• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    শেলভির গোলে সেন্ট জেমসে হোঁচট খেল সিটি

    ফুলটাইম
    নিউক্যাসেল ২-২ ম্যানসিটি 


    জনজো শেলভির লিভারপুলে সময়টা খুব ভালো কাটেনি। তবে পুরনো ক্লাবের প্রতি টানটা বোধ হয় ভালোমতোই আছে। নইলে নিউক্যাসলে ঘরের মাঠে প্রথম গোলটা এমন মুহূর্তেই কেন আসবে? শেলভির দুর্দান্ত গোলে ডি ব্রুইনের গোলার জবাব দিল নিউক্যাসল, দুই বার পিছিয়ে পড়েও সেন্ট জেমস পার্কে ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে ড্র করল ২-২ গোলে। আখেরে লাভ হয়েছে লিভারপুলেরই , প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে থেকে সিটির সঙ্গে ব্যবধান বেড়েছে আরও। আর পর পর দুই ম্যাচে পয়েন্ট হারিয়ে বড় একটা ধাক্কা খেল গার্দিওলার দলের শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন।


    আগুয়েরো ছিলেন না, তাঁ অভাবটা আজ ভালোই টের পেয়েছে সিটি। গ্যারবিয়েল জেসুস নেমেছিলেন, কিন্তু গোটাকয়েক সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি। প্রথম গোলটা পাওয়ার জন্য ২২ মিনিত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে সিটিকে। ডেভিড সিলভা সঙ্গে ওয়ান টু খেলতে খেলতে বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন রাহিম স্টার্লিং। বক্সের মাথা থেকে শট করে বল জড়িয়ে দিয়েছেন জালে। তিন মিনিট পরেই অবশ্য সমতা ফে্রায় নিউক্যাসল। এবারও দারুণ কিছু পাসের পর বক্সের ভেতর ফাঁকায় বল পেয়ে গিয়েছিলেন জেট্রো উইলিয়ামস। সিটির কেউ চার্জ করার আগেই ডান পায়ের শটে বল জড়িয়ে দিয়েছেন জালে। প্রথমার্ধে এরপর চেষ্টা করেও আর গোল করতে পারেনি সিটি।

    দ্বিতীয়ার্ধে সিটি আরও তেঁড়েফুঁড়ে খেলতে থাকে। জেসুস সুযোগ কাজে না লাগাতে পারলে এগিয়ে যেতে পারত শুরুতে। এবাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন নিউক্যাসল গোলকিপার দুব্রাভকাও, দারুণ কিছু সেভ করেছেন। ওদিকে মরিয়া গার্দিওলা মাহরেজ আর জেসুসকে উঠিয়ে নামান বার্নান্দো সিলভা আর রদ্রিকে। শেষ পর্যন্ত ৮১ মিনিটে যে গোলটা সিটি পায়, সেটির পুরো কৃতিত্ব ডি ব্রুইনের। বক্সের বাইরে বল পেয়েহচিলেন, বুক পেয়ে রিসিভ করে ভলি করার সুযোগ পেয়ে যান। গোলার মতো করা ভলি পোস্টের ওপরে গেলে ঢুকে যায় ভেতরে। ধারাভাষ্যকারের ভাষায় যেটি ‘টেকনিক্যাল সেনসেশন’।

    কিন্তু এবারও গোল শোধ করতে সময় নিল না নিউক্যাসল। ফ্রিকিকটা পেয়েছিল ডান প্রান্তে। ক্রিশ্চিয়ান আতসু বক্সে না ফেলে সেটি দিয়েছিলেন মাথায় দাঁড়িয়ে থাকা জনজো শেলভিকে। বাঁক খাওয়ানো দারুণ শট ঠেকাতে পারেননি এডারসন, বল জড়িয়ে গেছে জালে। এরপরও আক্রমণ করেছে সিটি, স্টার্লিংকে ঠেকিয়ে দিয়েছেন দুব্রাভকা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কাজের কাজ্জ আর হয়নি, ডড় নিয়েই ফিরতে হয়েছে সিটিকে। এই ড্রয়ের পর ১৪ ম্যাচে সিটির পয়েন্ট হলো ২৯। লেস্টার এই সপ্তাহে এভারটনের সঙ্গে হার এড়ালেই তাদের টপকে উঠে যাবে দুইয়ে। আর লিভারপুল জিতলে সিটির সঙ্গে পয়েন্টের ব্যবধান হবে ১১। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন