• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    উলভসকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ নিশ্চিত করল চেলসি

    ফুল টাইম

    চেলসি ২ - ০ উলভস


    চ্যাম্পিয়নস লিগ নিশ্চিত করতে উলভসের বিপক্ষে হার এড়ালেই চলত চেলসির। তবে ফ্রাঙ্ক ল্যাম্পার্ডের দল সেই কাজ সারল দাপটের সঙ্গে। এলোমেলো শুরুর পরও প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ম্যাসন মাউন্ট এবং অলিভিয়ের জিরুর দুই গোলে উলভসকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয় চেলসি। আর শেষ পর্যন্ত ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সমান ৬৬ পয়েন্ট থাকলেও গোল ব্যবধানে পিছিয়ে চতুর্থ স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করেছে তারা।

    গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দলের মূল গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগাকে বসিয়ে দিয়ে ম্যাচ শুরুর আগেই সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন ল্যাম্পার্ড। তার জায়গায় আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক উইলি কাবায়েরোকে সুযোগ দিয়েছিলেন প্রথম একাদশে। পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে অবশ্য কেপার বাদ পড়াটা খুব বেশি অবাক করবে না আপনাকে। চলতি মৌসুমে চেলসির গোল বরাবর থাকা শটগুলোর ৪৬ ভাগই জালে প্রবেশ করেছে, যা প্রিমিয়ার লিগে সর্বোচ্চ। আর তাই গোলমুখে নড়বড়ে কেপাকে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে বাদ দিতে হয়ত খুব একটা ভাবতে হয়নি ল্যাম্পার্ডকে।

    স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে ম্যাচের শুরু থেকেই এলোমেলো খেলেছে দুই দল। চোখের শান্তি, কৌশলের ছাপ কোনও কিছুই লক্ষ্য করা যায়নি চেলসি বা উলভসের খেলায়। ফাইনাল থার্ডে গিয়ে ভুল পাসের ছড়াছড়িতে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে চেলসির প্রথম গোলের আগে দুই দলের কেউই কোনও শট লক্ষ্যে রাখতে পারেনি।

    তবে ঐ প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটেই বদলে যায় সব হিসাব-নিকাশ। বক্সের ঠিক বাইরে গোলপোস্ট বরাবর ফাউলের শিকার হন মার্কোস আলোনসো। আর ২২ গজ দূর থেকে ডান পায়ের বাঁকানো শটে দারুণ দর্শনীয় এক গোল করে চেলসিকে ম্যাচে এগিয়ে দেন তরুণ তুর্কি মাউন্ট। খোদ ম্যানেজার ল্যাম্পার্ডের পর চেলসির ইতিহাসে মাত্র দ্বিতীয় ইংলিশ খেলোয়াড় হিসেবে প্রিমিয়ার লিগে সরাসরি ফ্রি কিক থেকে গোল পেলেন তিনি।


    এরপরই যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে ঝড়ের বেগে চেলসির আরেকটি আক্রমণ, আরেকটি গোল। আবারও গোলের মূলে সেই মাউন্ট। তার অসাধারণ থ্রু পাস ধরে গোলরক্ষককে কাটিয়ে গোলে শট নিতে যাচ্ছিলেন জিরু, তখনই উলভস ডিফেন্ডার কনর কোডি ফাঁকা গোলের সামনে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন জিরুর জন্য। তবে দারুণভাবে কোডিকে একপাশে সরিয়ে বাঁ পায়ের ডাইভিং ফিনিশে চেলসিকে ২-০ গোলে এগিয়ে দেন এই ফ্রেঞ্চ ফরোয়ার্ড। ৪৫ মিনিট ধরে ছন্নছাড়া খেলা চললেও যোগ করা সময়ে আক্ষরিক অর্থেই ম্যাচের খোলনলচে বদলে যায়।


    দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বুঝে নেয় চেলসি। উলভস গোলে শোধের চেষ্টা করেছে অনেক, চেলসিও চেষ্টা করেছে ব্যবধান বাড়ানোর। তবে এই অর্ধে কোনও দলই আর গোলমুখ খুঁজে পায়নি। চেলসির কাজের কাজ প্রথমার্ধের যোগ করা সময়েই হয়ে গেছে।

    আর অন্য ম্যাচে ক্রিস্টাল প্যালেসের মাঠে টটেনহাম ড্র করেছে, পয়েন্ট সমান হলেও গোল ব্যবধানে স্পার্স এগিয়ে থাকায় উলভসকে টেবিলের সপ্তম স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করতে হল।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন