• " />

     

    ডি ভিলিয়ার্স-আমলার রেকর্ড ভাঙলেন রাবাদা

    কৃতিত্বটা আগে ছিল এবি ডি ভিলিয়ার্স ও হাশিম আমলার। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ষসেরা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দুজনেই জিতেছিলেন সর্বোচ্চ পাঁচটি করে পুরস্কার। এবার তরুণ পেসার কাগিসো রাবাদা ছাড়িয়ে গেলেন দুজনকেই। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ষসেরা ক্রিকেটার তো হয়েছেনই, আরও পাঁচটি পুরস্কার জিতেছেন ২১ বছর বয়সী পেসার। তাঁর চেয়ে কম বয়সে আর কেউ এই বর্ষসেরা ক্রিকেটার হননি।

     

    গত বছর বাংলাদেশের সঙ্গে ওয়ানডে অভিষেকটাই ছিল চোখ ধাঁধানো। হ্যাটট্রিকসহ ছয় উইকেট পেয়েছিলেন, ওয়ানডে অভিষেকে ওটাই ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো পেসারের সেরা বোলিং। এর পর বছরজুড়েই আলো ছড়িয়ে গেছেন, জানান দিয়েছেন অনেক দিন থাকার জন্যই এসেছেন। সেই পুরস্কারই এবার পেলেন। বর্ষসেরা ক্রিকেটারের পাশাপাশি বর্ষসেরা টেস্ট ও ওয়ানডে ক্রিকেটারের পুরস্কারও পেয়েছেন। সতীর্থদের ভোটেও বর্ষসেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পেয়েছেন। সমর্থকদের ভোটও গেছে রাবাদার কাছেই। ইংল্যান্ডের সঙ্গে জেসন রয়কে করা আউটের জন্য বর্ষসেরা ডেলিভারির পুরস্কারও পেয়েছেন। শুধু বর্ষসেরা টি টোয়েন্টি খেলোয়াড়ের পুরস্কারটাই পাননি, সেটি গেছে ইমরান তাহিরের কাছে।

     

    ২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টিতে অভিষেক হয়েছিল রাবাদার। এর পর ওয়ানডে ও টেস্ট ক্রিকেটেও খেলেছেন। ৬ টেস্ট খেলে এখন পর্যন্ত ২৪ গড়ে পেয়েছেন ২৪ উইকেট। ওয়ানডের রেকর্ডই বেশি উজ্জ্বল, ২০ ম্যাচে ২১.৪৫ গড়ে নিয়েছেন ৩৭ উইকেট। আভাস দিয়েছেন, আরও অনেকদূর যাওয়ার সামর্থ্য আছে তাঁর।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন