• ফুটবল

ক্রুইফের কিছু উক্তি।

পোস্টটি ১৪৫৪ বার পঠিত হয়েছে

 

১. আমার দলে গোলকিপার হল প্রথম অ্যাটাকার এবং স্টাইকার হল প্রথম ডিফেন্ডার।

২. ধনী ক্লাব গুলোকে কেন হারাতে পারবে না?আমি কখনও টাকার বস্তাকে গোল করতে দেখিনি।

৩. আমি সবসময় থ্র ইন করতাম কারন আমি রিটার্ন পাস পেতাম এবং ঐ মুহুর্তে আমিই এক মাত্র আনমার্ক প্লেয়ার।

৪. মাঠে একটা মাত্র বল আছে, কাজেই ওটাকেই দখল করতে হবে।

৫. একটা ম্যাচে প্রতিটি প্লেয়াররের পায়ে গড়ে ৩ মিনিট বল থাকে,কাজেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল বাকি ৮৭ মিনিট কি করবে যখন পায়ে বল থাকবে না,এইটাই নির্ধারণ কে ভাল আর কে খারাপ প্লেয়ার।

৬. আমি একজন সাবেক প্লেয়ার,সাবেক টেকনিকাল ডিরেক্টর, সাবেক অবৈতনিক প্রেসিডেন্ট। এইটা একটা সুন্দর তালিকা যা প্রমাণ করে সবকিছুরই শেষ আছে।

৭. যখন পায়ে বল থাকবে মাঠটাকে যথা সম্ভব বড় কারে ব্যবহার কর এবং বল না থাকলে মাঠটাকে যথা সম্ভব ছোট করে ফেলবে।

৮. সব সময় প্রতিপক্ষের সবচেয়ে বাজে প্লেয়ারকে বল রিসিভ করা নিশ্চিত করবে কারণ সাথে সাথেই বল ফেরত পারে যাবা।

৯. আমার দুটি নেশা ছিল,একটা স্মোকিং, আপরটা ফুটবল। ফুটবল আমাকে আমর করেছে এবং অপর দিকে স্মোকিং আমার থেকে সবকিছু কেড়ে নিয়েছে।

১০. যারা আসল লিডার না তারা, কেও মাঠে একটা ভুল করলেই খারাপ ব্যবহার করে।অপর দিকে আসল লিডার আগেই জানে প্লেয়ারা ভুল করবে এবং সে সেটা সমাধানের চেষ্টা করে।

১১. সঠিক সময়ে সঠিক স্থানে হাজির হওয়ার জন্য একটা নির্দিষ্ট সময় আছে।যদি সঠিক সময়ে হাজির হতে না হতে পার তার অর্থ হল তুমি বেশি দ্রুত বা খুব দেরি করে ফেলেছ।(উক্তিটা পারর্ফেক্ট ট্যাকল করার বিষয়ে)

১২. হাজার বার বল নিয়ে জাগাল করতে পারা কোনো কৌশল না,প্রাকটিস করলে যেকেওই করতে পারবে।কৌশল হল একট টাচে সঠিক গতি,সময় এবং টিম মেটের সঠিক পায়ে বল পাস দেওয়া।

১৩. কোনো কিছু জেতার পর আর ১০০% থাকা যায় না,৯০% হয়ে যায়। বিষয়টা অনেকটা কোমল পানীয়োর বতলের মত,প্রতিবার ক্যাপ খোলার সাথে সাথে গ্যাসের ঘনত্ব কমতে থাকে।

১৪. প্রথম রাউন্ড পার করাই আমার লক্ষ্য না।আমি ব্রাজিল,আর্জেন্টিনা এবং জার্মানির সাথে এক গ্রুপে পড়লে প্রথম রাউন্ড শেষে দুইজন রাইভেল কমে যাবে,আমি এই ভাবেই চিন্তা করি।

১৫. রেজাল্ট ছাড়া কোয়ালিটি অর্থহীন।কোয়ালিটি ছাড়া রেজাল্ট বোরিং।

১৬. আমি একই ভুল দ্বিতীয় বার করি না।

১৭. ফুটবল খেলা সিম্পল, কিন্তু সিম্পল ফুটবল খেলা হল সবচেয়ে কঠিন কাজ।

১৮. প্রতিটি অসুবিধারই সুবিধা আছে।

১৯. রাস্তায় খেলা ফুটবলাররা প্রোফেশনাল কোচ দ্বারা ট্রেনিং প্রাপ্ত প্লেয়ারদের থেকে গুরুত্বপূর্ণ।

২০. ইতালিয়ানরা আমাদের হারাতে পারে না, কিন্তু আমরা অবশ্যই তাদের কাছে পরাজিত হতে পারি।

২১. শর্ট নিতেই হবে, নয়ত গোল করতে পারবে না।

২২. ফুটবল হল ভুলের খেলা,যে সবচেয়ে কম ভুল করে সেই জয় লাভ করে।

২৩. সমাপতন যৌক্তিক।

২৪. জয় লাভ করতে সব সময় প্রতিপক্ষের চেয়ে একটি গোল বেশি করতে হয়।

২৫. যদি কাওকে দলে রাখতে জোর করতে হয়,সে দলের কোনো কাজেরই না।

২৬. আমি এক জাহাজে কখনই দুইজন ক্যাপ্টেন রাখতাম না। আমাদের অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিৎ।(নেইমারের ট্রান্সফারের বিষয়ে)

২৭. যখন কম্পিউটারের তথ্যের উপর কোনো ট্যালেন্টকে রিজেক্ট করা হয় আমি খুবই দুঃখ পাই।আমার সময় কম্পিউটার দিয়ে ট্যালেন্ট খোজা হলে আমিই হয়ত রিজেক্ট হয়ে যেতাম।১৫ বছর বয়সে আমি বাম পা দিয়ে কিক করলে সর্বোচ্চ ১৫ মিটার আর ডান পা দিয়ে কোনোমতে ২০ মিটার দূরে বল যেত। আমার কোয়ালিটি ছিল কৌশন,ভিশন যা কম্পিউটার নির্ধারণ করতে পারে না।

২৮. অনেক সময় হাটা শেখার আগেই দৌড়াতে হয়।

২৯. খুব কম প্লেয়ার আছে যারা জানে আনমার্ক থাকলে কি করতে হয়। এজন্য মাঝে মাঝে প্লেয়ার দের বলতে হয়, প্লেয়ারটা খুব ভাল কিন্তু মার্ক করার প্রয়োজন নেই।

৩০. বল ছাড়া জেতা অসম্ভর।

৩১. সব কোচই মুভমেন্ট নিয়ে অনেক কথা বলে।আমি বলব খুব বেশি দৌড়ানোর প্রয়োজন নেই।ফুটবল এমন একটি খেলা যা মস্তিষ্ক দিয়ে খেলতে হয়।সব সময় সঠিক স্থানে সঠিক সময় থাকতে হয়,খুব দ্রুত বা খুব দেরিতে নয়।

৩২. ফুটবল বিশ্বের জন্য,মেসি একটি মূল্যবান সম্পদ কারন সে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বাচ্চাদের আদর্শ ব্যক্তি.... মেসি ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যালোন ডি'অর জয়ী হয়ে।সে পাঁচ,ছয়,সাত বার জিতবে।সে অন্য কাতারের।

৩৩. আমি যদি তোমাকে বোঝাতে চাইতাম, তাহলে আরো ভাল করে ব্যাখ্যা দিতাম।

৩৪.ব্রিটেনে প্রধান সমস্যা হল সেখানে (ঘরোয়া) প্রতিযোগিতা ও ম্যাচের সংখ্যা অনেক বেশি।ইউরোপিয়ান কম্পিটিশন বা নতুন চিন্তা করার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় না কারণ ঘরোয়া ফুটবলের উপর অনেক জোর দেওয়া হয়।

৩৫. যদি দেরিতে বল পাও, এর অর্থ হল তুমি ভুল পজিশন নির্বাচন করেছে।

(ডেনিশ)বের্গকাম্প কখনই দেরি করত না।

৩৬. যদি জিততে না পার,তাহলে পরাজয় এড়ান নিশ্চিত কর।

৩৭. আমি যে যুগ রিপ্রেজেন্ট করেছি যা প্রমাণ করে আকর্ষণীয় ফুটবল উপভোগ্য এবং সফল ছিল এবং খেলতেও মজার ছিল।

৩৮. আমি নিজের ওয়ালেট চুরি করতে চাই না।

৩৯.যারা আমার লেভেলের না, তারা আমার ন্যায়পরায়ণতা কে প্রভাবিত করে পারে না।

৪০.দর্শকরা যদি ম্যাচ উপভোগ করে এবং হাসি মুখে বাড়ি ফেরে তাহলে এটাই সবচেয়ে বড় পাওয়া।

৪১. ফুটবল বুদ্ধি খেলা।

৪২. পায়ে যখন বল থাকে না,তখন কি করা উচিৎ? “প্রেসিং",এইটাই ডিফেন্ডিং করার উপায়।

 

'প্যাভিলিয়ন ব্লগ’ একটি কমিউনিটি ব্লগ। প্যাভিলিয়ন ব্লগে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি এবং ভিডিওর সম্পূর্ণ স্বত্ব এবং দায়দায়িত্ব লেখক এবং মন্তব্য প্রকাশকারীর নিজের। কোনো ব্যবহারকারীর মতামত বা ছবি-ভিডিওর কপিরাইট লঙ্ঘনের জন্য প্যাভিলিয়ন কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। ব্লগের নীতিমালা ভঙ্গ হলেই কেবল সেই অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিবেন।