• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    করোনা বদলে দিয়েছে জিরুর সিদ্ধান্ত

    গত জানুয়ারির দলবদলে চেলসি প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন প্রায় ফ্রেঞ্চ ফরোয়ার্ড অলিভিয়ের জিরু। তবে শেষ মুহূর্তে চেলসি তার বদলে তেমন কাউকে খুঁজে না পাওয়ায় সিদ্ধান্ত বদলে চেলসিতেই থেকে গিয়েছিলেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছিল, এই মৌসুম শেষে আর চেলসির জার্সিতে দেখা যাবে না তাকে। কিন্তু গত এপ্রিলে সবাইকে অবাক করে চেলসির সঙ্গে আরও এক বছর চুক্তির মেয়াদ বাড়াতে সম্মত হয়েছিলেন তিনি। জিরু জানিয়েছেন করোনাভাইরাস তার সিদ্ধান্ত বদলে দিতে সাহায্য করেছে।

    ক্লাব ওয়েবসাইটের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বিষয়টি খোলাসা করেন জিরু, “আমি শুধু সুযোগটি লুফে নিয়েছি। ম্যানেজারের বিশ্বাসের প্রতিদান দেওয়ার চেষ্টা করেছি। আর সেজন্যই ক্লাব আমাকে এখানে খেলা চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে, আমিও সেটা দ্রুতই গ্রহণ করেছি। কারণ আমার এখানে খেলতে ভালো লাগে। আমি এখানে আরও ট্রফি জিততে চাই এবং ম্যানেজারের আস্থার পাত্র হয়ে উঠতে চাই।”


    “আর করোনাভাইরাসের কারণে বর্তমান লকডাউনের মাঝে আমার পরিবারকে অন্য কোথাও স্থানান্তরের বিষয়টি আমার কাছে খুব একটা ভালো পদক্ষেপ হবে বলে মনে হয়নি। আমরা এখানে বেশ ভালো আছি, জীবনযাত্রার মানও এখানে অনেক উন্নত। আমি আমার পরিবারকে নিয়ে ভেবেই সব সিদ্ধান্ত নিই।”

    ২০১২ সালে ফ্রেঞ্চ ক্লাব মপেঁলিয়ে থেকে আর্সেনালে আসার পর থেকেই পরিবারসহ লন্ডনে বাস করছেন জিরু। জানুয়ারির দলবদলে ইন্টার মিলান এবং টটেনহাম জিরুকে দলে টানার চেষ্টা করেছিল। জিরু নিজেও ক্লাব ছাড়তে চেয়েছিলেন বলে জানিয়েছিলেন অন্য এক সাক্ষাৎকারে। কিন্তু গুঞ্জন বলছে চেলসি নিজেদের টার্গেট দ্রিস মার্টেনস এবং এডিনসন কাভানির কাউকে দলে আনতে না পারায় শেষ পর্যন্ত জিরুকেই ধরে রাখতে চেষ্টা করে।

    “জানুয়ারিতে ক্লাব ছাড়ার কথা ছিল। কারণ আমি খেলার সুযোগ পাচ্ছিলাম না, আর ২০২০ ইউরোর স্কোয়াডে সুযোগ পাওয়ার জন্য আমার খেলাটা জরুরী ছিল। আমি ক্লাব প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলাম, তবে হয়ত ঈশ্বর চেয়েছেন আমি যেন চেলসিতেই থাকি। কোচ আমাকে তখন কোনও রাখঢাক না করে বলেছিলেন যে তিনি আমাকে যেতে দিতে পারছেন না, কারণ আমার বদলি হিসেবে ক্লাব কাউকে আনতে পারেনি। তখন তিনি ব্যক্তিগতভাবে আমার সাথে কথা বলেছিলেন, আর আমাকে আরও বেশি গেমটাইম দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।”