• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    চার দিনের জন্য ফেসবুক-টুইটারে নীরব থাকবে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো

    চার দিনের জন্য ফেসবুক-টুইটারে নীরব থাকবে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাবগুলো    

    ম্যাচের দিন একাদশ, স্কোরলাইন বা একটু পর পর কোনো পোস্ট- প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ মানে ক্লাবগুলোর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সরগরম। ফেসবুক-টুইটারে এখন বেশ সক্রিয় সব ইংলিশ ক্লাবই। কিন্তু সামনের সপ্তাহে কোনো ব্যস্ততা থাকবে না সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্লাবগুলোর। বর্ণবাদী মন্তব্যের প্রতিবাদে চার দিনের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে প্রিমিয়ার লিগের সব ক্লাব। সামনের শুক্রবার থেকে শুরু করে এই বর্জন চলবে এর পরের সোমবার পর্যন্ত।

    বর্ণবাদী ঘটনা ইদানীং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেড়েই যাচ্ছে। প্রতিটা ক্লাবের ম্যাচ শেষেই কোনো না কোনো ঘটনা ঘটে এমন। কোনো না কোনো খেলোয়াড়কে বর্ণবাদী গালী বা মন্তব্য শুনতে হয়। কয়েক দিন আগে সোয়ানসি এক সপ্তাহের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিল। বার্মিংহাম ও স্কটিশ ক্লাব রেঞ্জার্সও হেঁটেছে একই কথা। গত মার্চে থিঁয়েরি অঁরি বর্ণবাদের প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে বিরতি নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। 

    কিন্তু এসবের পরেও বর্ণবাদ কমেনি। ম্যান ইউনাইটেডের মার্কাস রাশফোর্ড বা লিভারপুলের ট্রেন্ট আলেকজান্ডার আরনল্ড, সাদিও মানে থেকে শুরু করে ম্যান সিটির রাহিম স্টার্লিংসহ সব অশ্বেতাঙ্গ খেলোয়াড়দের কমবেশি এই বর্ণবাদী মন্তব্য শুনতে হয়েছে। যার প্রেক্ষিতেই এবার এই সামাজিক মাধ্যম বয়কটের ঘোষণা এসেছে। শুধু প্রিমিয়ার লিগ নয়, মেয়েদের সুপার লিগ ও প্রথম ডিভিশন লিগও এই বয়কটের অন্তর্ভুক্ত।

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন