• আইপিএল ২০২১
  • " />

     

    আইপিএল স্থগিতের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কী হবে?

    আইপিএল স্থগিতের পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কী হবে?    

    আইপিএল স্থগিত হয়ে যাওয়ার পর নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের ব্যাপারে। এ বছরের অক্টোবরের শেষদিক থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত ভারতে হওয়ার কথা আছে আইসিসি মেনস টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে ৮ দলের টুর্নামেন্টই যেখানে স্থগিত করতে হয়েছে বিসিসিআইকে, ১৬ দলের আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের ক্ষেত্রে সেটি হওয়ার কথা আরও কঠিন। আইপিএল স্থগিত হওয়ার আগেই বলা হয়েছিল, একদম বাজে পরিস্থিতিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিয়ে যেতে পারে বিসিসিআই। 

    মূলত আইপিএল আয়োজন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে একটা ‘ট্রায়াল’ও ছিল বিসিসিআইয়ের জন্য। আট দলের হোম-অ্যাওয়ে পদ্ধতি থেকে সরে এসে ক্যারাভান মডেলে গিয়েছিল তারা, যেখানে একই সঙ্গে দুটি ভেন্যুতে হবে খেলা, ভ্রমণ করতে হবে সবচেয়ে কম। চেন্নাই-মুম্বাইয়ে ঠিকঠাক হলেও সে দুই ভেন্যু থেকে আহমেদাবাদ-দিল্লিতে আসার পরই মূলত বায়ো-সিকিউর বলয়ে থাকা দলগুলিতে আক্রান্ত হয়েছেন ক্রিকেটার-সাপোর্ট স্টাফের সদস্যরা।

    গত বছর অস্ট্রেলিয়ায় হওয়ার কথা থাকলেও কোভিড-১৯ মহামারিতে স্থগিত হয়েছিল ছেলেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ২০২১ সালে আগে থেকেই হওয়ার কথা ছিল পরের আসর, সঙ্গে ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপও ভারতে হবে বলে অস্ট্রেলিয়ার স্থগিত হওয়া আসরটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে ২০২২ সালে। এ বছর ভারতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ফিরলেও কোভিড-১৯ এর সেকেন্ড ওয়েভ বদলে দিয়েছে দৃশ্যপট। 

    তবে এরই মাঝে আইসিসিকে নয়টি ভেন্যুর ব্যাপারে প্রস্তাব দিয়ে রেখেছিল বিসিসিআই। আইসিসির একটি প্রতিনিধি দলের ভারতের এসব ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণে সফরে আসার কথা থাকলেও আরব আমিরাত থেকে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকায় হয়নি শেষ পর্যন্ত। 

    এর আগে গত মাসে ভারতে সেকেন্ড ওয়েভ আঘাত করার পর আইসিসির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী জিওফ অ্যালারডাইস বলেছিলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনে ভারতের বিকল্প ভেবে রাখলেও সে মুহুর্তে কাজ শুরু করেননি তারা, “হ্যাঁ, আমাদের বিকল্প পরিকল্পনা আছে। তবে এই মুহুর্তে আমরা সেসব বাস্তবায়ন শুরু করিনি, কারণ নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারতে এটি আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়েই এগুচ্ছি আমরা। ইভেন্টের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিসিসিআইয়ের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি আমরা, তবে সময় এলে আমরা বিকল্প পরিকল্পনার দিকে এগুবো।” 

    আর এপ্রিলের শেষদিকে টুর্নামেন্টের ডিরেক্টর ধিরাজ মালহোত্রা বলেছিলেন, “এটি এগিয়ে নেওয়ার জন্য যথাসম্ভব সবকিছুই করছি আমি। আমাদের স্বাভাবিক প্রেক্ষাপট, কোভিড প্রেক্ষাপট, সবচেয়ে বাজে প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। আইসিসির সঙ্গে সব বিষয়েই কথা হচ্ছে।”

    শেষ পর্যন্ত আরব আমিরাতে করা হলেও সেটির আয়োজক হিসেবে থাকতে চায় বিসিসিআই। সেক্ষেত্রে টিকেটের লভ্যাংশ পাবে তারা। গত বছর আইপিএল সেখানেই আয়োজন করেছিল তারা।