• বাংলাদেশ-আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    ব্যাটিং-ব্যর্থতার যে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন সাকিব

    টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এর আগে তিন থেকে নয়- সব জায়গাতেই ব্যাটিং করেছিলেন মুশফিকুর রহিম। আজ এলেন ওপেনিংয়ে। অবশ্য অভিজ্ঞতাটা ঠিক সুখকর হলো না তার, দ্বিতীয় ওভারে ফরিদ আহমেদকে স্কুপ করতে গিয়ে হলেন বোল্ড। এর আগেই ফিরেছিলেন লিটন দাস, শীঘ্রই বাংলাদেশ বনে গেল ৩২ রানে ৪ উইকেটে। আরেকটি ম্যাচ, বাংলাদেশের টপ অর্ডার ব্যর্থ আরেকবার। টপ অর্ডারের এ ব্যর্থতাকে সাকিব আল হাসান বলছেন ‘আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি ও পরিষ্কার মানসিকতার অভাব’-এর সমন্বয়। 

    আফগানিস্তান ব্যাটিংয়ের শুরুর অর্ধে নিয়ন্ত্রণ ছিল বাংলাদেশের, সাইফউদ্দিন ও সাকিব মিলে তাদেরকে পরিণত করছিলেন ৪০ রানে ৪ উইকেটে। এরপর ঘুরে দাঁড়িয়েছে তারা পরের ধাপে। ম্যাচটা নিজেরাই আফগানদের বিলিয়ে এসেছেন বলে মনে করেন সাকিব। বারবার চেষ্টা করেও এরপর আফগানদের পেছনে ফেলতে পারেননি তারা, শুরুর ওই ৪ উইকেট নেওয়ার পর। মুশফিকের ওপেনিংয়ে উঠে আসার কারণ ছিল ব্যাটিংয়ে শুরুতে অভিজ্ঞতার জোরে কিছু করার বাসনা। 

    “এর সবচেয়ে বড় কারণ হচ্ছে, আমাদের মনে হয়েছে, আমরা যারা বেশি ম্যাচ খেলেছি, যাদের অভিজ্ঞতা বেশি (তাদেরকে দায়িত্ব দেওয়া)। যেহেতু আমাদের শুরুটা ভাল হচ্ছে না, শুরুটা যাতে ভাল করতে পারি, যেহেতু দায়িত্বটা আমাদের ওপরই বর্তায়”, মুশফিকের ওপরে উঠে আসার কারণ ব্যাখ্যা করলেন সাকিব। তবে মুশফিকও বদলাতে পারলেন না চিত্রটা। 

    ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার কারণ হিসেবে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলছেন, “আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি ও ‘মাইন্ডসেট ক্লিয়ার’ না থাকা- দুটোই। যেহেতু আত্মবিশ্বাস তলানীতে, ‘মাইন্ডসেটও ক্লিয়ার’ না তাই। একটা আরেকটার পরিপূরক বলতে পারেন।” 

    তবে অনুশীলনে বা প্রস্তুতিতে কেউ ঘাটতি রাখছেন না বলে দাবি তার। আর এ কারণেই ব্যর্থতা হয়ে উঠছে আরও বেশি হতাশাজনক, “একটু হতাশাজনক। যখন সবাই চেষ্টা করছে, কিন্তু হচ্ছে না। তার মানে চেষ্টাটা ঠিক করে করতে হবে। কেউ কমতি রাখেনি চেষ্টায়। অনুশীলনে সবাই সবারটা করেছে। ম্যাচে এক্সিকিউশনটা গুরুত্বপূর্ণ। আমিও যদি বিশ্বকাপে ভাল না করতাম, তাহলে আমার কঠোর পরিশ্রম নিয়ে কথা হতো না। কঠোর পরিশ্রমটাকে যেন আমরা জায়গামতো প্রমাণ করতে পারি, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। এটা আমাদের প্রত্যেকেরই দায়িত্ব।”

     

     

    সাকিব দায়িত্ব নিতে বলছেন নিজেদের খেলা নিয়ে ভাবনা-চিন্তা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও, “আসলে প্রত্যেককে দায়িত্ব নিতে হবে আলাদা করে, তাদের গেমপ্ল্যান তৈরি করতে হবে। কোচ বা অন্যরা যতই বলুক, দিনশেষে আপনার খেলা আপনাকেই খেলতে হবে- আপনার ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং। এখানে আসলে সবাই সবারটা চিন্তা করবে। আসলে একজন আরেকজনকে কতখানি পরামর্শ দেওয়া সম্ভব বা উচিত আমি জানি না। কোচিং স্টাফরা চেষ্টা করছে, কথা বলছে, কী কী অপশন আছে। অন্য দেশের ক্রিকেটাররা কী কী করেছে, সেটা দেখাচ্ছে। কিন্তু ‘অ্যাপ্লিকেশন’টা তো নিজেদেরই করতে হবে।” 

    আর ম্যাচ জিততে দলীয় সমন্বয়ের তাগিদও দিচ্ছেন তিনি, “প্রতি ম্যাচেই একজন দুজন পারফর্ম করছে, বেশিরভাগ ব্যর্থ। যেটা হয়, সবাই পারফর্ম করে, একজন দুজন ব্যর্থ হয়। যেহেতু দলীয় খেলা, সবাই পারফর্ম না করলে জেতা কষ্টকর হয়ে পড়ে।” 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন