• " />

     

    সাব্বিরদের পর মাশরাফি-মুস্তাফিজদের প্রস্তুতিটাও হলো দারুণ

    বেলফাস্টে ব্যাটিংয়ে বিশাল স্কোর গড়ার পর আয়ারল্যান্ড এ-কে বোলিংয়েও গুঁড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। প্রস্তুতি ম্যাচে জিতেছে ১৯৯ রানের বিশাল ব্যবধানে।

     

    ৫১, ৪১, ৪৫ রানের তিনটি জুটি। একটি ৬০ রানের ইনিংস। আয়ারল্যান্ড ওলভস বা আয়ারল্যান্ড এ দলের ব্যাটিংয়ের সারমর্মই তাই। ‘বাংলাদেশীজ’দের বোলিং তোপে দাঁড়াতেই পারলো না তা! ছয় বোলার ব্যবহার করেছেন বাংলাদেশী অধিনায়ক, উইকেট পেয়েছেন সবাই।

     

    ৪১.৪ ওভারে আইরিশ দলটি অল-আউট হয়ে গেছে। এক শুভাশীষ রায় ছাড়া দশ ওভারের কোটা পূরণ করতে পারেননি আর কেউ। ওই শুভাশীষই যা রান দিয়েছেন, ৬১, উইকেটও নিয়েছেন অবশ্য একটি। এছাড়া সব বোলারের ইকোনমি রেট ৫ কিংবা এর নীচে।


    মুস্তাফিজুর বল করেছেন ৫.২ ওভার, ১৭ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। ২টি উইকেট নিয়েছেন অধিনায়ক মাশরাফি, রুবেল ও সাকিবও। ৪ ওভার বোলিংয়ের সুযোগ পেয়েছেন সৌম্য সরকার, তিনিও নিয়েছেন একটি উইকেট।

     

    এর আগে বেলফাস্টের সিভিল সার্ভিস ক্রিকেট ক্লাবের প্রস্তুতি ম্যাচে টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েছিলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি মুর্তজা। আয়ারল্যান্ড ওলভসের সঙ্গে সেই ব্যাটিং প্রস্তুতিটা হলো ভালই। এর আগের ম্যাচগুলোতে সৌম্য, ইমরুল নিজেদের ঝালিয়ে নেয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন, এবার সেটা কাজে লাগালেন সাব্বির, তামিম, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহরা।

     

    সেঞ্চুরি করলেন সাব্বির রহমান, তামিম ইকবালও খেললেন মোটামুটি বড়সড় ইনিংসই।

     

    ৪৪ রানের ওপেনিং জুটি ভেংগেছিল সৌম্য সরকারের আউটে। পয়েন্টে ক্রেইগ ইয়ংয়ের বলে লিডিং এজ হয়ে ক্যাচ দিয়েছেন টাইরন কেনের কাছে।

     

    তামিম ইকবাল করেছেন ৭৪ বলে ৮৬ রান। ফিফটি করেছিলেন ৪৯ বলে। ১৪টি চারের সঙ্গে মেরেছেন দুইটি ছয়। মানে বাউন্ডারি থেকেই প্রায় ৭৯ শতাংশ রান করেছেন বাংলাদেশী ওপেনার। অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইনকে উড়ে মারতে গিয়েই ডিপ কাভারে ক্যাচ দিয়েছেন ক্রেইগ ইয়াংকে।

     

    ম্যাকব্রাইনের বলেই ইয়ংকে ক্যাচ দিয়েছেন মোসাদ্দেকও। ২৭ বলে করেছিলেন ৩১ রান।

     

    তামিমের মতো ৪৯ বলে ফিফটি করেছিলেন সাব্বির রহমানও। এরপর ব্যাটিংয়ের গিয়ার যেন বাড়িয়ে দিয়েছেন, শেষ পর্যন্ত করেছেন ৮৬ বলে ১০০ রান। ছিল ১৬টি চারের সঙ্গে ২টি ছয়। এরপরই অবসর নিয়েছেন।

     

    ব্যাটিং অনুশীলনের সুযোগটা কাজে লাগিয়েছেন মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহও। মুশফিক করেছেন ২৪ বলে ৪১, মাহমুদউল্লাহ ৩১ বলে ৪৯ রান।

     

    শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ৭ উইকেটে ৩৯৪ রান করেছিল বাংলাদেশ।
     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন