• বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা
  • " />

     

    বিপিএল নয়, তামিমের কাছে আগে জাতীয় দল

    প্যাড পরে ব্যাটিং দেখতে অস্বস্তি লাগে, সুযোগ পেলে তা বলেছেন বেশ কয়েক বার। তামিম ইকবালকে অবশ্য দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে তার চেয়েও বেশি যন্ত্রণা সইতে হয়েছে। চোটের জন্য একটা টেস্ট খেলতে পারেননি, পরে তো প্রথম ওয়ানডের পরে ছিটকে যেতে হয়েছে দল থেকে। দেশে ফিরে আজ মিরপুরে তামিম ইকবাল জানালেন, চোট থেকে ফেরা নিয়ে তাড়াহুড়ো করছেন না। বিপিএলের চেয়ে তাঁর কাছে জাতীয় দলই আগে।

    প্রস্তুতি ম্যাচেই উরুর পেশীর চোট ভুগিয়েছে পুরো সফরে। ব্যাট হাতেও তেমন কিছু করতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত প্রথম ওয়ানডের পরেই মাশরাফি-মুস্তাফিজের সঙ্গী হয়ে ফিরেছেন দেশে। তামিম্ন জানাচ্ছেন, আপাতত বিপিএলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের হয়ে প্রথম দুইটি ম্যাচ খেলতে পারছেন না, তা নিশ্চিত, ‘এখন দুই সপ্তাহ পুরো রিহ্যাবে থাকতে হবে। তারপর আবার পরীক্ষা করা হবে। প্রথমে যে প্ল্যান ছিল, হয়তো বিপিএলের প্রথম কয়েকটা ম্যাচ নাও খেলতে পারি। এখন বলাটা খুব তাড়াতাড়ি হয়ে যায়। কারণ এখন দুই সপ্তাহ পুরোপুরি রিহ্যাবে থাকবো। কয়টা ম্যাচ খেলতে পারব, সেটা এরপর বলতে পারব। তবে এটা নিশ্চিত, প্রথম দুইটা ম্যাচ খেলতে পারব না।

     

    বিপিএলে খেলার জন্য অনেক ক্রিকেটার চোট থেকে ফেরার জন্য তাড়াহুড়ো করেন, এমন কিছু অনেক সময়ই ভাসে হাওয়ায়। তবে তামিমের কাছে জাতীয় দলই আগে, ‘আমার মেসেজটা খুবই পরিষ্কার। আমার জন্য জাতীয় দল আগে। পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ারআগে আমার মনে হয় না খেলা উচিত হবে। আর আমি এ কাজ করবোও না। আমরা সবাই জানি বিপিএল সবার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা টুনামেন্ট। কিন্তু জাতীয় দলেরও খেলা আছে। শ্রীলঙ্কার সাথে বড় সিরিজ হবে। যতগুলো বিপিএল ম্যাচ মিস হোক না কেন আমি পুরোপুরি সুস্থ হয়ে নামব।’

    স্বাভাবিকভাবেই দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজ নিয়েও উঠল প্রশ্ন। স্মরণকালে অন্য কোনো সিরিজে এতোটা অসহায় অবস্থা হয়নি বাংলাদেশের, তামিম সেজন্য কোনো অজুহাত খুঁজতে চান না, কন্ডিশন কঠিন হবে এটা আমরা সবাই জানতাম। কিন্ত কন্ডিশনকে বা ওখানে অনেক দিন না খেলাকে  অজুহাত হিসেবে দেখাতে চাই না। আমার কাছে মনে হয় দল হিসেবে এবং ব্যক্তিগতভাবে আমরা সামর্থ্য অনুযায়ী খেলেতে পারি নাই। তখন দেশে খেলছি না বিদেশে খেলছি সেটাও বড় ব্যাপার নয়।’

    তামিম এখন এই সফর থেকে শিক্ষা নিতে চান, ‘এখনও দুটা ম্যাচ বাকি আছে।এখানে কীসের কমতি ছিল সেটা বের করতে হবে। তারপর ওটার উপরে প্ল্যান করে আগাতে হবে।  আমরা জানি ২০১৯ বিশ্বকাপ দেশের মাটিতে ইংল্যান্ডে। সেখানে খেলাও কঠিন আমাদের জন্য। এই্সব কিছু মাথায় রেখে আগাতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে কোনো সমস্যা ফিল করেছি সাউথ আফ্রিকায় যেটা আমার ইমপ্রুভ করা দরকার তা করতে হবে। যদি না করি তাহলে তো আগাবে না।’

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন