• বাংলাদেশ-আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ
  • " />

     

    বাংলাদেশের 'প্রিয়' ওয়ানডে, ডমিঙ্গোর ভাবনায় টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি

    টেস্ট থেকে টি-টোয়েন্টি- বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এ দুই ফরম্যাটের মাঝে প্রত্যাবর্তনটা ঠিক স্বস্তিকর নয় বাংলাদেশের। এ দুইয়ের মাঝে যেটি, বাংলাদেশের অলিখিত ‘প্রিয়’ ফরম্যাট তো সেই ওয়ানডেই। বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের ওয়ানডে-প্রীতির ব্যাপারটা একটু চমকপ্রদ ঠেকেছে ডমিঙ্গোর কাছে। আপাতত অবশ্য ওয়ানডে ভুলে বাকি দুই ফরম্যাটের দিকে মনযোগ দিতে হবে বাংলাদেশকে। নিজের অভিষেক ম্যাচটাতেই হারের অভিজ্ঞতা হয়েছে হেড কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর। টেস্ট থেকে এবার টি-টোয়েন্টির চ্যালেঞ্জের সামনে তিনি। তবে সীমিত ওভারের ক্রিকেট বলে টি-টোয়েন্টি হলেও সেখানে বাংলাদেশকে নিয়ে আশাবাদি এই দক্ষিণ আফ্রিকান।  

    আফগানিস্তানের সঙ্গে একমাত্র টেস্টের পর এবার টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে সঙ্গে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে নতুন করে শুরুর পালা বাংলাদেশের। অবশ্য চট্টগ্রামের ভূত ছাড়ছে না এখনও। ম্যাচের আগের দিনও সংবাদ সম্মেলনে ডমিঙ্গোর দিকে তাই শুরুতেই ছুটে গেল সে ম্যাচ সম্পর্কিত প্রশ্নই। টেস্টের রেকর্ডটা সুবিধার নয় বাংলাদেশের, ডমিঙ্গো সেটি উল্লেখ করে বলছেন, দলের কাঠামো নিয়ে কাজ করতে হবে তার। 

    রেকর্ড বাংলাদেশের সুবিধার নয় টি-টোয়েন্টিতেও। আইসিসি র‍্যাঙ্কিংয়ে আফগানিস্তানই তো বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে দুই ধাপ। ডমিঙ্গো বাংলাদেশের ওয়ানডে-প্রীতির ব্যাপারটা জেনেছেন টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিবের কাছে, “এটা চমকপ্রদ একটু। সাকিবের সঙ্গে কথা বলার সময় তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম- বাংলাদেশের প্রিয় ফরম্যাট কোনটা? সে বলেছে পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেট। আমি জিজ্ঞাসা করেছি কেন। সে বলেছে, এই ফরম্যাট খেলেই তারা বেড়ে ওঠে। স্কুলে অনেক খেলে, ক্লাবে অনেক খেলে, এ ফরম্যাটটাই বেশি খেলে।”  

     

     

    সে কারণেই টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে আরও বেশি কাজের ক্ষেত্র দেখছেন তিনি, “টি-টোয়েন্টি, টেস্ট ক্রিকেটে অনেক কাজ করার আছে- আসলে সব ফরম্যাটেই আছে। তবে টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট পরবর্তী কয়েক মাসে অনেক মনযোগ দিতে হবে। ভাগ্যক্রমে খুব বেশি ওয়ানডে ক্রিকেট নেই (সামনে), কিন্তু টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট আছে অনেক। এসবে উন্নতি করার চেষ্টা করতেই পারি আমরা।” 

    ফরম্যাটের সঙ্গে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ দলের স্কোয়াডের চেহারাও। কাজ শুরুর পর প্রথম অ্যাসাইনমেন্টে যাদেরকে ডমিঙ্গো দেখেছিলেন ড্রেসিংরুমে, এবার দেখবেন একঝাঁক নতুন মুখ। ইয়াসিন আরাফাত, আফিফ হোসেন, মেহেদি হাসানের সঙ্গে এদিনই যেমন প্রথম দেখা হয়েছে ডমিঙ্গোর। আপাতত তাই ইনপুট দেওয়ার আগে তার নির্ভর করতে হচ্ছে অধিনায়কের ওপরই, “ক্রিকেট কোচ শুনলেই মনে হয়, চুপচাপ বসে থেকে কিছু না বলা। অথবা কোনও মন্তব্য না করা, অথবা মত না দেওয়া, কারণ আপনি সৌভাগ্যক্রমে সেটির জন্যই টাকা পাচ্ছেন। আমি চেষ্টা করছি ইনপুট দেওয়ার। ক্রিকেটারদের ফুটেজ দেখার সময় মত দেওয়ার চেষ্টা করছি, কোথায় কোথায় উন্নতি করতে হবে সেসবে নিয়ে কাজ করছি।” 

    তবে খেলাটা সাদা বলের বলেই বেশ আশাবাদি ডমিঙ্গো, “সাদা বলের ক্রিকেট বলে বাংলাদেশ নিজেদের দিনে যে কাউকেই হারাতে পারে। শুধু অভিজ্ঞতার দিকে তাকান। বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অভিজ্ঞ দল লছিল। সুতরাং কোয়ালিটিতে অভাব নেই, অভিজ্ঞতার অভাব নেই। যদি আমরা সামর্থ্য অনুযায়ী খেলি, তাহলে আমাদেরকে হারানো বেশ শক্ত হবে।”