• বিপিএল ২০১৯
  • " />

     

    • বিপিএল ২০১৯

    পরের বার কাউকে গেইল বা তামিম হতে দিতে চান না সাকিব

    পুরো বিপিএলে একবারও আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে আসেননি। শেষ পর্যন্ত এলেন পরাজিত দলের অধিনায়ক হিসেবে। প্রাপ্তির চেয়ে যেখানেই আক্ষেপ নিয়েই বেশি কথা বলতে হলো। এর মধ্যেই ঢাকা ডায়বনামাইটস অধিনায়ক সাকিব আল হাসান মজা করেই বললেন, পরের বার নিশ্চিত করতে চাইবেন কেউ যেন গেইল বা তামিম না হতে পারে।

    দানে দুই দান। গত বারের পর এবারও বলতে গেলে দুজনের কাছেই হেরে গেছে ঢাকা। গত বার পার্থক্য গড়ে দিয়েছিল গেইলের ১৪৬ রান। আর এবার তামিমের ১৪১ রানই দাঁড়াল ব্যবধান হয়ে। কী অদ্ভুত, টি-টোয়েন্টি ফাইনালে এই দুই ইনিংসই সর্বোচ্চ। আর দুবারই তার শিকার ঢাকা। সাকিব মলিন মুখেও রসিকতা করে বললেন, পরের বার এরকম কিছু তা আর চাইবেন না, ‘ফাইনালে এসে হেরে যাওয়া। অবশ্যই কষ্টকর। শেষ তিনটা ফাইনাল পর পর খেললাম। প্রথমটা জিতেছি, শেষের দুইটা হেরেছি। দু:খ আছে একদিক থেকে, আরেকদিক থেকে চিন্তা করলে এমন কারো ইনিংস থাকলে কিছুই করার থাকে না। গতবার গেইলের ১৪৬ , এবার তামিমের ১৪১। সো দুইটা  ইনিংসে আমরা দুইটা ফাইনাল হেরে গেছি। সো এরপর  চেষ্টা করতে হবে এমন ইনিংস যেন কেউ না খেলতে পারে’

    গত দুবারের সঙ্গে মিল এখানেই শেষ হচ্ছে না। দুবারই টসে জিতেছিলেন সাকিব, ফাইনালে এসে দুবারই বল নিয়েছিলেন। কিন্তু তাড়া করার চাপ দুবারই নিতে পারেনন। এই ভুল কি আবার করবেন? সাকিব অবশ্য এখনই অতশত ভাবতে চাইছেন না। তবে তাড়া করে যে জেতাও যায়, সেটি নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই মনে করিয়ে দিলেন, ‘পরবর্তী বছরে উইকেট কেমন থাকবে! আমি ফাইনালে যাবো  কিনা সেটাও একটা ব্যাপার। আমি অধিনায়ক থাকবো কিনা সেটাও একটা ব্যাপার। যেটা হয় কি আসলে, ফাইনালে আমি দেখেছি যে অনেক বড় বড় স্কোরও চেজ হয়। আইপিএলে দুটি ফাইনালে আমি বড় বড় স্কোর চেজ করেছি। সো আমার ওুই বিশ্বাসটা সব সময় ছিল। আমরা যে ধরনের দল, পুরো টুর্নোমেন্টে আমরা আমাদের সেরা ক্রিকেট খেলতে পারিনি। তারপরও আমরা ফাইনালে এসছি। আমার কাছে মনে হয়েছিল, ফাইনালের জন্য আমরা আমাদের সেরাটা রেখে দিয়েছি। শুরুটাও ওই ভাবেই হয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে শেষ করতে পারিনি।’

    সাকিবের নিজের জন্যও ফাইনালে হারটা একটা নিয়মিত একটা ব্যাপার হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ২০১৭ বিপিএল থেকে শুরু করে আইপিএল আর জাতীয় দল সহ টানা চারটি টুর্নামেন্টের ফাইনালে হারলেন। সাকিব অবশ্য ফাইনালে যাওয়াটা অর্জন বলেই ধরছেন, ‘চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে অর্জনটা বড় মনে হতো। ফাইনাল খেলতে পারাও একটা অর্জন। এমন টুর্নামেন্ট কিংবা সিরিজ  যখন হয়, শেষ পর্যন্ত যাওয়া অবশ্যই একটা বড় অর্জন। কারন ৭ টা দলের মাত্র দুটি দল ফাইনাল খেলতে পেরেছি। শেষ তিনটা এখানে খেললাম, আইপিলে তিনটা খেললাম, সিপিএলে খেলেছি।চেষ্টা থাকবে পরবর্তী সময়ে যে জায়গাগুলো উন্নতি দরকার সেগুলো উন্নতি করার। সামনে যেন ম্যাচ জিততে পারি।’