• আইপিএল ২০২১
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    আইপিএল নিলামে রেকর্ড মরিসের, ঝড় জেমিসন-রিচার্ডসন-ম্যাক্সওয়েলের

    আইপিএল নিলামে নতুন ইতিহাস গড়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকান অলরাউন্ডার ক্রিস মরিস। রেকর্ড ১৬ কোটি ২৫ লাখ রূপিতে (প্রায় ১৯ কোটি টাকা) তাকে কিনেছে রাজস্থান রয়্যালস। এর আগে আইপিএল নিলামের সবচেয়ে দামি ক্রিকেটার ছিলেন ভারতের যুবরাজ সিং, ২০১৫ সালে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসে তিনি গিয়েছিলেন ১৬ কোটি রূপিতে (প্রায় ১৮ কোটি ৬৯ লাখ) টাকায়। 

    গত মৌসুমে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়ে খেলেছিলেন মরিস, তবে চোটের কারণে ৯ ম্যাচের বেশি খেলা হয়নি। 

    নিলামের টেবিলে ঝড় তুলেছেন কাইল জেমিসন, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, জাই রিচার্ডসনও। ১৫ কোটি রুপিতে (১৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা) জেমিসনকে নিয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর, আইপিএল নিলাম ইতিহাসের চতুর্থ সর্বোচ্চ দামি ক্রিকেটার হয়ে গেছেন নিউজিল্যান্ড পেসার। 

    ম্যাক্সওয়েল গত মৌসুমে ছিলেন কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবে, তবে একেবারেই সাদামাটা ছিল তার পারফরম্যান্স। ১৫.৪২ গড়ে এই অস্ট্রেলিয়ান করেছিলেন ১০৮ রান, ৫৬.৩৩ গড়ে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। এবার তার দাম উঠেছে ১৪ কোটি ২৫ লাখ রুপি। বিরাট কোহলি, এবি ডি ভিলিয়ার্সের সঙ্গে ব্যাঙ্গালোরে খেলবেন তিনি। জেমিসন ও ম্যাক্সওয়েল-- এ দুজনের পেছনেই ২৯ কোটি ২৫ লাখ রুপি খরচ করে ফেলেছে দলটি। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ান ড্যান ক্রিশ্চিয়ানকে তারা কিনেছে ৪ কোটি ৮০ লাখ রুপিতে।


    রিচার্ডসনকে ১৪ কোটি রুপিতে নিয়েছে পাঞ্জাব কিংস (কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব)। তবে এর চেয়েও চমক হয়ে এসেছে আন্তর্জাতিক অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা আরেক অস্ট্রেলিয়ান পেসার রাইলি মেরেডিথের দাম, পাঞ্জাব তাকেও নিয়েছে ৮ কোটি রুপিতে। অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা ভারতীয় ব্যাটসম্যান শাহরুখ খানকে তারা কিনেছে ৫ কোটি ২৫ লাখ রুপিতে। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ান পেসেয়ার মইসেস হেনরিকসকে তারা কিনেছে ৪ কোটি ২০ লাখ রুপিতে, টি-টোয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর ব্যাটসম্যান ইংল্যান্ডের ডাভিড মালানকে ১ কোটি ৫০ লাখ রুপিতে।

    চেন্নাই সবচেয়ে বেশি খরচ করেছে কৃষ্ণা গোওথামের পেছনে-- ৯ কোটি ২৫ লাখ রুপি। ইংল্যান্ড অলরাউন্ডার মইন আলি সেখানে গেছেন ৭ কোটি রুপিতে। ২০১৪ সালের পর আবারও আইপিএলে দল পাওয়া চেতেশ্বর পুজারা সেখানে গেছেন ৫০ লাখ রুপির বিনিময়ে। 

    দিল্লি সবচেয়ে ব্যয়বহুল ক্রয় ইংল্যান্ড অলরাউন্ডার টম কারান, ৫ কোটি ২৫ লাখ রুপিতে সেখানে গেছেন তিনি। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার স্টিভ স্মিথকে ২ কোটি ২০ লাখ, ইংল্যান্ডের স্যাম বিলিংসকে ২ কোটি, ভারতের উমেশ যাদবকে তারা কিনেছে ১ কোটিতে। 

    কলকাতা সবচেয়ে বেশি খরচ করেছে সাকিব আল হাসানকে কিনতেই, এরপর হারভাজান সিংকে তারা কিনেছে ভিত্তিমূল্য ২ কোটি রুপিতে। ৫ কোটি রুপিতে মুম্বাই ইন্ডিয়ানসে গেছেন অস্ট্রেলিয়ান পেসার ন্যাথান কোল্টার-নাইল, নিউজিল্যান্ড পেসার অ্যাডাম মিলনেকে তারা কিনেছে ৩ কোটি ২০ লাখ রুপিতে। এছাড়া লেগস্পিনার পিযুশ চাওলার দাম উঠেছে ২ কোটি ৪০ লাখ রুপি। ভারত কিংবদন্তী শচীন টেন্ডুলকারের ছেলে অর্জুন টেন্ডুলকারকেও নিলামে কিনেছে মুম্বাই, ২০ লাখ রুপিতে।

    মরিস ছাড়া রাজস্থান বেশি খরচ করেছে শিভাব দুবে, চেতান স্যাকারিয়া ও মোস্তাফিজুর রহমানকে কিনতে। ভারত ও বাংলাদেশের এ তিনজনের পেছনে তারা ব্যয় করেছে যথাক্রমে ৪ কোটি ৪০ লাখ, ১ কোটি ২০ লাখ ও ১ কোটি রুপি। হায়দরাবাদে ২ কোটি রুপিতে গেছেন কেদার যাদব, আফগান স্পিনার মুজিব উর রেহমানকে তারা কিনেছে ১ কোটি ৫০ লাখ রুপিতে। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন