• " />

     

    লর্ডসের অনার্স বোর্ড নিয়ে পন্টিংকে হালকা খোঁচা দিয়েছিলেন আগারকার

    ক্রিকেটের মক্কা লর্ডস। সেখানে সেঞ্চুরি সব ব্যাটসম্যানেরই স্বপ্ন, আর সব বোলারের স্বপ্ন অন্তত ৫ উইকেট নেওয়া। কারণ সেটা করতে পারলেই যে লর্ডসের অনার্স বোর্ডে নাম উঠে! অথচ ক্রিকেট ইতিহাসেরই অনেক মহারথীর লর্ডসে সেঞ্চুরি নেই। সেই তালিকায় শচীন টেন্ডুলকারের নাম যেমন আছে, রিকি পন্টিংও আছেন। তার চেয়েও অবিশ্বাস্য, সেই লর্ডসেই অজিত আগারকারের সেঞ্চুরি আছে ব্যাট হাতে। সাবেক এই ভারতের বোলার সেটার জন্য একবার হালকা খোঁচাও দিয়েছিলেন পন্টিংকে।

    আগারকার বলেই কীর্তিটা আরও অভিনব। টানা পাঁচ ইনিংসে শুন্য করার অনন্য কীর্তি ছিল এই ফাস্ট বোলারের। সেই আগারকারই ২০০২ সালে লর্ডসে নেমে সেঞ্চুরি করে ফেলেছিলেন। যদিও ম্যাচটা শেষ পর্যন্ত হেরেছিল ভারত। তবে আগারকারের নাম ঠিকই উঠেছিল অনার্স বোর্ডে। অথচ লর্ডসে সেঞ্চুরি নেই শুধু টেন্ডুলকার-পন্টিং নন, লারা-ক্যালিসের মতো গ্রেটদেরও নাম নেই লর্ডসের অনার্স বোর্ডে।

    সম্প্রতি একটা ইউটিউব শোতে আগারকারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, টেন্ডুলকারের সাথে এই অনার্স বোর্ডে নাম থাকা নিয়ে কখনো কথা হয়েছে কি না তার। আগারকার সবিনয়ে বলেছেন, এত বড় ঔদ্ধত্য তার কখনো হয়নি। মজা করেও এটা নিয়ে কথা বলেননি। তবে পন্টিংয়ের সাথে তা নিয়ে মজা করেছিলেন একবার। কেকেআরে খেলার সময় আগারকারের সতীর্থ ছিলেন সাবেক অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক। সেবার মজা করে বলেছিলেন, ‘লর্ডসে তোমার কয়টি সেঞ্চুরি আছে?’ যদিও আগারকার পরেই বলেছেন, ওই একটা সেঞ্চুরির বিনিময়ে টেন্ডুলকার-পন্টিংয়ের কীর্তিটা অনায়াসেই তিনি পেতে রাজি। যা করেছেন সেটা নিয়ে গর্বিত, কিন্তু টেন্ডুলকার-পন্টিংয়ের সঙ্গে এ নিয়ে কথা বলাটা তার কাছে স্রেফ ঔদ্ধত্য।

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন