• " />

     

    সন্দেহভাজনদের ফোন পরীক্ষা করবে আইসিসি

    ম্যাচ ফিক্সিং বন্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার ভাবছে আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট (আকসু)। আকসু প্রধান রনি ফ্ল্যানাগান প্রস্তাব অনুযায়ী সন্দেহভাজন খেলোয়াড়দের মুঠোফোন বাধ্যতামূলকভাবে পরীক্ষা করা হবে। সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার আলভিরো পিটারসেনের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার ব্যাপারে প্রমাণ পাওয়ার পর আকসু চাইছে খেলোয়াড়দের ব্যবহার করা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও হোয়াটস অ্যাপ-স্ন্যাপচ্যাটের মতো অ্যাপেও নজরদারি করতে।

    ক্রিকেটে দুর্নীতির কালো মেঘ দেখা গেছে অনেকদিন আগেই। কখনো ম্যাচ গড়াপেটা আবার কখনো ম্যাচ ফিক্সিংয়ের মতো অন্ধকার সুড়ঙ্গের আবির্ভাব কাঁপিয়ে দিয়েছে ক্রিকেটের সফেদ ভাবমূর্তিকে। এজন্যই স্বতন্ত্র দুর্নীতি দমন ইউনিট গড়ে তুলেছিল আইসিসি। বর্তমানে খেলোয়াড়দের মুঠোফোনের রেকর্ড পরীক্ষা করতে পারে আকসু। প্রতি ম্যাচের আগে তাদের ফোনও জমা দিতে হয় আইসিসির এই বিশেষায়িত সংস্থার কাছে। কিন্তু তাদের ব্যবহার করা যোগাযোগ বিষয়ক অ্যাপগুলোতে নজরদারি করে না আকসু। রনি ফ্ল্যানাগান চাইছেন এখানেও নজর রাখতে, “মানুষ একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করছে। হোয়াটস অ্যাপ, স্নাপচ্যাটের মতো জিনিসগুলোর ব্যবহার করা হচ্ছে। আমাদের এরচেয়ে এগিয়ে থাকতে হবে।”

    তিনি আরো বলেছেন, “খেলোয়াড়দের ফোন বিলের রেকর্ড পরীক্ষা করার চেয়ে আমরা বরং সেগুলো জমা নিয়ে পরীক্ষা করতে পারি অনেকটা টেনিসের মতো। আমরা পরীক্ষা করে দেখতে পারি এইসব ডিভাইস দিয়ে কী ধরনের যোগাযোগ করা হয়েছে।”

     

    এজন্য অবশ্য আকসুকে আইসিসির বোর্ডের অনুমতি নিতে হবে।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন