• প্রীতি ম্যাচ
  • " />

     

    • প্রীতি ম্যাচ

    ফুটবলকে বিদায় বললেন ফন পার্সি

    জাতীয় দলকে বিদায় বলেছেন দুই বছর আগে। এই মৌসুম শেষে ফুটবলকে বিদায় বলার ঘোষণাটা আগেই দিয়ে রেখেছিলেন রবিন ফন পার্সি। কাল শেষবারের মতো মাঠে নেমেছিলেন এই সাবেক নেদারল্যান্ডস ফরোয়ার্ড। ফুটবল ক্যারিয়ারের শেষটা অবশ্য ভালো হয়নি তাঁর, ডেন হাগের কাছে ২-০ গোলে হেরেছে তাঁর দল ফেইনুর্দ। বিদায়বেলায় পার্সি বলছেন, সম্মানের সাথে বিদায় নিতে পেরেই তিনি খুশি।

    প্রায় এগারো বছর পার্সি কাটিয়েছেন ইংল্যান্ডে। ২০০৪ সালে যোগ দিয়েছিলেন আর্সেনালে। সেখানে আট বছর কাটালেও জিতেছেন মাত্র একটি ট্রফি। এরপর ২০১২ সালে যোগ দেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। সেখানে নিজের প্রথম মৌসুমেই জেতেন লিগ শিরোপা, ২৬ গোল করে হয়েছিলেন সর্বোচ্চ গোলদাতাও। প্রিমিয়ার লিগে সব মিলিয়ে ২৮০ ম্যাচে করেছেন ১৪৪ গোল। ডাচ ফুটবলারদের মাঝে এটাই প্রিমিয়ার লিগে সেরা।

    জাতীয় দলের হয়েও পার্সি ছিলেন সফল, খেলেছেন তিনটি বিশ্বকাপ। নেদারল্যান্ডসের হয়ে ১০২ ম্যাচে করেছেন ৫২ গোল, যা দেশের হয়ে সর্বোচ্চ। ২০১৪ বিশ্বকাপে গড়েছিলেন এক অনন্য রেকর্ড। ১৯৬৬ সালের পর এক বিশ্বকাপে বাঁ পা, ডান পা, হেড ও পেনাল্টি থেকে গোল করা প্রথম ফুটবলার ছিলেন পার্সিই।

    ২০১৫ সালে ইউনাইটেড থেকে পার্সি আসেন ফেনেরবাচেতে। গত বছর সেখান থেকে ফেইনুর্দে ফেরেন তিনি। এই মৌসুমে করেছেন ১৮ গোল। শেষ ম্যাচে অবশ্য গোল পাননি, দলও হেরেছে ২-০ গোলে। ১৫ তারিখ ফরচুনার বিপক্ষে ম্যাচে খেলবেন না পার্সি। 

    শেষ ম্যাচের পর পার্সি বলছেন, বিদায়ের জন্য আগে থেকেই মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তিনি, ‘ফুটবলই আমার ধ্যানজ্ঞান। তাই সম্মান নিয়েই বিদায় বলতে চেয়েছিলাম। যদি সিদ্ধান্তটা অল্প কিছুদিন আগে নিতাম, তাহলে হয়ত বিদায়টা কঠিন হতো। কিন্তু এই সিদ্ধান্তটা আমি অনেক আগেই নিয়েছি। এতদিন যারা আমার পাশে ছিলেন, সবাইকে ধন্যবাদ। যেসব ক্লাবে খেলেছি, তাদেরকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই।’

     

     

    ২০০১ সালে পার্সির পেশাদার ক্যারিয়ারের শুরুটা হয়েছিল ফেইনুর্দে। ১৮ বছর পর এখানেই ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন তিনি।