• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    এজেন্ট ক্ষমা না চাইলে খেলতে পারবেন না তোরে

    "গার্দিওলা যদি সিটিকে চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতাতে ব্যর্থ হন, তাহলে আমি আশা করব তাঁর সেই সাহসটুকু আছে নিজ থেকে স্বীকার করার যে তিনি ইয়াইয়া তোরের মতো বিশ্বমানের খেলোয়াড়কে অসম্মান করেছেন।"

    বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের ম্যাচে ইয়াইয়া তোরে ২১ জনের দলে ঠাঁই না পাওয়ায় গার্দিওলার ওপর এভাবেই রাগ ঝেড়েছিলেন আইভোরিয়ানের এজেন্ট দিমিত্রি সেলুক। এজেন্টের এমন কথা বার্তা নিয়ে এরপর বিস্তর গবেষণাও হয়েছে! কিন্তু এতোদিনে মুখ খুললেন গার্দিওলা।

    ঠান্ডা মাথায় জানিয়ে দিলেন তোরের এজেন্ট তাঁর 'কুকর্মের' জন্য ক্ষমা না চাইলে কিছুতেই আর ম্যানচেস্টার সিটি দলে জায়গা হবে না ৩৩ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার। সেই ইঙ্গিত কিন্তু এরই মাঝে দিয়েও রেখেছেন সাবেক বার্সেলোনা ও বায়ার্ন মিউনিখ ম্যানেজার। চ্যাম্পিয়নস লিগের পর প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচেও তোরেকে স্কোয়াডে রাখেননি পেপ। 

    তোরের সাথে নিজের কোনো ঝামেলা নেই বলেও দাবি করেছেন গার্দিওলা। তবে তোরের এজেন্টের এমন আচরণ একেবারেই মেনে নেয়া যায় না বলে নিজের স্বপক্ষে যুক্তিও দিয়েছেন তিনি-  "তোরেকে বাদ দিয়ে দল বাছাই করা আমার জন্য খুবই কঠিন ছিল। কিন্তু দলের জন্য যেটা ভালো সেটা আমাকে করতেই হত।" 

    "কিন্তু যে মুহুর্ত থেকে সেলুক কথা বলা শুরু করল, সেই মুহুর্ত থেকেই দল থেকে বাদ তোরে। যদি তোরের এজেন্ট আবারও মিডিয়ার সামনে অথবা আমাকে ফোন করে নিজের কথার জন্যে দুঃখ প্রকাশ করে তবেই কেবল তোরে আবার দলে সুযোগ পাবে। একজন ম্যানেজার হিসেবে আমি এরকমটা কিছুতেই বরদাশত করতে পারি না।" - ঘটনার পর এক সপ্তাহ কেটে গেলেও গার্দিওলার রাগ যে একটুও কমেনি, তা তো তাঁর এই ঝাঁঝালো কথায়ই পরিষ্কার!

    এরপর নিজের অবস্থানটা আরেকটু পরিষ্কার করতেই, খেলোয়াড়ি জীবনের উদাহরণ টেনে নিয়ে গার্দিওলা বলেন - "যখন খেলোয়াড় ছিলাম, আমি কখনও চিন্তাও করতে পারিনি আমার এজেন্ট মিডিয়ার সামনে গিয়ে ইয়োহান ক্রুইফকে নিয়ে কিছু বলবে! হতে পারে দিন বদলেছে। এখন হয়ত এজেন্টরাও সমান গুরুত্ব পায় মিডিয়াতে। কিন্তু আমি পুরোনো দিনের মানুষ। আমার কোচিং স্টাইলও সেসময়কার। আমি কিছুতেই এ ধরণের ঘটনায় ছাড় দেব না"।

    তোরের বর্তমান অবস্থা নিয়ে লম্বা সাক্ষাৎকারের একটা লম্বা সময়ই দিতে হয়েছে গার্দিওলাকে। বিভিন্নভাবে নিজের ও দলের অবস্থা বর্ণনা করলেও ইয়াইয়ার ব্যাপারে তাঁর শক্ত অবস্থানের কথা জানান দিয়েছেন প্রতিবারই।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন