• সেরা ফুটবল ক্লাব
  • " />

     

    কীর্তিময় ক্লাবকাহিনী ৬ : বায়ার্নের পরশপাথর

    ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস। বুন্দেসলিগায় হামবুর্গ এসভির সাথে বায়ার্ন মিউনিখের গোলশূন্য খেলা এগিয়ে চলেছে। দুদলের নিরামিষ খেলা দেখে দর্শকরা প্রায় বিরক্ত। ম্যাচের শেষ দিকে ৮৮ মিনিটে হঠাৎ কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোল করে বসলেন বায়ার্নের ডিফেন্ডার মার্টিন ডেমিচেলিস। কিন্তু একি কাণ্ড! গোলের উৎসবে যোগ না দিয়ে মাঝমাঠে তারস্বরে ‘‘Der Bayern-Dusel ist wieder da!’’ বলে চেঁচিয়ে চলেছেন তরুণ তুর্কি বাস্তিয়ান শোয়েনস্টাইগার। বাংলায় অনুবাদ করলে যার অর্থ দাঁড়ায় ‘‘বায়ার্ন দুজেল আবার ফিরে এসেছে!’’

     

    এই ‘বায়ার্ন দুজেল’ নামক বস্তুটা কি বুঝতে হলে ফিরে যেতে হবে আরও তেত্রিশ বসন্ত পেছনে। ’৭০ এর দশকে বায়ার্ন মিউনিখের দলটা ম্যাচের অন্তিম সময়ে গোল করে ম্যাচ জেতাটাকে অভ্যেস বানিয়ে ফেলেছিল। জার্মান মিডিয়া এই ঘটনার নাম রেখেছিল বায়ার্ন দুজেল (বায়ার্ন ভাগ্য)। সত্তরের দশকে বায়ার্ন দুজেলকে সাথে পাওয়া দলটা কয়েক বছরের ব্যবধানে ইতিহাসের অন্যতম সফল দলে পরিণত হয়।

     

    যুদ্ধ, হতাশা, তারুণ্য, সাফল্যের শুরু! 

     

    ইহুদি খেলোয়াড়, কোচ এবং প্রেসিডেন্ট থাকার কারণে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ‘ইহুদিদের ক্লাব’ তকমা পায় বায়ার্ন। প্রায় সকল রকম সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয় ১৯০০ সালে প্রতিষ্ঠা পাওয়া ক্লাবটি। সেই ভঙ্গুর দশা থেকে বের হতে সময় লাগছিল তাদের। ১৯৬৩ সালে যখন বুন্দেসলিগা শুরু হয়, তখন সুযোগ পায়নি বায়ার্ন। দ্বিতীয় বিভাগে ধুঁকছিল দলটা। যুগোশ্লাভিয়ান কোচ কাযকোভস্কি সেসময়ে দায়িত্ব নেন ক্লাবের। ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, সেপ মায়ার, গার্ড মুলার সহ বেশ কিছু তরুণ খেলোয়াড় দলে টানেন। আগাগোড়া তরুণদের নিয়ে গড়া এই দলটার গড় বয়স ছিল মাত্র ২১ বছর। দুবছরের মধ্যেই ১৯৬৫-তে বুন্দেসলিগায় প্রবেশ করে বায়ার্ন। প্রথম মৌসুমে লিগ শেষ করে তৃতীয় হয়ে আর জিতে নেয় জার্মান কাপ। পরের মৌসুমে জার্মান কাপ ধরে রাখার পাশাপাশি স্বাদ পায় প্রথম ইউরোপিয়ান সাফল্যের। ন্যুরেমবার্গে টানটান উত্তেজনায় ভরা ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ে টিম রথের গোলে হারায় স্কটিশ ক্লাব রেঞ্জার্সকে। তখন থেকেই শুরু ‘বায়ার্ন দুজেল’-এর। এরপর কোচ হিসেবে আসেন জেবেক। তিনি পুরো ১৯৬৮-৬৯ মৌসুমে লিগে মাত্র ১৩ জন খেলোয়াড়কে মাঠে নামিয়ে জিতে নেন বায়ার্নের ইতিহাসের প্রথম বুন্দেসলিগা। শারীরিক সক্ষমতার প্রমাণ দিতে শুরু করে তরুণ দলটা।

     

    ১৯৭০ সালে কোচ হিসেবে দলে যোগ দেন উডো ল্যাটেক। কোন ধরণের কোচিং অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও দলকে দক্ষ হাতে পরিচালনা করতে শুরু করেন। দলে আনেন ভিন্ন ভিন্ন পজিশনে খেলতে সক্ষম দুই প্রতিভাধারী - পল ব্রেইটনার এবং উলি হোনেসকে।

     

     

    দলটা দাঁড়ায় এরকম- গোলবারের নিচে ‘অ্যাঞ্জির বিড়াল’ খ্যাত সেপ মায়ার ছিলেন দারুণ ক্ষিপ্রতা আর রিফ্লেক্স ক্ষমতা দিয়ে তৈরি এমন এক গোলরক্ষক যাকে ভেদ করে গোল করা প্রায় অসম্ভব ছিল। রক্ষণে লেফট ব্যাক ব্রেইটনার, রাইট ব্যাক হ্যানসেন, সেন্টার ব্যাক শোয়ার্জেনবেক আর এদের পেছনে সুইপারের ভূমিকায় ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার। ‘কাইজার’ ডাকনামের এই খেলোয়াড় সুইপার পজিশনের সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছিলেন। সম্পূর্ণ রক্ষনাত্নক পজিশন হিসেবে পরিচিত সুইপার হয়ে খেলে তিনি ছিলেন রক্ষণের পেছনে দেয়াল, আবার বল নিয়ে মাঝমাঠে গিয়ে আক্রমণের সূচনাতেও সৃষ্টিশীল। আক্রমণ-রক্ষণের সম্পর্ক রক্ষা করতে করতে গোল করা এবং করানোতেও রাখতেন ভূমিকা। কমপ্লিট ফুটবলার হিসেবে ইতিহাসের যে কোন সেরা একাদশে তাঁর স্থান নিশ্চিত।

     

    সাথে মাঝমাঠে শরীর নির্ভর ফুটবল খেলা ফ্রাঞ্জ রথ, যোবেল এবং ক্যাপেলম্যান। ফরোয়ার্ড হিসেবে সুইডিশ কনি টরস্টেনসন, উলি হোনেস আর দ্যা বম্বার খ্যাত গার্ড মুলার। ফুটবলের ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই ফরোয়ার্ড গোল করতেন পানি খাওয়ার মত করে! বুন্দেসলিগায় ৪২৭ ম্যাচে ৩৬৫ গোল করা এই গোলমেশিনের রেকর্ড এখনো অটুট।

     

    একঝাঁক নবীন কুশলী খেলোয়াড় সাথে কঠোর পরিশ্রম এবং সব বাধা বিপত্তিকে পেছনে ফেলে জয় করার অদম্য ইচ্ছা নিয়ে ল্যাটেক এগিয়ে যান অমরত্বের পথে!

     

    অমরত্বের পথে...

     

    ১৯৭১-৭২ মৌসুমে বায়ার্ন দারুণ প্রভাব ঘরোয়া ডাবল অর্জন করেন ল্যাটেকের দল। পুরো মৌসুমে মাত্র ৩ ম্যাচে হারের গ্লানি মাখে বায়ার্ন। জার্মান কোচ হেলমুট শনের ভাষায় ‘ছোট গোলের রাজা’ খ্যাত মুলার লিগে ৪০ গোল করেন এবং দল ১০১ গোল করে যা এখনো পর্যন্ত বুন্দেসলিগা রেকর্ড। ‘‘আমরা যা কিছু অর্জন করছি তার সব কৃতিত্ব মুলারের’’ – এটা ছিল বেকেনবাওয়ারের অভিমত। ল্যাটেকের দলের ৬ জন; মায়ার, শোয়ার্জেনবেক, বেকেনবাওয়ার, মুলার, ব্রেইটনার এবং হোনেস ১৯৭২ ইউরো জয়ী পশ্চিম জার্মানি দলে ছিলেন যারা ফাইনালে সোভিয়েত ইউনিয়নকে ৩-০ গোলে হারায়।

     

    সাফল্য ধরে রেখে পরের দুই মৌসুমেও লিগ জেতে ব্যাভারিয়ানরা। কিন্তু ইউরোপে তখন আয়াক্সের টোটাল ফুটবলের জাগরণে ভেসে যাচ্ছে সবাই। ১৯৭২-৭৩ ইউরোপিয়ান কাপ কোয়ার্টার ফাইনালে আয়াক্সের মুখোমুখি হয় বায়ার্ন। ৪-০ তে বিধ্বস্ত হয় ডাই রটেনরা। মায়ার এতটাই হতাশ ছিলেন নিজের পারফর্মেন্সে যে তিনি নিজের জার্সি এবং বুট হোটেলের জানালা দিয়ে পাশের পুকুরে ফেলে দিয়েছিলেন।

     

    কিন্তু ডাই রটেনরা পরের মৌসুমে ইউরোপিয়ান শিরোপা বঞ্চিত হয়নি। যদিও ১৯৭১-৭২ মৌসুমের নিজেদের সেই আক্রমনাত্নক ফুটবলের ধারেকাছেও ছিল না, কিন্তু তারা আয়াক্সের টোটাল ফুটবলের ম্যান মার্কিং সিস্টেমকে ব্যবহার করে খেলা শুরু করে। একের পর এক ম্যাচ জিতে প্রথমবারের মত ফাইনালে ওঠে তারা।    

     

    ফাইনালে উঠে বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের দেখা পায়। দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে সেয়ানে-সেয়ানে লড়াই শেষে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। ১১৪ মিনিটে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের তারকা মিডফিল্ডার লুইস আরাগোনেস অসাধারণ এক ফ্রিকিকে সেপ মায়ারকে বোকা বানিয়ে গোল করেন। বায়ার্নের হাতে সময় ছিল না, তৈরি করতে পারছিল না ভাল কোন গোলের সুযোগ। কিন্তু শেষ বাঁশির ২০ সেকেন্ড বাকি থাকতে সেন্টার ব্যাক শোয়ার্জেনবেক গোলপোস্ট থেকে ৩৫ গজ দূরে বল পাওয়ার সময় ব্রেইটনার পেছন থেকে চেচিয়ে উঠেছিলেন ‘দয়া করে শট নিও না, পাস দাও!’ আর তখন মুলার বক্সের ভেতর থেকে ইশারা করছিলেন ক্রস করার জন্য, কিন্তু কোন কিছু না ভেবে তিনি সোজা শট নিলেন গোলের দিকে। তার দূরপাল্লার জোরালো নিচু শট মিগুয়েল রেইনাকে(পেপে রেইনার বাবা) পরাস্ত করে ‘বায়ার্ন দুজেল’ হাতছানি দিয়ে যায় আবার!

     

     

    টাইব্রেকারের নিয়ম তখনো না থাকায় শিরোপার জন্য রিপ্লে ম্যাচ হয়। দুদিন পর সেই ম্যাচে মুলার আর উলি হোনেসের জোড়া গোলে ৪-০ তে বিধ্বস্ত করে রোজি ব্লাঙ্কোদের। বুন্দেসলিগার প্রথম দল হিসেবে ইউরোপিয়ান কাপ জিতে নিয়ে ইউরোপের সুপার পাওয়ার তকমা লাগানোর পথে যাত্রা শুরু করে বায়ার্ন।

     

    ‘‘আমাদের সাফল্যের কোন রহস্য ছিল না। আমরা ৫-৬ বছর ধরে একইসাথে খেলছিলাম যার কারণে নিজেদের খেলা বোঝার একটা ক্ষমতা ছিল আমাদের মাঝে। আমরা সবাই মিউনিখ বা কাছাকাছি অঞ্চল থেকে এসেছিলাম, একই ধরণের মানসিকতা ধারণ করতাম আর ভালোবাসা ছিল ক্লাবের প্রতি। সাথে নিজেদের পজিশনে বিশ্বসেরা ৩ খেলোয়াড় মায়ার, কাইজার, মুলার।’’ ফ্রাঞ্জ রথ

     

    ইউরোপিয়ান কাপ জেতার পরই ব্রেইটনার রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেন ব্যক্তিগত রাজনৈতিক দর্শনের কারণে। তাঁর শূন্যস্থান পূরণে ব্যর্থ বায়ার্ন ১৯৭৪-৭৫ মৌসুমে লিগে দশম হয়। ফলে খড়গ নেমে আসে ল্যাটেকের ওপর।

     

    ল্যাটেকের স্থান পূরণ করেন ‘ফুটবল প্রফেসর’ খ্যাত ডেটমার ক্রেমার। ম্যাচের আগে সব রকম প্রস্তুতির জন্য পরিচিত ছিলেন। এতটাই সতর্ক ছিলেন যে বলা হয়, বিপক্ষ দলের প্রত্যেকের বুটের মাপও তাঁর জানা ছিল। সাথে প্রতি ম্যাচের আগে বিপক্ষ দলের ফিল্ম ফুটেজ দেখিয়ে দলকে সাহায্য করতেন। তিনি বায়ার্নকে পরিণত করেন একটা কাউন্টার অ্যাটাকিং দল হিসেবে।

     

    কিন্তু ক্লাব প্রেসিডেন্ট উইলহেইম নিউডেকার খেলোয়াড়দের জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে অতিরিক্ত হারে প্রস্ততি ম্যাচ খেলতে শুরু করেন অর্থের কারণে, যার কারণে খেলোয়াড়রা দীর্ঘ মৌসুমে লিগে সম্পূর্ণ অধারাবাহিক দলে পরিণত হয়।

     

    লিগে ব্যর্থ হলেও বায়ার্ন ইউরোপে জেতার অভ্যেস ধরে রেখে ফাইনালে ওঠে আবার। কিন্তু তাদের খেলা যথেষ্ট সমালোচিত হচ্ছিল। প্যারিসের সেই বিতর্কিত ফাইনালে লিডস ইউনাইটেডকে রথ আর মুলারের গোলে হারিয়ে ইউরোপিয়ান কাপ অক্ষুণ্ণ রাখে। কিন্তু ভুল অফসাইড সিদ্ধান্ত দেওয়ার কারণে গোল বঞ্চিত হয় লিডস; সাথে ২ টি নিশ্চিত পেনাল্টির আবেদন নাকচ করেন রেফারি। লিডসের দর্শকরা দাঙ্গা শুরু করেন। ম্যাচে কাইজারের আচরণ ছিল যথেষ্ট বিতর্কিত, ব্যাপক সমালোচিত হন তিনি।  

     

    টানা দ্বিতীয় শিরোপা জিতে নিলেও কোন উৎসব হয়নি। খেলোয়াড়রা হতাশ ছিল নিজেদের খেলায়। মিউনিখে খুব কম সংখ্যক মানুষ তাদের অভ্যর্থনা জানায়।

     

    ফলনির্ভর খেলা অক্ষুণ্ণ রেখে লিগে আবার ব্যর্থ হলেও আবার ইউরোপিয়ান কাপ জিতে নেয় পরের মৌসুমেও। ফাইনালে ফ্রান্সের সেইন্ট এতিয়েন একপেশে খেললেও কোনক্রমে ফ্রাঞ্জ রথের ১ গোলে ম্যাচ জেতে ব্যাভারিয়ানদের স্বর্ণালি প্রজন্ম। রিয়াল মাদ্রিদ এবং আয়াক্সের পর তৃতীয় দল হিসেবে ইউরোপিয়ান কাপের মূল ট্রফি ক্লাবে সারাজীবনের জন্য রাখার রেকর্ড অর্জন করে।  

     

    দলটা এরপর থেকেই ভাঙতে শুরু করে। মুলার আর বেকেনবাওয়ার দল ছাড়েন, মায়ার ও হোনেস অবসর নেন। তাদের দলটা টানা ৩ বছর সমগ্র ইউরোপকে দখল করে নিয়েছিলেন নিজেদের মুঠোয়, কিন্তু তাদের খেলার দর্শন বা স্টাইল কোনটাই দর্শকদের ভালোবাসা কুঁড়াতে পারেনি। ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করলেও সেরাদের কাতারে তাদের অবস্থান অস্পষ্ট ছিল।

     

    অনেক বছর পর তারকা ফরোয়ার্ড হোনেস হতাশা নিয়ে বলেছিলেন, ‘‘আমরা কখনই মাদ্রিদ বা আয়াক্সের কাতারে যেতে পারিনি। কারণ, আমরা শিরোপা জিতেছিলাম সুন্দর ফুটবল না খেলে।’’

     

    বায়ার্ন মিউনিখের ত্রিমুকুট জয়ী এই প্রজন্ম কোন সুন্দর ফুটবলের পাতায় স্থান পাবে না, এটা হয়ত অলিখিত সত্য, কিন্তু ক্লাব ফুটবলের ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী দল হিসেবে তাদের স্থান সেরাদের কাতারেই থাকবেই। 

     


    কীর্তিময় ক্লাবকাহিনীর অন্যান্য পর্বঃ

    "বুসবি বেবস" ও একটি ট্র্যাজেডির গল্প

    রিয়ালের গ্যালাক্টিকো আর অন্তরালের ধ্রুবতারা- পর্ব ১

    রিয়ালের গ্যালাক্টিকো আর অন্তরালের ধ্রুবতারা - পর্ব ২

    রিয়ালের গ্যালাক্টিকো আর অন্তরালের ধ্রুবতারা-পর্ব ৩

    গুটম্যানের বেনফিকা ও একটি অভিশাপের গল্প

    হেরেরার "কাতানেচ্চিও" ও বদলে যাওয়া ইন্টার

    টোটাল ফুটবলের রূপকথা


     

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন