• বাংলাদেশ-আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ
  • " />
    X

     

    ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে 'সন্তুষ্ট হলেও খুশী নন' ট্রেইনার

    বিসিবির কন্ডিশনিং ক্যাম্পে আসা ক্রিকেটারদের ফিটনেস নিয়ে ‘সন্তুষ্ট হলেও খুশী নন’ বলে জানিয়েছেন জাতীয় দলের ট্রেইনার মারিও ভিল্লাভারায়ণ। প্রায় আট মাস পর ক্রিকেটারদের ফিটনেস টেস্ট হয়েছে এদিন। দীর্ঘদিন পর এমন টেস্টের পর ক্রিকেটারদের উন্নতি করতে হবে বলে মত তার। মাহমুদউল্লাহ ও সাইফউদ্দিনকে যা বলা হয়েছিল, সেসব তারা করেছেন। আর খুব শীঘ্রই ওয়ানডে নেই বলে মাশরাফি বিন মুর্তজার ফিটনেস নিয়েও ভাবছেন না তিনি।  

    ৩৫ জন ক্রিকেটারকে নিয়ে শুরু হয়েছে এই কন্ডিশনিং ক্যাম্প, আফগানিস্তানের সঙ্গে টেস্ট সিরিজ ও জিম্বাবুয়েকে সঙ্গে নিয়ে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের আগে। টানা ক্রিকেট খেলে যাওয়ার ছাপ ক্রিকেটারদের ফিটনেসের ওপর পড়েছে বলেই দেখেছেন ভিল্লাভারায়ণ, “আট মাস পর আমরা ফিটনেস টেস্ট করছি। গত অক্টোবর থেকেই অবিরাম ক্রিকেট খেলে যাচ্ছি আমরা। আমার ও ক্রিকেটারদের জন্য এটি তাই আমরা কোথায় আছি, কোথায় কাজ করতে হবে সামনে সেটা বুঝার সুযোগ। তাদের অবস্থান নিয়ে সন্তুষ্ট আমি, তবে খুশি নই। তবে এটা মেনে নেওয়ার মতো, আট মাস আমরা কোনও ফিটনেস ক্যাম্প করিনি। এটা স্বাভাবিক, তারা তাদের সেরা জায়গায় নেই, তবে অবস্থা খারাপও না। সেদিক দিয়ে ভাবলে অবশ্য খুশি আমি।”

    মূলত কোথায় উন্নতি করতে হবে, সেসব খুঁজে বের করাই এমন ক্যাম্পের উদ্দেশ্য বলে জানিয়েছেন তিনি, “প্লেয়ারদের কন্ডিশন কেমন তা জানার জন্যই ফিটনেস টেস্ট করি। রানিং ফিটনেস কেমন, তাদের শক্তিমত্তা অনুযায়ী তারা কোথায় আছে, কোন কোন জায়গায় কাজ করতে হবে। কাউকে কাউকে তাদের ফিটনেস নিয়ে কাজ করতে হবে, আবার কেউ ভালই করছে, তবে তাদেরও উন্নতি করতে হবে।” 

    “আলাদা করে কারও কথা বলবো না, তবে তাদের উন্নতি করতে হবে। এমনকি যারা ভাল করেছে, তাদেরও উন্নতি করতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, সেরে ওঠার জন্য চার-পাঁচদিন যথেষ্ট নয়। আমার মনে হয় চার থেকে ছয় সপ্তাহ লাগবে, তবে এটা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট। তেমন সময় পাওয়া যাবে না। উন্নতি করতে তাই আমরা স্কিল ব্যবহার করব ক্যাম্পের ফিটনেস সেশনে।” 

    সামনে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি, তবুও এ ক্যাম্পে আছেন ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি। ভিল্লাভারায়ণ বলছেন, তার ফিটনেস নিয়ে কাজ করার সময় আছে এখনও বেশ, “আগামী বছর পর্যন্ত আমাদের আর কোনো ওয়ানডে ক্রিকেট নেই। ছয় মাস পর যখন ওয়ানডে ক্রিকেট, তখন তার ফিটনেস টেস্টের কোনও কারণ দেখি না। আমরা ভবিষ্যতে তাকে নিয়ে কাজ করবো। 

    আর সাম্প্রতিক সময়ে বাজে ফিল্ডিংয়ের কারণ হিসেবেও ফিটনেসকে দোষারোপ করতে চান না জাতীয় দলের ট্রেইনার, “আমি সেটা বলতে পারি না যে, এটি বা সেটির কোনোটি কারণ। কেউ ক্যাচ মিস করলে ফিটনেসের কারণে করেছে, এটা বলা ন্যায্য না।”