• অন্যান্য খবর
  • " />

     

    এবার লাৎসিওর কাছে হেরে মৌসুম শুরুর শিরোপা পাওয়া হলো না জুভেন্টাসের

    ফুলটাইম
    জুভেন্টাস ১-৩ লাৎসিও


    মাত্র দুই সপ্তাহ আগেই একইভাবে জুভেন্টাসকে হারিয়েছিল লাৎসিও। সেবার সিরি আ-তে জুভেন্টাসকে শীর্ষস্থান থেকে নামিয়ে দিয়েছিল তারা। এবার ইতালির বদলে দুইদল মুখোমুখি হলো সৌদি আরবে। সিরি আ-র বদলে এবার কোপা ইতালিয়ানার ফাইনালে। কিন্তু ফল থাকল একই। সে ম্যাচের মতো এবারও জুভেন্টাস ম্যাচ শেষ করেছে ১০ জনের দল নিয়ে। আর লাৎসিও এবার পুরস্কার হিসেবে পেল কোপা ইতালিয়ানার শিরোপা। 

    গতবারের সিরি আ-জয়ী ও কোপা ইতালিয়া জয়ী দুই দলের ম্যাচ দিয়ে সাধারণত শুরু হত ইতালিয়ান মৌসুম। এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সেই ম্যাচ হলো মৌসুমের মাঝপথে। ইতালির বদলে অন্য কোনো দেশে। সিরি আর ওই ম্যাচের চেয়ে চিত্রনাট্যে অবশ্য পরিবর্তন আছে কিছুটা। জুভেন্টাসের বদলে এবার এগিয়ে গিয়েছিল লাৎসিও। লুইস আলবার্তো আগের ম্যাচে দুই গোলের অ্যাসিস্ট করেছিলেন। এবার তার গোলেই রিয়াদে এগিয়ে গিয়েছিল লাৎসিও।



    সার্গে মিলিঙ্কোভিচ সাভিচের কাটব্যাকের পর গোলের দশ গজ দূর থেকে লক্ষ্যভেদ করেন আলবার্তো। ২২ মিনিটের ওই গোলের লিড নিয়ে অবশ্য বিরতিতে যাওয়া হয়নি তাদের। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর বক্সের বাইরে থেকে করা শট লাৎসিও গোলরক্ষক স্ট্রাকোশা ঠেকিয়ে দেওয়ার পর রিবাউন্ডে গোল করে দলকে সমতায় ফেরান পাউলো দিবালা। কোপা ইতালিয়ানাতে চার গোল করে এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেছেন ২৬ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন।

    আরও একবার আক্রমণভাগে রোনালদো-হিগুয়াইন আর দিবালার ওপর ভরসা রেখেছিলেন মাউরিসিও সারি। তবে জুভেন্টাসের ত্রয়ী এদিন আর সেভাবে ধারালো হয়ে উঠতে পারেননি। বরং প্রথমার্ধে গোল তৈরির সুযোগ বেশি পেয়েছিল লাৎসিওই। ৭৩ মিনিটে গিয়ে সুযোগ কাজে লাগিয়েছে সিমোনে ইনজাগির দল। ডান দিক থেকে আসা ক্রস  সতীর্থ ফ্লিক করে উঠিয়ে দেওয়ার পর দূরের পোস্টে ছিলেন সেনাদ লুলিচ। কোণাকুনি ভলিতে লাৎসিওকে এগিয়ে নেন তিনি।

    তৃতীয় গোলটি লাৎসিও পেয়েছে একেবারে শেষে গিয়ে। এর আগে একবারে ভিএআরে বাতিলও হয়েছিল হুয়াকেন কোরেয়ার গোল। যোগ করা সময়ের গোলের আগে অবশ্য অল্প কাহিনীও হয়ে গেছে ম্যাচে। বক্সের ঠিক বাইরে পারোলোকে ফাউল করেছিলেন রদ্রিগো বেন্টাঙ্কুর। দ্বিতীয় লাল কার্ড দেখে শেষের কয়েক মিনিট জুভেন্টাসকে দশ জনের দলে পরিণত করে বের হয়ে যান তিনি। ওই ফ্রি কিক থেকেই জুভেন্টাসের হারের ষোলকলা পূর্ণ করেছেন দানিলো কাতালদি। বক্সের ঠিক মাথা থেকে দুর্দান্ত এক গোল করেই সতীর্থদের নিয়ে মেতেছেন শিরোপা জয়ের উল্লাসে। আর সারির জুভেন্টাস এই নিয়ে মৌসুমে হারল মাত্র দ্বিতিয়বারের মতো, দুইবারই লাৎসিওর বিপক্ষে। ইতালিতে প্রথম শিরোপার জন্যে অপেক্ষা তাই আরও বাড়ল সারির।