• বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
  • " />

     

    • বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব

    লাওসকে হারিয়ে স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ

    বিশ্বকাপ প্রাক বাছাই পর্বের প্রথম লেগে লাওসকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে যাওয়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল করেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় লেগে ঘরের মাঠে হার এড়ালেই ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের মূল পর্বে জায়গা করে নেবে জেমি ডের দল।

    ভিয়েনতিয়েনে ম্যাচের ৭২ মিনিটে রবিউল হাসানের  দুর্দান্ত এক গোলে জয় নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের। মিডফিল্ড থেকে জামাল ভূঁইয়ার লং বল ডিবক্সের ঠিক বাইরে ডান কোণায় রিসিভ করেছিলেন রবিউল। এরপর প্রায় ২২ গজ দূর থেকে ডান পায়ের বুলেট গতির শটে গোল করেই জার্সি খুলে ফেলেন বাংলাদেশ মিডফিল্ডার। বাংলাদেশের জয়ে বড় অবদান আছে গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানারও। বেশ কয়েকটি সেভ করতে হয়েছে তাকে। পরের লেগ এই মাসের ১১ তারিখ বঙ্গবন্ধু সেটডিয়ামে।

    ম্যাচে শুরুটা ভালো করলেও অবশ্য প্রথম দশ মিনিট পরই রং হারিয়েছিল বাংলাদেশ। লাওসের একের পর এক আক্রমণে একটা সময় কোনঠাসাও হয়ে গিয়েছিল তারা। প্রথমার্ধে লাওসের কাজটা আরও সহজ করেছিল রেখেছিল বাংলাদেশের ফুটবলাররাই। ভুল-ভাল পাসে নিজেদের ভেতর সমন্বয়টাই খুঁজে পাচ্ছিল না তারা। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য অবস্থান পরিবর্তন হয়। তবে কারমণে সেই পুরনো টোটকাই ছিল বাংলাদেশের প্রধান অস্ত্র। লং থ্রো আর কর্নার থেকে বেশ কয়েকবার গোলের সম্ভাবনা জাগিয়েছিলেন জীবন, আরিফরা। শেষে রবিউলের দারুণ স্ট্রাইকে ভাগ্য ফেরে বাংলাদেশের। গোল হজমের পরও অবশ্য চোখ রাঙিয়ে গেছে লাওস। তবে রক্ষণে এরপর আর বড়সড় ভুল করেনি বাংলাদেশ। মাথা ঠান্ডা রেখে দারুণ এক জয়ে তাই পরের রাউন্ডের স্বপ্ন এখন দেখতে পারে তারা। 

    আরামবাগ মিডফিল্ডার রবিউল বাংলাদেশের হয়ে শেষ প্রীতি ম্যাচেও গোল করেছিলেন কম্বোডিয়ার বিপক্ষে। এবারও করলেইন একই কাজ। ৫৫ মিনিটে আরিফুর রহমানের বদলি হয়ে মাঠে নেমেছিলেন তিনি। 




    ফিফা র‍্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে চার ধাপ এগিয়ে ছিল লাওস। গত বছর শেষ দুই প্রীতি ম্যাচেও বাংলাদেশকে হারাতে পারেনি তারা। এক ম্যাচে জিতেছিল বাংলাদেশ, আরেকটি হয়েছিল ড্র। এশিয়ার বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের (৩৫-৪৬ ) র‍্যাংকিং এ থাকা দলগুলোকে  খেলতে হচ্ছে প্রাক বাছাইপর্ব। দ্বিতীয় লেগে লাওসের বিপক্ষে হার এড়ালে বাংলাদেশ চলে যাবে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের দ্বিতীয় রাউন্ডে। ৮ গ্রুপে ৫ টি করে মোট ৪০ দল নিয়ে শুরু হবে দ্বিতীয় রাউন্ড। তাতে আগামী তিন বছর বেশ কিছু ম্যাচ খেলার সুযোগও বাড়বে বাংলাদেশের। আর প্রাক বাছাই পর্ব থেকে বাদ যাওয়া দলগুলোর আগামী তিন বছরের ম্যাচের কোনো নিশ্চয়তা নেই, তাই পরের লেগটাও বাংলাদেশের জন্য অগ্নি পরীক্ষাই।  

    বাংলাদেশ একাদশ
    আশরাফুল ইসলাম রানা, বিশ্বনাথ ঘোষ, ইয়াসিন খান, টুটুল হোসেন বাদশা, রহমত মিয়া, মাশুক হোসেন জনি, জামাল ভূঁইয়া, বিপলু আহমেদ, মতিন মিয়া (তৌহিদুল আলম সবুজ, ৬৬'), আরিফুর রহমান (রবিউল হাসান, ৫৫'), নাবিব নেওয়াজ জীবন (মামুনুল ইসলাম,  ৮৫')