• " />

     

    গেইলকে স্ট্রাইক দিয়ে ছয় দেখবেন ম্যাককালাম!

    ঢাকায় এসেই পড়েছেন অসময়ের বৃষ্টির খপ্পরে। বৃহস্পতিবার একাডেমি মাঠে না পেরে শেষ পর্যন্ত ইনডোরেই গা গরম করেছেন। আজও বৃষ্টি বাগড়া দিয়েছে অনুশীলনে, তবে রংপুর রাইডার্সের ব্রেন্ডন ম্যাককালাম আর মুখে কুলুপ এঁটে রাখেননি। ব্যাট হাতে যতটা বিনোদনদায়ী, কথায়ও শুরুতেই চমকে দিলেন। মজা করে বললেন, রংপুর রাইডার্সে ক্রিস গেইলের ওপেনিং সঙ্গী হয়ে অন্য প্রান্ত থেকে শুধু তাঁর ছয় দেখতে চান ম্যাককালাম!

    টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন হয়ে আছেন দুজন অনেক দিন থেকেই। গেইল আগেও বেশ কয়েক বার খেলেছেন বিপিএল, তবে ম্যাককালামের এটাই প্রথম। টি-টোয়েন্টিতে দুজনের মিলিত রেকর্ডটা অবিশ্বাস্যই, ২৫টি টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির সঙ্গে ১১২১টি ছয়! গেইল অবশ্য এখানে (৭৭২) ম্যাককালামের চেয়ে (৪৯১) বেশ কিছুটা এগিয়ে আছেন। সাবেক কিউই অধিনায়ক মজা করে বললেন, গেইলের ছয়ের প্রদর্শনীটা দর্শক হয়েই উপভোগ করতে চান, ‘মাঠের বাইরে আমাদের জমে দারুণ। কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে একসঙ্গে খেলেছি দুজন, এখান থেকে কলকাতা খুব দূরে নয়। আবার ওর সঙ্গে জুটি বাধার সুযোগ দারুণ ব্যাপার। টি-টোয়েন্টিতে ক্রিস বিশ্বের সবচেয়ে বিধ্বংসী ব্যাটসম্যানদের একজন। ওর সঙ্গে ব্যাটিং উদ্বোধন করা হবে দারুণ কিছু। হয়ত আমি ওকে স্ট্রাইক দেব আর শুধু দেখব ছক্কা মারতে!’

    রংপুরে আরও একজন পুরনো সতীর্থকে পাচ্ছেন ম্যাককালাম। সেই ২০০৯ সালে আইপিএলে মাশরাফি বিন মুর্তজার সঙ্গে কলকাতা নাইট রাইডার্সের ড্রেসিংরুম ভাগাভাগি করেছিলেন। এবার মাশরাফির অধিনায়কত্বে খেলছেন প্রথমবার। সেটা নিয়েও বেশ রোমাঞ্চিত ‘বাজ’, ‘ওর সঙ্গেও আমি খেলেছিল কলকাতা নাইট রাইডার্সে। ওর সঙ্গেও আমার সম্পর্ক দারুণ। গত কাল মাঠে এসে ওকে দেখে খুব ভালো লেগেছে। মধ্য তিরিশেও দারুণ ফিট। অনেক কিছু অর্জন করেছে ক্যারিয়ারে। শুধু এখানে নয়, পুরো ক্রিকেটবিশ্বেই ওকে সমীহ করে সবাই।  ওর নেতৃত্বে খেলতে আমি সত্যিই মুখিয়ে আছি।’

     

     

    বিপিএলের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি রংপুরের, প্রথম তিন ম্যাচের দুটিতেই হেরেছে। আগামী পরশু কুমিল্লার সঙ্গে ম্যাচেই অবশ্য মাঠে নামার কথা ম্যাককালাম-গেইলের। ম্যাককালাম মনে করিয়ে দিচ্ছেন, টুর্নামেন্টের এখনো অনেকটাই বাকি, ‘তিন ম্যাচে মাত্র একটি জিতেছি আমরা। তবে এটি অনেক লম্বা টুর্নামেন্ট। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যেন আমরা স্থির থাকি, আতঙ্কিত না হই। আমাদের সাপোর্ট স্টাফ খুবই স্থির, অধিনায়কও ঠাণ্ডা মেজাজের। আমাদের দলটাও দারুণ। আমি নিশ্চিত, পরস্পরের সঙ্গে যথন মানিয়ে নেব আমরা, তখন আমরা ভালো করব।’

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন