• বাংলাদেশ-দক্ষিণ আফ্রিকা
  • " />

     

    হাথুরুর বিদায়ে অবাক মিরাজ, ইতিবাচক নাফীস

    অনেকটা বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতোই এসেছে ব্যাপারটা। চন্ডিকা হাথুরুসিংহে বোর্ডের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন, জানিয়েছিল শ্রীলঙ্কান প্রচারমাধ্যম। পরে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান নিশ্চিত করেছেন, হাথুরুর বিদায়টা এখন সময়ের ব্যাপার, তাঁকে জোর করে ধরে রাখার ইচ্ছাও বোর্ডের নেই। মেহেদী হাসান মিরাজও এই সিদ্ধান্তে বেশ অবাক, তবে শাহরিয়ার নাফীস ব্যাপারটা ইতিবাচকভাবেই দেখছেন।

     

     

    নাজমুল হাসান কাল বলেছিলেন, হাথুরুর হুট করে এমন বিদায়ের সিদ্ধান্তে তাঁরাও অবাক। মেহেদী হাসান মিরাজের কন্ঠে তাঁরই প্রতিধ্বনি, ‘আসলে হঠাৎ করেই এসেছে সিদ্ধান্তটা। অবাক করার মতোই, আমি অবশ্য ঠিক নিশ্চিত নই। কাল শুনছিলাম যে উনি চলে যাচ্ছেন। টিমটাকে উনি খুব ভালোভাবে সামলাচ্ছিলেন। ওই ভালো বলতে পারবেন, কেনো যাচ্ছেন। হয়তো উনি ভালো মনে করছেন।’

    দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজেও আঁচ করতে পারেননি, কোচ চলে যাবেন। মিরাজ এখনও যেন বিশ্বাস করতে পারছেন না, ‘আমাদের কাছে ওইভাবে কখনো মনে হয়নি। আমি বিশ্বাসই করতে পারতেছি না। হঠাৎ করে সিদ্ধান্তটা এসেছে। এখনো অনেকে সিরিয়াস না— যে উনি চলে যাচ্ছেন। ওই রকমভাবে আলোচনা হয়নি আমাদের মধ্যে।’

    শাহরিয়ার নাফীস অবশ্য হাথুরুর সঙ্গে সেভাবে জাতীয় দলে কাজ করার অভিজ্ঞতা হয়নি। তবে ব্যাপারটা ইতিবাচক দৃষ্টিতেই দেখছেন এই ওপেনার, 'ক্রিকেট এমন একটা খেলা— যেটা কারো জন্য অপেক্ষা করে না। চন্ডিকা খুব ভালো কাজ করছিলেন এবং তার সাফল্যের হার ভালো ছিলো। কিন্তু তিনি যদি কাজ করতে না চান বা তার যদি চুক্তিসংক্রান্ত কোনো জটিলতা থাকে, তাহলে তিনি চলে যেতেই পারেন। এমন নয় যে, তিনি না থাকলে কেউ হেড কোচ হবেন না। নিশ্চয় কেউ দায়িত্ব নিবে। উনার জন্য শুভ কামনা রইলো। আশা করছি, বাংলাদেশ দল যে সফলতার পথে ছিলো, সেখানেই থাকবে। তার নির্দেশনায় বাংলাদেশ ভালো খেলছিলো। মূল খেলাটা কিন্তু ক্রিকেটাররাই খেলেন। উনার অধীনে যা হয়েছে, তার পরিকল্পনা বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড থেকেই এসেছে। বোর্ডও যেহেতু কোথাও চলে যাচ্ছে না, ক্রিকেটাররাও কোথাও চলে যাচ্ছে না। আমি মনে করি, একজন ব্যক্তির জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেটের কোনো ক্ষতি হবে না।

    দলের বাইরে থাকার পর অনেক দিন ধরেই নাফীস বেশ ধারাবাহিক। নতুন কোচ আসলে কি নাফীস সুযোগ পাবেন? উত্তরে তিনি বেশ কূটনৈতিক, ‘প্রতিটি কোচের ব্যক্তিগত কর্মপরিকল্পনা থাকে। কোনো কোচ অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেন, কেউ আবার তারুণ্যকে গুরুত্ব দেন। চন্ডিকা অনেক সাফল্য দিয়েছেন। তাকে নিয়ে খুব বেশি আলোচনা করে এখন লাভ নেই। উনি যে ভুল করেছেন, তা কিভাবে শুধরে নেয়া যায় বা উনি যে সফলতা দিয়েছেন, তার পথ কিভাবে ধরে রাখা যায়, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমার মনে হয়, যারা পারফর্ম করবে তারাই সুযোগ পাবে। পারফর্মটাই বড় কথা।’

     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন