• ফুটবল, অন্যান্য
  • " />

     

    বাংলাদেশের শিরোনামে উনিশের বিশ্বজয়

    পচেফস্ট্রুমে বাংলাদেশ যুবাদের বিশ্বজয়ের মুহুর্তে ধারাভাষ্যে ছিলেন ইয়ান বিশপ। তখনই তিনি নিশ্চিত করে বলে দিয়েছিলেন ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামে মানুষের ঢল নামবে এই জয়ের পর। বিশপের কথা ফলেছে। প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক কোনো টুর্নামেন্টের শিরোপা জয়ের আনন্দ ছুঁয়ে গেছে সবাইকে। রাত পোহানোর পর লোকজনের আগ্রহ বেড়েছে পত্র-পত্রিকার শিরোনামের দিকে।

    বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলোতে অনুমিতভাবেই প্রাধান্য পেয়েছে যুবাদের বিশ্বজয়ের গল্প। প্রায় সব জাতীয় পত্রিকার শিরোনামও ওই গল্প ঘিরেই। প্রথম আলো তাদের শিরোনামে লিখেছে, 'উনিশের হাত ধরে বিশে বিশ্বজয়'। সুকান্ত ভট্টচার্যের আঠারো বছর বয়স কবিতার ছায়ায় অনুর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের অদম্য বিজয়ের গল্প ফুটিয়ে তুলেছে তারা।
     

    কালেরকন্ঠ আকবর আলীর সঙ্গে সম্রাট আকবরের তুলনা করে 'আকবর দ্য গ্রেট' শিরোনামে বাংলাদেশ অধিনায়কের বীরত্বের গল্প লিখছে প্রথম পাতায়। সমকাল বলছে, ক্রিকেট ইতিহাসের এক ব্রাহ্মমুহুর্তে ভারতকে ডিএল মেথডে হারিয়ে ৩ উইকেটে হারিয়ে যুব ক্রিকেটের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট এখন বাংলাদেশের। বাংলাদেশ দলের মেধা, প্রজ্ঞা, প্রচেষ্টা ও প্রতিভার প্রশংসা করেছে তারা। 

    ইংরেজি পত্রিকা ডেইলি স্টার তাদের প্রথম পাতার পুরোটা জুড়ে ছেপেছে যুবাদের শিরোপা জয়ের মুহুর্তের একটি ছবি। ওপরে বড় হরফে লেখা 'ইয়াং টাইগার্স রুল দ্য ওয়ার্ল্ড'। ভেতরের পাতায় তাদের মূল খবরের শিরোনামও 'ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ন'। ডেইলি সান বাংলাদেশের তরুণদের এই অর্জনকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে শিরোনাম করেছে। 

    যুগান্তর ও ভোরের কাগজ শিরোনাম করেছে দুই শব্দে, "বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ"। দৈনিক ইত্তেফাক ও দেশ রুপান্তর অনুর্ধ্ব-১৯ দলের জয়কে বলছে "বাংলাদেশের বিশ্বজয়"। প্রায় সব পত্রিকাই ভারত-বাংলাদেশ ফাইনালে বারবার বাংলাদেশের স্বপ্নভঙ্গের গল্পগুলো তুলে এনেছে। ভারতকে হারিয়ে ফাইনাল জয় উদযাপনের মাত্রাও বাড়িয়েছে বলে লিখেছে বেশ কয়েকটি পত্রিকা।