• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    ম্যান সিটির ২১ ম্যাচের জয়যাত্রা থামাল ইউনাইটেড

    ম্যান সিটির ২১ ম্যাচের জয়যাত্রা থামাল ইউনাইটেড    

    ২১ ম্যাচ টানা জিতে উড়ছিল ম্যান সিটি। প্রায় অবিশ্বাস্য শোনাবে, গত বছরের ডিসেম্বরের পর আর কোনো ড্র করেনি গার্দিওলার দল। আর উলোটদিকে এই মৌসুমে ট্র্যাডিশনাল বড় কোনো দলের সঙ্গে জয় ছিল না ম্যান ইউনাইটেডের। তার ওপর ম্যাচটা ইতিহাদে, সবকিছুই ছিল ওলে গানার সোলশারের বিপক্ষে। কিন্তু সব সমীকরণ উলটে দিয়ে ইতিহাদে এসে সিটিকে ২-০ গোলে হারিয়ে গেল ইউনাইটেড।ব্রুনো ফার্নান্দেজ ও লুক শর গোলে উঠে গেল পয়েন্ট তালিকার দুইয়ে। ১৬ বছর আগে আর্সেনালের অপরাজেয় যাত্রা থামিয়েছিল ইউনাইটেড, এবার থামাল সিটিকে।

    ম্যাচের দুই মিনিটের মধ্যেই এগিয়ে গেছে ইউনাইটেড। বক্সের ভেতর গ্যাব্রুয়েল জেসুস ফেলে দিয়েছেন অ্যান্থনি মার্শিয়ালকে, পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছেন রেফারি। ব্রুনো ফার্নান্দেজের স্পটকিক হাত লাগিয়েও ঠেকাতে পারেননি এডারসন, এগিয়ে গেছে ইউনাইটেড। পিছিয়ে পড়া কাকে বলে, সেটাই এই মৌসুমে খুব কম টের পেয়েছে সুটি। শুরুতে গোল খাওয়ার পর ধাতস্থ হতে অনেক সময় লেগেছে তাদের, সেভাবে আক্রমণও করতে পারছিল না। ইউনাইটেড বরং ভীতি ছড়াচ্ছিল বেশি। 

    ৫০ মিনিটে ইউনাইটেড আবার ব্যবধান বাড়ায়। ডিন হেন্ডারসনের দারুণ থ্রো ইনটা খুঁজে নেয় ফাঁকায় থাকা লুক শ, দারুণ এক দৌড়ে ইউনাইটেড লেফটব্যাক ঢুকে পড়েন বিপক্ষ বক্সে। সেখান থেকে রাশফোর্ডের সাথে ওয়ান টুর পর মাপা শটে বল জড়িয়ে দেন জালে। দেখালেন কেন তিনি এই মৌসুমে ইপিএলের সেরা লেফটব্যাক। 

    এরপরেই তিন গোলে এগিয়ে যেতে পারত ইউনাইটেড। ম্যাকটমিনের কাছ থেকে ফাঁকায় বল পেয়েছিলেন মার্শিয়াল, সামনে কেবল এডারসন। কিন্তু অবিশ্বাস্যভাবে বলটা দূরের পোস্টে না মেরে এডারসনের দিকে মেরে দেন মার্শিয়াল, ইউনাইটেড মিস করে তৃতীয় গোল। এরপরেই অবশ্য জেগে ওঠে সিটি, মাঠে নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই বক্সের ভেতর বাঁ পায়ের শটে একটুর জন্য গোল পাননি ফোডেন। এর খানিক পর ওয়াকারের ক্রসটা লিন্ডেলফের পায়ে লেগে যাওয়ায় একটুর জন্য পা লাগাতে পারেননি স্টার্লিং। শেষ দিকে চেষ্টা করেও আর গোল করতে পারেনি সিটি। 

    এই জয়ে ৫৪ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে উঠে এলো ইউনাইটেড। ৬৫ পয়েন্ট সিটি এখনো সবার ওপরে, এবং ধরাছোঁয়ার কিছুটা বাইরেই। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন