• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    অ্যানফিল্ডে লিভারপুলকে ঠেকিয়ে দিল দশ জনের চেলসি

    অ্যানফিল্ডে লিভারপুলকে ঠেকিয়ে দিল দশ জনের চেলসি    

    দর্শকঠাসা অ্যানফিল্ড। উত্তেজনায় ভরা প্রথমার্ধ। এর মধ্যে লাল কার্ডকে ঘিরে আরও উত্তেজনা। সেই লাল কার্ড থেকে আবার পেনাল্টি, লিভারপুলের লাইফলাইন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চেলসির দাঁতে দাঁত কামড়ে লড়ে যাওয়া, লিভারপুলের হতাশা। অ্যানফিল্ডে আরেকটি রোমাঞ্চকর দিনে ১-১ গোলে ড্র হলো চেলসি-লিভারপুল ম্যাচ। তিন ম্যাচ শেষে দুই দলেরই তাই পয়েন্ট থাকল ৭। 

    ম্যাচের ২২ মিনিটেই প্রথম গোল পেয়ে যায় চেলসি। রিস জেমসের কর্নার থেকে দারুণ এক হেড করলেন কাই হ্যাভার্টজ। অ্যালিসনকে ফাঁকি দিয়ে সেটি জড়িয়ে যায় জালে। শুরুর দিকে চেলসিই বেশি ধারালো মনে হচ্ছিল, পরে যদিও লিভারপুলও আক্রমণ করতে থাকে। 

    তবে ম্যাচের সবচেয়ে বড় ঘটনা ঘটে প্রথমার্ধের একদম শেষ মুহূর্তে। একটা কর্নার থেকে লিভারপুলের চেষ্টা বারে লেগে ফিরে আসে, জটলার মধ্যে বল পেয়ে গোল করেই ফেলেছিলেন মানে। কিন্তু সেটা গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন জেমস। লিভারপুলের খেলোয়াড়েরা পেনাল্টির আবেদন করেন। রিপ্লেতে দেখা যায়, জেমসের উরুতে লেগে তার হাতে লেগেছিল বল। রেফারি অ্যান্থনি স্টুয়ার্ট পেনাল্টির বাঁশি দেন, কিন্তু একই সঙ্গে চেলসিকে হতবাক করে জেমসকে দেখান লাল কার্ড। ক্ষোভে ফেটে পড়েন চেলসির খেলোয়াড়েরা, সেটি করতে গিয়ে কার্ড দেখেছেন রুদিগার। পেনাল্টি থেকে গোল করে সমতা ফেরান মো সালাহ। 

    এই দশ জনের চেলসিকে দ্বিতীয়ার্ধে চেপে ধরে লিভারপুল। মেন্ডি একের পর এক সেভ করতে থাকেন, দূর থেকে হেণ্ডারসন-ফাবিনিওদের ঠেকিয়ে দেন। চেলসিও সুযোগ পেলে চেষ্টা করছিল, কাছাকাছি গিয়েছিলেন আলন্সো। লাভ হয়নি। লিভারপুল শেষ পর্যন্তও চেষ্টা করেছিল, কিন্তু চেলসির রক্ষণ ভাঙতে পারেনি। ১-১ গোলেই শেষ হয়েছে ম্যাচ। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন