• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    পাগুলে সেই দৌড়ের পর ভিএআরের ওপর মরিনহোর ক্ষোভ

    হোসে মরিনহোকে আপনি ঘৃণা করতে পারেন, ভালোবাসতেও পারেন, কিন্তু উপেক্ষা করতে পারবেন না। কেন তিনি ফুটবলের সবচেয়ে বর্ণময় চরিত্রদের একজন, সেটি কাল আরেকবার জেনেছেন নিশ্চয়ই। মরিনহোর ওভাবে দৌড়ে যাওয়ার ঘটনাটা তো এর মধ্যেই ভাইরাল হয়ে গেছে ফেসবক-টুইটারে!

    ঘটনার শুরু কাল টটেনহাম- ম্যান সিটি ম্যাচের প্রথমার্ধের শেষের দিকে। ভিএআরের বদৌলতে পেনাল্টি পেয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটি। গোল করার সুযোগ মিস করলেন গুন্দোয়ান। রিবাউন্ডে বক্সের ভেতর লরিসের সঙ্গে সংঘর্ষে মাটিতে পরে গেলেন স্টার্লিং, মাঠের রেফারির সঙ্গে একাত্ম হয়ে ভিএআরও পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিল “নো ফাউল”। যার মানে দ্বিতীয়বার আর পেনাল্টি পাচ্ছে না সিটি। ঠিক তখনই টটেনহাম ডাগআউটে সহকারী কোচ মরিনহোকে মনে করিয়ে দিলেন, বক্সের ভেতর ডাইভের জন্য স্টার্লিংকে হলুদ কার্ড দেখাননি। আর সেই মুহূর্তেই মরিনহোর সেই ট্রেডমার্ক দৌড়!

    দিনটাও ভালো কেটেছে মরিনহোর। টটেনহামের ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর এই প্রথম “বিগ সিক্স”-এর একটি দলের বিপক্ষে জয় পেলেন মরিনহো। ম্যানচেস্টার সিটিকে ঘরের মাঠে ২-০ গোলে হারিয়ে টপ ফোরের দৌড়ে টিকে রইল টটেনহাম। কিন্তু এমন একটা জয় পেয়েও রেফারি এবং ভিএআরের বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্তের কারণে ঠিক সন্তুষ্ট নন মরিনহো।

    ম্যাচের ১২ মিনিটে টটেনহামের ডেলে আলিকে খুব বাজে একটা ট্যাকল করেছিলেন সিটির রহিম স্টার্লিং। স্টেডিয়াম ভর্তি টটেনহাম সমর্থকরা নিশ্চিত ছিলেন, রেফারি মাইক ডিন স্টার্লিংকে লাল কার্ডই দেখাবেন। কিন্তু রেফারি দেখালেন হলুদ কার্ড, ভিএআরও রেফারির সিদ্ধান্তকে সমর্থন করল। ম্যাচ শেষে মরিনহো স্পষ্ট বলে দিলেন, “ওটা লাল কার্ড ছিল।” তবে ম্যাচের গতি-প্রকৃতি বিবেচনা করে নেয়া রেফারির সিদ্ধান্তটির যৌক্তিকতাটা বুঝতে পেরেছেন তিনি।

    ম্যাচে রেফারি মাইক ডিনের পারফরমেন্সের প্রশংসা করেছেন মরিনহো, কিন্তু ভিএআর নিয়ে যে মোটেও খুশি নন তিনি সেটাও বলে দিলেন, “আমি বলব, মাইক ডিনের পারফরমেন্স ভালো ছিল। সমস্যাটা হচ্ছে ভিএআর। গোল লাইন প্রযুক্তি আমি যতটা পছন্দ করি, ভিএআরকেও ততটাই পছন্দ হবে ভেবেছিলাম, কিন্তু আদতে তা হচ্ছে না।“

    এত কিছুর পরেও পুরনো প্রতিদ্বন্দ্বী গার্দিওলাকে ষষ্ঠবারের মতো হারানোটা অন্য রকম একটা তৃপ্তি দিচ্ছে মরিনহোকে “এ ধরনের কঠিন ম্যাচ থেকে ৩ পয়েন্ট পাওয়া দারুণ ব্যাপার। পেপ-এর সাথে আমার সম্পর্ক বেশ ভালো, যা হয়ত আপনারা বুঝতে পারেন না। আমরা ৩ বছর একসঙ্গে কাজ করেছি (বার্সেলোনায় অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে)।’