• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    ইপিএলের হতাশা ভুলে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ আটে লিভারপুল

    ইপিএলের হতাশা ভুলে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ আটে লিভারপুল    

    সম্নয়টা একদমই ভালো কাটছিল না লিভারপুলের। যে অ্যানফিল্ডে তারা ছিল অপ্রতিরোধ্য, সেই অ্যানফিলদে হারতে হয়েছে টানা ছয় ম্যাচে। অবশেষে সেই দুঃস্বপ্ন থেকে মুক্তির একটু সুযোগ করে দিল চ্যাম্পিয়নস লিগ। বুদাপেস্টে লাইপজিগের সাথে জয়ে অর্ধেক কাজ আগেই সেরে রেখেছিল লিভারপুল, কাল ২-০ গোলের জয়ে বাকিটাও সারল। এই মৌসুমে কিছু একটা পাওয়ার আশা এখনো বাঁচিয়ে রাখল ইয়ুর্গেন ক্লপের দল।

    লিভারপুলের জয়টা কাল অনায়াসেই আরও বড় ব্যবধানে হতে পারত। অনেক দিন পর কাল ফাবিনিও ফিরেছিলেন মিডফিল্ডে। এই ব্রাজিলিয়ানকে সেন্টারে কতটা মিস করছিল, সেটা বোঝা গেল কাল। এই মৌসুমে বলতে গেলে বেশির ভাগ সময় ডিফেন্সেই খেলতে হয়েছে তাকে, আবার বেশ কিছু সময় চোটের জন্য থাকতে হয়েছে বাইরে। কালও রক্ষণে নতুনদেরই খেলাতে হয়েছে ক্লপকে, তবে লাইপজিগ তাদের খুব বড় পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি।

    প্রথমার্ধেই অন্তত দুই গোল করতে পারত লিভারপুল। ফাঁকায় বল পেয়ে সামনে একা কিপারকে পেয়েও গোল করতে পারেননি সালাহ, মানেও সহজ একটা সুযোগ নষ্ট করেছেন। একাদশে ফিরে সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারেননি ডিয়োগো জটা। কৃতিত্ব আছে লাইপজিগ গোলরক্ষক পিটার গুলাশিরও, কাজে লাগাতে পারেননি সহজ কিছু সুযোগ।

    তবে দ্বিতীয়ার্ধে পথ খুঁজে পায় লিভারপুল। সালাহ ইনসাইড কাট করে প্রথমে এগিয়ে নিয়েছেন। এরপর অরিগির দারুণ ক্রস থেকে ব্যবধান বাড়িয়েছেন মানে। মধ্যে লাইপজিগ একবার পোস্টে লাগালেও খুব বড় আর কোনো সুযোগ তারা পায়নি।

    এই জয়ের পর ক্লপের অধীনে ১৩টি দুই লেগের নকআউটের ১২টিতেই জিতল লিভারপুল (কোয়ালিফায়ারসহ)। জার্মান ক্লাবের সঙ্গেও তারা সর্বশেষ ১২ ম্যাচে অপরাজিত। শেষ আটে লিভারপুলের প্রতিপক্ষ কারা, জানা যাবে ১৯ মার্চ।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন