• ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ
  • " />

     

    অনেক 'ফেরার' ম্যাচে উজ্জ্বল ইউনাইটেড

     

    পল পগবা ফিরলেন রাজার বেশে। ইব্রাহিমোভিচ ফিরলেন অবিশ্বাস্য এক পুনর্বাসন শেষে। রোমেলু লুকাকু ফিরেছেন গোলে। ওল্ড ট্রাফোর্ডে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড আবার ফিরেছে চার গোলের ধারায়। নিউক্যাসলের সঙ্গে ৪-১ গোলের জয় হয়ে রইল এমন অনেক ফেরায় ভাস্বর।

    অথচ ম্যাচের শুরুটা একদমই ভালো হয়নি ইউনাইটেডের। ১৩ মিনিটেই দারুণ এক প্রতিআক্রমণ থেকে ওল্ড ট্রাফোর্ডকে হতভম্ব করে গোল করে বসেন নিউক্যাসল স্ট্রাইকার ডুইট গেইল। একটু পরেই সমতা ফেরাতে পারতেন রোমেলু লুকাকু, কিন্তু গোলরক্ষককে সামনে একা পেয়েও হেড পোস্টে রাখতে পারেননি। শুরুর বেশ কিছুক্ষণ একটু ছন্নছাড়াই ছিল ইউনাইটেড।

    কিন্তু দ্রুত গুছিয়ে খেলায় ফেরে ইউনাইটেড। বলা ভালো, ফেরান পগবাই। ডান দিক থেকে দারুণ এক ক্রস খুঁজে নেয় অ্যান্থনি মার্শিয়ালকে। খানিক আগে লুকাকু যা করতে পারেননি, মার্শিয়াল করেছেন সেটাই। দুর্দান্ত এক হেডে বল জড়িয়ে দিয়েছেন জালে। প্রথমার্ধ শেষের একটু আগে আবার এগিয়ে যায় ইউনাইটেড। এবার অ্যাশলি ইয়াংয়ের ক্রস থেকে গোল করেন ক্রিস স্মলিং। পগবা ততক্ষণে নিজেকে ফিরে পেয়েছেন, ইউনাইটেডও ফিরতে শুরু করেছে স্বরূপে।

    বিরতির পর ইউনাইটেড আরও তেড়েফুঁড়েই আক্রমণ করতে শুরু করে। ৫৪ মিনিটে পগবা নিজেই পেয়ে যান। এবার দারুণ এক পালটা আক্রমণ থেকে মাতার পাস খুঁজে নিয়েছিল লুকাকুকে। তাঁর পাস অনেক দূর থেকে দৌড়ে এসে হেড করে পগবার দিকে ঠেলে দেন রাশফোর্ড। সহজ সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি পগবা।

    তবে যে গোলের জন্য তৃষিত হয়ে ছিলেন লুকাকু, সেটি পেলেন একটু পর। এবার মাতার পাস বক্সে ফাঁকায় পেয়ে যান লুকাকু। বাঁ পায়ের সহজ ফিনিশিংয়ে কাটিয়েছেন সাত ম্যাচের গোলখরা। তবে ওল্ড ট্রাফোর্ডে উল্লাসের কোরাস ওঠে ৭৭ মিনিটে। যে চোট তাঁর ক্যারিয়ার শেষ করে দেবে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল, ২১২ দিনে তা কাটিয়ে আবার মাঠে নেমেছেন ইব্রা। একটুর জন্য গোল পাননি, তবে তা নিয়ে আফসোস থাকার কথা নয় মরিনহোর। পগবা-ইব্রা ফিরেছেন, লুকাকু গোল পেয়েছেন; একটা ম্যাচে এর চেয়ে বেশি কিছু চাইতে পারতেন না মরিনহো। ২৬ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকার দুইয়েও উঠে এলো ইউনাইটেড।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন