• বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
  • " />

     

    শেষ দল হিসেবে বিশ্বকাপে পেরু

     

    প্রথম লেগ গোলশূন্য ড্র হয়েছিল। বিশ্বকাপে যেতে হলে জয়ের বিকল্প ছিল না পেরুর সামনে। ঘরের মাটিতে নিউজিল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারিয়েই রাশিয়ার টিকেট নিশ্চিত করল পেরু। ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপে যাচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি।

     

     

     

    লাতিন আমেরিকার বাছাইপর্বে পঞ্চম হয়ে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্লে-অফ খেলতে হয়েছিল পেরুকে। শেষবার ১৯৮২ বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েছিল পেরু। দেশটির প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, বিশ্বকাপ নিশ্চিত করতে পারলে একদিনের রাষ্ট্রীয় ছুটি ঘোষণা করবেন! ঐতিহাসিক এই ম্যাচ দেখতে স্টেডিয়াম ছিল কানায় কানায় পূর্ণ।

     

    ম্যাচের শুরু থেকেই কিউই রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে পেরুর ফরোয়ার্ডরা। ২৭ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন জেফারসন ফারহান। ক্রিশ্চিয়ান কুয়েভার পাসে বল পেয়ে গোল করতে ভুল করেননি। গোলের পর পাওলো গেরেরোর জার্সি বের করে উদযাপন করেন। কিছুদিন আগে ড্রাগ টেস্টে পজিটিভ হওয়ায় নিষিদ্ধ হয়েছিলেন গেরেরো। ৪১ মিনিটে ব্যবধান বাড়তে পাড়ত, তবে নিউজিল্যান্ড কিপার স্টেফান মারিনোভিচের জন্য সেটা হয়নি। পরপর পেরুর দুই ফরোয়ার্ডের শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দলের বিশ্বকাপের আশা বাঁচিয়ে রাখেন।

     

    ৬৫ মিনিটে অবশ্য ঠেকাতে পারেননি ক্রিশ্চিয়ান রামোসের শট। কর্নার থেকে ডি বক্সের জটলার ভেতর বল পেয়ে জালে জড়ান। ম্যাচে আর গোল না হওয়ায় বিশ্বকাপ যাত্রা নিশ্চিত হয় পেরুর। রাশিয়া বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৩২ দলই নিশ্চিত হয়ে গেলো পেরুর এই জয়ে। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন