ড সাড়া পেয়েছি সাধারণ মানুষের।' 

কটকটে ইতিহাস থেকে এবারে একটু বিরতি নিয়ে মাঠের দিকে যাই।বাংলাদেশ শরনার্থী দল নামে ত্রিপুরা একাদশ এর বিপক্ষে ৪ জুলাই প্রথম ম্যাচ খেললেও স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল নামে প্রথম ম্যাচ হয় ২৪ জুলাই ১৯৭১। নদীয়া। নদীয়া একাদশের সাথে প্রস্তুতি ছাড়াই স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল নেমে পড়ে নিজেদের প্রথম ম্যাচে। ময়দানের খেলা ড্র হয় ২-২ গোলে। কিন্তু এইদিন প্রথম ভিনদেশি একটা দলের সাথে জাতীয় দলের মর্যাদা নিয়ে মাঠে নামে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল। উড়ানো হয় তখনো স্বাধীনতার জন্যে লড়তে থাকা দেশের পতাকা। এমনকি বাজানো হয় জাতীয় সংগীত ও। তখনো ভারত এর কাছে বাংলাদেশ স্বীকৃত কোন রাস্ট্র নয়। এর জের ধরে সাসপেন্ড হয়ে যান নদীয়ার ডিসি ডিকে ঘোষ। যিনি অনেকের মতের বিরুদ্ধে গিয়ে এই দুটি কাজে সম্মতি দিয়েছিলেন। অফিসিয়াল দল নামানোতে IAF এর সদস্যপদ ও সাময়িকভাবে হারায় নদীয়া জেলা।এর পরে তাই আর কোন অফিসিয়াল দলের সাথে ম্যাচ খেলতে পারেনি এই দল। তবে লাভ যেটা হয় সারা বিশ্ব জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে ম্যাচের খবর। আলোচনা সমালোচনার জন্ম দেয় এই ম্যাচ।(পরে ডিকে ঘোষ স্বপদে পুনর্বহাল হয়েছিলেন)

স্বাধীন বাংলা ফুটবলের দলের খবর জাতীয় দৈনিকে

এর মধ্যে দলের সদস্যরা ভিটা গেড়েছেন অস্থায়ীভাবে কলকাতার পার্ক সার্কাসের পাশে কোকাকোলা বিল্ডিংএ। এক রূমে গাদাগাদি করে থাকেন। আর পাশের মাঠে বল পায়ে দৌড়াতে দৌড়াতে স্বপ্ন আকেন দেশ স্বাধীন হবে। কেন এই ত্যাগ? ৭ মার্চ এর ভাষনে যখন শুনেছিলেন যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবেলা করতে হবে, তার এর চেয়ে ভাল অর্থ মনে হয় আর কারো জানা ছিল না। আরো অনেক প্রথমের মত বাংলাদেশ ই প্রথম দেশ যাদের খেলোয়াড়েরা স্বাধীনতার জন্যে ফুটবল খেলেছেন। এর পরে দল খেলেছে আরো ১৫ ম্যাচ। মোট ১৬ ম্যাচে  ৯টি জিতেছিল, ৪টি হেরেছিল আর বাকি তিন ম্যাচ ড্র করেছিল আমাদের প্রথম ফুটবল দলটি। তবেজয় পরাজয়ের বাইরে এই দলের গর্ব স্বাধীনতার জন্য খেলা। স্বাধীনতার কামনায় প্রতি ম্যাচের শেষে দেশের পতাকা নিয়ে ল্যাপ অব অনার দেয়া আর পতাকায় চুম্বনের অসামান্যগৌরব। অস্ত্র হাতে যুদ্ধ হয়তো করেন নি। তবে যে স্বাধীনতার বার্তা আর একতার পরিচয় দেশের হয়ে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন এ দলের সদস্যরা সেটা যে কোন স্বাধীনতাকামী জাতির জন্য একটা রোলমডেল হয়ে আছে। প্যালেস্টাইনে পরবর্তিতে একই ধরনের দল গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয় যার ফলে ইউরোপ জুড়ে তাদের স্বাধীনতার ডাক ছড়িয়ে পড়ে।গ্লাসগোর সেল্টিক পার্কে প্যালেস্টাইন স্বাধীনতার জন্যে আহবান খেলাধুলার সীমানা ছাড়িয়ে ছড়িয়ে থাকা প্রভাবের ই সাক্ষী। যার pioneer হিসাবে স্বাধীন বাংলা দলের কথা বলাই যায়।

দলের মান এর কথা বলতে গেলে বলতে হবে ওপার বাংলার প্রতাপশালী দল মোহনবাগানের সাথে সমানে টক্কর দেবার কথা। গেষ্টপাল একাদশ নামে খেলা মোহনবাগানের কাছে হেরে গেলেও স্থানীয় দর্শকদের সমীহ আদায় করে নেন দলের খেলোয়াড়েরা। 
মুম্বাইতে দল যখন খেলতে যায় মনসুর আলী খান পতৌদি (সাবেক অধিনায়ক, ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল এবং ততকালীন নবাব) নেমেছিলেন খেলতে। দিলীপ কুমার এসেছিলেন সেই ম্যাচ দেখতে। এই ম্যাচের কথা প্রতিটি ফুটবলার আলাদা করে উল্লেখ করেছেন। পতৌদি একটি গোল করেছিলেন তার দলের পক্ষে। ম্যাচের শেষে দলকে দিয়েছিলেন ২০ হাজার রুপী আর অশেষ শুভকামনা। দিলীপ কুমার ও ১ লক্ষ রুপী দলের ফান্ডে জমা দেন।

প্রদর্শনী কোন এক ম্যাচ শুরুর আগের ছবি

তবে আফসোস এর কথা এই দলের গর্বের ইতিহাস সেই ১৯৭১ এর বেশি আমরা বাড়তে দিতে পারি নি। এটা সত্য জাকারিয়া পিন্টু এই দলের অধিনায়ক থেকে পরে জাতীয় দলের অধিনায়ক হয়েছেন। অনেক খেলোয়াড় পেয়েছেন অসাধারণ ফুটবল ক্যারিয়ার।সেদিনের ১৭ বছরের কিশোর সালাউদ্দিন তো খেলোয়াড়,সুপারস্টার, কোচ, সংগঠকের সীমানা পার হয়ে হয়েছেন দেশের ফুটবল ফেডারেশানের নির্বাচিত সভাপতি। কিন্তু সেগুলো তাঁদের ব্যাক্তিগত অর্জন। এখনো এই দলকে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার বা একুশে পদক দূরে থাক কোন সরকারী সংগঠন আজীবন সম্মাননাও দেয় নি।অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টু অনেকবার এই নিয়ে হতাশা জানিয়েছেন। সালাউদ্দিন নিজে এই দলের সদস্য হিসাবে গর্ব করলেও তিনি দেশের ফুটবলের সর্বেসর্বা হয়েও এ ব্যাপারে হতাশা লুকাতে পারেন নি। গত বছর ফিফার স্বীকৃতির জন্যে দলের পক্ষ থেকে সুপারিশ করা হয় যা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে সে ব্যাপারেও মেলেনি কোন সরকারী সহায়তা। এমনকি স্বাধীনতার নথিপত্র নিয়ে প্রকাশিত ১১০০০ পাতার গ্রন্থেও তাদের উল্লেখ নিয়ে রয়েছে ভয়াবহ কার্পণ্য। 

৩৪ জন খেলোয়াড়, সাথে ম্যানেজার এবং কোচসহ সর্বমোট ৩৬ জন নিয়ে গড়া ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টু।সহঅধিনায়ক ছিলেন প্রতাপ শঙ্কর হাজরা। ব্যবস্থাপক ছিলেন তানভীর মাজহারুল ইসলাম তান্না (পরবর্তীতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তা) এবং প্রশিক্ষক ছিলেন ননী বসাক।

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল : জাকারিয়া পিন্টু (অধিনায়ক), প্রতাপ শংকর হাজরা (সহ-অধিনায়ক), কাজী সালাহউদ্দিন, নওশেরউজ্জামান, লেঃ নুরুন্নবী, তাসলিম, আইনুল হক, খোকন (রাজশাহী), লুৎফর (যশোর), শেখ আশরাফ আলী, অমলেশ সেন, হাকিম (যশোর), আমিনুল ইসলাম সুরুজ (বরিশাল), বিমল (চট্টগ্রাম), সুভাষ চন্দ্র সাহা (নরসিংদি), মুজিবর রহমান, কায়কোবাদ, ছিরু, সাত্তার, সনজিৎ, মোমেন জোয়ার্দ্দার (চট্টগ্রাম), সাঈদুর রহমান প্যাটেল, পেয়ারা (সাবেক সেক্রেটারি কুষ্টিয়া জেলা ক্রীড়া সংস্থা), এনায়েতুর রহমান খান, শাহজাহান, অনিরুদ্ধ, নিহার, গোবিন্দ কুন্ডু, প্রয়াত আলী ইমাম, প্রয়াত লালু, প্রয়াত মাহমুদ।

প্রতি বছর জুন মাস এলে এই দলের সংগ্রাম আর সাফল্যের গল্প আলাদা করে মনে পড়ে। এবার আরো বেশি মনে পড়ছে ফেসবুকের নিউজফিড জুড়ে খেলার সাথে রাজনীতি রাজনীতির সাথে খেলা না মেশানোর অদ্ভুত এক সময় আর জেনারেশানের মাঝে। এই দলের গল্পটা খেলার। ক্ষেত্রটা রাজনীতির। এই গল্পটা কী আমাদের খেলা আর রাজনীতি যে এদেশের জন্যে কোথায় কোথায় সম্পর্কিত আর আবেগময় ভাবে জড়িত সেই বার্তা যথেষ্ট পরিষ্কার ভাবে দেয় না?