• পাকিস্তান - আয়ারল্যান্ড সিরিজ
  • " />

     

    খেলতেই হবে দিবা-রাত্রির টেস্ট?

    খেলতেই হবে দিবা-রাত্রির টেস্ট?    

    আইসিসি ক্রিকেট কমিটির সভায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সুপারিশ করা হবে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে। কলকাতায় এ সভা হবে ২৮ ও ২৯ মে। ২০১৯ সালের বিশ্বকাপের পর শুরু হবে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ, ১০ জুন, ২০২১ থেকে লর্ডসে শুরু হওয়ার কথা ফাইনাল। 

    ইএসপিএনক্রিকইনফো বলছে, পরিবর্তনগুলো খুব বেশি পরিমাণে নয়, তবে তাৎপর্যপূর্ণ। টস, দিবা-রাত্রির টেস্ট সম্পর্কে আসতে পারে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব। জুনে আইসিসির প্রধান নির্বাহীদের সভায় ক্রিকেট কমিটির প্রস্তাব পর্যালোচনা করে নেওয়া হবে পরবর্তী সিদ্ধান্ত। 


    দিবা-রাত্রির টেস্ট বাধ্যতামূলক? 

    অস্ট্রেলিয়া সফরে অ্যাডিলেডে দিবা-রাত্রির টেস্ট খেলার প্রস্তাবতা নাকচ করে দিয়েছে ভারত। তবে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে এই সুযোগটা পাবে না তারা, প্রতি হোম সিরিজেই একটি করে দিবা-রাত্রির টেস্ট খেলার বাধ্যবাধকতা থাকবে। যদি ‘হোম টিম’ একটির বেশি দিবা-রাত্রির টেস্ট খেলতে চায়, শুধু সেক্ষেত্রেই “সফরকারি দলের সমঝোতা প্রয়োজন হবে”। আর সিরিজে দিবা-রাত্রির টেস্ট থাকলে সফরকারি দলকে অন্তত একটি দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার সুযোগ দিতে হবে। 

    (প্রায়) বিদায় টস!
    ঘরের দলের ‘বাড়তি’ সুবিধা ও পিচের মান নিয়ে চিন্তিত আইসিসি। টসের ক্ষেত্রে তাই অনুসরণ করা হতে পারে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে প্রচলিত নিয়মটি- সফরকারি দল প্রথমে বোলিং করতে চাইলে হবে না টস। 

     

     

    অনপযুক্ত পিচ, শাস্তি আরও কঠোর
    গত কয়েক বছরে বেশ কিছু পিচকে ডিমেরিট পয়েন্ট দিয়েছে আইসিসি। এবার এ ব্যাপারে আরও কঠোর হতে পারে তারা। “যদি পিচ বা আউটফিল্ড খেলার অনপুযুক্ত হয়, ম্যাচ রেফারি কর্তৃক নেওয়া এমন সিদ্ধান্তের ফলে সফরকারি দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে, পয়েন্টও দেওয়া হবে সেভাবেই।” 

    পয়েন্ট পদ্ধতি
    টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের জন্য ম্যাচ ও সিরিজের ফল- দুইটিই বিবেচনায় এনে কিভাবে পয়েন্ট বন্টন করা যায়, সেটা ক্রিকেট কমিটিকে সুপারিশ করতে বলেছে আইসিসি। জয়ের বিবেচনায় ড্রয়ের ক্ষেত্রে পয়েন্ট বন্টন কিভাবে হবে, ভেবে দেখতে বলা হয়েছে সেটাও। ক্রিকেটারদের বাজে আচরণ ও ওভার-রেটের ধীরগতির শাস্তি হিসেবে পয়েন্ট কেটে নেওয়ার প্রস্তাবও করা হতে পারে। 

    পাঁচদিনেরই টেস্ট
    চারদিনের টেস্ট থাকছে না। পরীক্ষামূলকভাবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের একটি টেস্ট হয়েছিল চারদিনের, তবে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে সব ম্যাচই হবে পাঁচদিনের। 

    বল- যস্মিন দেশে যদাচার
    বলের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা থাকবে একই। যে দেশে সিরিজ, লিগের সময় ব্যবহার করা হবে সেগুলোই। আর ফাইনালের ক্ষেত্রে, যে দেশে খেলা হবে, সে দেশ যে বল ব্যবহার করে, এখানেও থাকবে সেটাই। প্রথম ফাইনাল হওয়ার কথা ইংল্যান্ডকে, সেক্ষেত্রে ফাইনালের দলগুলোকে খেলতে হবে ডিউক বল দিয়েই।