• ইউরো
  • " />

     

    শাস্তি পেতে পারতেন রোনালদো!

    ২০১৪ সালের চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল। এই ম্যাচে নিষিদ্ধ থাকা রিয়াল মাদ্রিদের জাবি আলোনসো টাচলাইন ধরে দৌড়ে গিয়ে জড়িয়ে ধরলেন মাত্রই অতিরিক্ত সময়ে গোল করে ২-১ ব্যবধানে দলকে এগিয়ে দেয়া গ্যারেথ বেলকে। ফলাফল, এক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ আলোনসো।

     

     

    ২০১৬ সালের ইউরো ফাইনাল। আহত হয়ে মাঠ ছাড়লেন রোনালদো, তারপর দ্বিতীয়ার্ধের শেষদিক থেকে বাকি সময়টা মোটামুটি টাচলাইন ধরে দৌড়ে কোচের ভূমিকাই পালন করে গেলেন। পর্তুগালের সেনাপতি তাতে দুনিয়াজোড়া বাহবাও পেলেন। কিন্তু আইন বলে, তিনি যা করেছেন সেটা অন্যায়। ফলস্বরূপ, শাস্তি পাওয়ার কথা তিনিসহ তাঁর দলেরও। 

     

     

    সে রাতে মাঠ ছেড়ে বেড়িয়ে যাওয়ার পর থেকে কিছুক্ষণ পরপরই বেঞ্চ ছেড়ে উঠে আসছিলেন রোনালদো। সতীর্থদের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে দিকনির্দেশনা দেয়ার সময় কখনও কখনও ‘টেকনিক্যাল এরিয়া’র সীমাও অতিক্রম করে যাচ্ছিলেন। নির্ধারিত এলাকা থেকে বেরিয়ে গিয়ে রেফারির কাছে তাঁকে অভিযোগও করতে দেখা যায়। আইন ভঙ্গের ষোলোকলা পূর্ণ করে রোনালদো চোট পেয়ে শুশ্রূষা নিতে টাচলাইনে যাওয়া গুরেইরোকে ঠেলে মাঠে ঢুকিয়ে দেন, রেফারির অনুমতি ছাড়াই!

     

    উয়েফার ‘বাইলজ’ বলে, এসবের প্রত্যেকটিই বেআইনি কাজ। অথচ মাঠে যেমন রেফারিদের কেউ তাঁকে সতর্ক করেন নি, ম্যাচ শেষে কোনো বার্তা আসে নি কর্তৃপক্ষের তরফেও। উয়েফাকে খানিকটা নীরব ভূমিকা পালন করতেই দেখা গেলো এক্ষেত্রে। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন