• ফুটবল, অন্যান্য
  • " />

     

    ৫৩ বছর বয়সেও খেলে যাচ্ছেন জাপানি ফুটবলার

    ফুটবলারদের ক্যারিয়ার ৩৫ বছর বয়সের পর খুব কমই এগোয়। বড় কোনও চোট সমস্যা থাকলে আরও আগেই সাঙ্গ হয় ক্যারিয়ার। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর মতো শারীরিক দক্ষতা হলে হয়ত ৪০ বছর? জিয়ান লুইজি বুফনের মতো অভিজ্ঞ গোলরক্ষক হলে হয়ত আরেকটু বেশি। কিন্তু তাইলে বলে পঞ্চাশোর্ধ? জাপানের কাজুয়োশি মিউরা আপনার ধারণা ভুল প্রমাণ করবেন। ৫৩ বছর বয়সেও দিব্যি পেশাদার ফুটবল খেলে যাচ্ছেন তিনি। যেন তেন লিগে নয়, শখের বশেও নয়। দেশটির প্রথম সারির দল ইয়োকোহামা এফসির হয়ে খেলেন তিনি। ক্লাবটির হয়ে গত বুধবার বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড় হিসেবে পেশাদার কাপ ম্যাচ খেলার রেকর্ড গড়েছেন মিউরা

    ১৯৬৭ সালে জাপানের শিজুকায় জন্মেছিলেন মিউরা। ১৯৮২ সাল থেকে পেশাদার ফুটবল খেলা শুরু করেন তিনি। ব্রাজিলিয়ান ক্লাব অ্যাটলেটিকো জুভেন্টাসের হয়ে প্রথম পেশাদার ফুটবল খেলেন ‘কিং কাজু’। এরপর সেখান থেকে ১৯৮৬ সালে সান্তোসে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি।


    ১৯৯০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত জাপান জাতীয় দলের হয়ে ৮৯ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন মিউরা, আর গোল করেছিলেন ৫৫ টি। গত জানুয়ারিতে ইয়োকোহামা এফসির সঙ্গে এক বছরের নতুন চুক্তি করেছিলেন তিনি। ৫৩ বছর বয়সে পেশাদার ফুটবলার হিসেবে এবার নিজের ৩৫ তম মৌসুমের খেলা শুরু করলেন মিউরা।

    বুধবার রাতে সাগান তসু-র বিপক্ষে কাপ ম্যাচে এক ঘণ্টা খেলেছিলেন তিনি। এরপর মাঠ থেকে উঠে যান তিনি। ৯১ মিনিটের গোলে তার দল ইয়োকোহামা শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি জিতে নিয়েছে। ৩৫ বছরের ক্যারিয়ারে বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে ৭৫৪ ম্যাচ খেলে ২২১ গোল করেছেন বর্ষীয়ান এই ফরোয়ার্ড। বিশ্বের পেশাদার লিগগুলোর মাঝে সবচেয়ে বয়স্ক ফুটবলার এবং সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করা ফুটবলারের রেকর্ডগুলোও এরই মধ্যে নিজের করে নিয়েছেন তিনি।

    খেলা চালিয়ে যাওয়াদের মাঝে বিশ্বে সবচেয়ে বয়স্ক ফুটবলার হলেও বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ফুটবলারের গিনেস রেকর্ডটি কিন্তু মিউরার নয়। ২০১৯ সালের এপ্রিলে ইসরায়েলি ক্লাব ইরনি ওর ইয়েহুদার হয়ে খেলা ৭৩ বছর বয়সী গোলরক্ষক ইসাক হায়িক গিনেসের রেকর্ড অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ফুটবলার।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন