• ফুটবল, অন্যান্য
  • " />

     

    মেসিকে টপকে গোল্ডেন শু জিততে পারবেন লেভানডফস্কি?

    গত ৩ মৌসুম ধরেই ইউরোপিয়ান ফুটবলের গোল্ডেন শু-এর পুরস্কার জিতেছেন লিওনেল মেসি। ঘরোয়া লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে দেওয়া হয় এই পুরস্কার। ২০১৩-১৪ মৌসুমের পর আর কখনই স্প্যানিশ লিগ ছাড়া অন্য লিগের কোনো খেলোয়াড়ের গোল্ডেন শু জেতা হয়নি। ২০১৯-২০ মৌসুমে অবশ্য সেই ধারা কেটে যেতে পারে। রবার্ট লেভানডফস্কিই আপাতত সবার চেয়ে এগিয়ে আছেন। নিয়ম অনুযায়ী ইউরোপের শীর্ষ ৫ লিগে একটি করে গোলের জন্য যোগ হয় দুই পয়েন্ট করে। আর এরপর ইউয়েফার কোএফিশিয়েন্ট র‍্যাংকিং অনুযায়ী ৬ থেকে ২২ পর্যন্ত অবস্থানে থাকা দেশগুলোর লিগের খেলোয়াড়রা পান প্রতি গোলের জন্য ১.৫ পয়েন্ট, আর ২২ এরপর থেকে বাকি লিগগুলোয় গোলের জন্য খেলোয়াড়রা পান ১ পয়েন্ট। মৌসুম শেষে যার পয়েন্ট বেশি তাকে দেওয়া হয় সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার, গোল্ডেন শু।
     


    প্রিমিয়ার লিগ


    ১৭ জুন থেকে আবার ফিরছে প্রিমিয়ার লিগ। মার্চে স্থগিত হওয়ার আগ পর্যন্ত জেমি ভার্ডিই ছিলেন সবচেয়ে এগিয়ে।

    ১. জেমি ভার্ডি (লেস্টার সিটি) - ১৯ গোল

    ২. পিয়ের-এমেরিক অবামেয়াং (আর্সেনাল) - ১৭ গোল

    ৩. সার্জিও আগুয়েরো (ম্যান সিটি) - ১৬ গোল

    ৪. মোহাম্মদ সালাহ (লিভারপুল) - ১৬ গোল

    ৫. ড্যানি ইংস (সাউদাম্পটন) - ১৫ গোল

    ৬. মার্কাস রাশফোর্ড (ম্যান ইউনাইটেড) - ১৪ গোল

    ৭. সাদিও মানে (লিভারপুল) - ১৪ গোল

    ৮. ট্যামি আব্রাহাম (চেলসি) - ১৩ গোল

    ৯. ডমিনিক ক্যালভার্ট-লুইন (এভারটন) - ১৩ গোল

    ১০. রাউল হিমেনেজ (উলভস) - ১৩ গোল


    লা লিগা


    আরও একবার গোল্ডেন শু জিততে পারবেন মেসি? লা লিগা ফিরলে কেমন ফর্মে থাকেন সেটার ওপরই নির্ভর করছে সেই ভাগ্য, সঙ্গে বার্সেলোনার ভাগ্যও।

    ১. লিওনেল মেসি (বার্সেলোনা) - ১৯ গোল

    ২. করিম বেনজেমা (রিয়াল মাদ্রিদ) - ১৪ গোল

    ৩. লুকাস পেরেজ (আলাভেস) - ১১ গোল

    - লুইস সুয়ারেজ (বার্সেলোনা) - ১১ গোল

    ৫. রজার মার্তি (লেভান্তে) - ১১ গোল

    - জেরার্ড মোরেনো (ভিয়ারিয়াল) -১১ গোল

    ৭. অ্যাঙ্গেল রদ্রিগেজ (গেটাফে) - ১০ গোল

    - লুকাস ওকাম্পোস (সেভিয়া) - ১০ গোল

    ৯. উইলিয়ান হোসে (রিয়াল সোয়েসিয়েদাদ)- ৯ গোল

    ১০. ম্যাক্সি লোপেজ (ভ্যালেন্সিয়া)- গোল


    সিরি আ


    ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো শুরুটা করেছিলেন ধীর গতিতে। এরপর টানা ১১ ম্যাচে গোল করে রেকর্ডও ছুঁয়েছিলেন লিগে। তবে ইম্মোবিলেই এখনও এগিয়ে আছেন ইতালিয়ান লিগে।

    ১. চিরো ইমোবিলে (লাৎসিও) - ২৭ গোল

    ২. ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (জুভেন্টাস) - ২১ গোল

    ৩. রোমেলু লুকাকু (ইন্টার মিলান) - ১৭ গোল

    ৪. হোয়াও পেদ্রো (ক্যালিয়ারি) - ১৬ গোল

    ৫. জসিপ ইলিসিচ (আটালান্টা) - ১৫ গোল

    ৬. ফ্রান্সেসকো কাপুটো (সাসুলো) - ১৩ গোল

    - লুইস মুরিয়েল (আটালান্টা) - ১৩ গোল

    ৮. এডিন জেকো (রোমা)- ১২ গোল

    ৯. আন্দ্রে পাতেংগা (স্পাল)- ১১ গোল 

    -দুভান জাপাতা (আটালান্টা)- ১১ গোল

    - লাউতারো মার্টিনেজে (ইন্টার)- ১১ গোল
     


    বুন্দেসলিগা


    রবার্ট লেভানডফস্কি নিজেকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছেন এই মৌসুমে। এরই মধ্যে এক মৌসুমে নিজের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ছুঁয়েছেন। মেসির কাছ থেকে গোল্ডেন বুট ছিনিয়ে নেওয়ার সবচেয়ে বড় দাবিদার এবার তিনিই। 
     

    ১. রবার্ট লেভানডভস্কি (বায়ার্ন মিউনিখ) - ২৯ গোল

    ২. টিমো ভের্নার (লাইপজিগ) - ২৫ গোল

    ৩. জেডন সানচো (ডর্টমুন্ড) - ১৭ গোল

    ৪. রবিন কোয়াইসন (মেইন) - ১২ গোল

    ৫. সেবাস্তিয়ান অ্যান্ডারসন (ইউনিয়ন বার্লিন) - ১২ গোল

    ৬. রয়েন হেনিংস (ফর‌চুনা ডুসেলডর্ফ) - ১২ গোল

    ৭. জন কর্ডোবা (এফসি কোলন) - ১১ গোল

    ৮. সার্জ গেনাব্রি (বায়ার্ন মিউনিখ) - ১১ গোল

    ৯. কাই হাভার্টজ (বায়ার লেভারকুজেন) - ১১ গোল

    ১০. মার্কো রয়েস (বরুশিয়া ডর্টমুন্ড)- ১১ গোল


    লিগ আঁ


    মৌসুম মাঝপথেই শেষ হয়ে গেছে। পিএসজিও এগিয়ে থাকার সুবাদে টানা তৃতীয়বারের মতো শিরোপা ঘরে তুলেছে। কিলিয়ান এমবাপেও নির্বাচিত হয়েছেন সর্বোচ্চ গোলদাতা। তবে বেন ইয়েদেরের সঙ্গে গোল্ডেন বুটটা ভাগাভাগিই করতে চেয়েছিলেন তিনি। 

    ১. কিলিয়ান এমবাপে (পিএসজি)- ১৮ গোল

    ২. ভিসাম বেন ইয়েদের (মোনাকো) - ১৮ গোল

    ৩. মুসা ডেম্বেলে (লিওঁ) - ১৬ গোল

    ৪. নেইমার (পিএসজি) - ১৩ গোল

    ৫. ভিক্টর অসিমহেন (লিল) - ১৩ গোল

    ৬. হাবিব দিয়ালো (মেটজ) - ১২ গোল

    ৭. মাউরো ইকার্দি (পিএসজি) - ১২ গোল

    ৮. দারিও বেনেদেত্তো (মার্শেই) - ১১ গোল

    ৯. ক্যাস্পার ডলবার্গ (নিস) - ১১ গোল

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন