• ক্রিকেট, অন্যান্য
  • " />

     

    কাইসের লেগ স্পিনের কাছে হেরে গেলেন বিজয়রা

    বাংলাদেশ এ ২৫৩ ও ১৭৫

    আফগানিস্তান এ ২৫৭ ও ১৭৩/৩

    ফলঃ আফগানিস্তান এ ৭ উইকেটে জয়ী

    ম্যাচসেরা: কাইস আহমাদ


    খুলনায় প্রথম তিন দিন ম্যাচটা জমে উঠেছিল দারুণ। আফগানিস্তান আর বাংলাদেশ এ দলের ম্যাচে শেষ দিনে অবশ্য তেমন একটা লড়াই করতে পারল না বাংলাদেশ। আফগানিস্তান এ দলকে দেওয়া ১৭২ রানের লক্ষ্য পেরিয়ে গেছে ৭ উইকেট হাতে রেখেই, হার দিয়েই তাই সিরিজ শুরু করেছেন ইমরুলরা।

    সেই হারটাও হয়েছে আসলে একজন লেগ স্পিনারের কাছে। কাইস আহমাদ এই বছরেই বিপিএলে খেলে গেছেন রাজশাহী কিংসের হয়ে, খুব বেশি সুবিধা করতে পারেননি যদিও। এবার বাংলাদেশে ফিরে প্রথম ইনিংসে নিয়েছিলেন তিন উইকেট, আর পরের ইনিংসে সাতটি। দ্বিতীয় ইনিংসে তাতেই গুড়িয়ে গেছে বাংলাদেশ এ, ম্যাচের ভাগ্যও অনেকটা ঠিক হয়ে গেছে সেখানে।

    জাতীয় দলের বেশ কয়েকজনকে নিয়েই এই ম্যাচ খেলতে নেমেছিল বাংলাদেশ এ। প্রথম ইনিংসে এনামুল হক বিজয় করেছিলেন সেঞ্চুরি, তার ১২১ রানের ইনিংসে আড়াইশ পেরিয়েছে বাংলাদেশ এ। আর বলার মতো অবদান রেখেছিলেন আফিফ হোসেন (৫০) ও সম্ভাবনাময় তরুণ ওপেনার নাঈম শেখ (৪৯)। ইয়ামিন আহমাদ জাই ও কাইস পেয়েছিলেন তিনটি করে উইকেট, আর নাভিনুল মুরাদ দুইটি।

    ব্যাট হাতেও আফগানিস্তান এ দলের হয়ে কাইস আহমেদই জ্বলে উঠেছেন প্রথম ইনিংসে। বাংলাদেশ এ দলের বোলাররা নিয়মিত উইকেট নিয়েছেন, আফগানদের প্রথম কোনো জুটিও গড়তে দেননি। আফগানিস্তানের কেউ সেঞ্চুরি দূরে থাক, পাননি ফিফটিও। কিন্ত ৩০ থেকে ৫০ রানের ভেতর করেছেন পাঁচজন, এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৪৬ করেছেন কাইস। আর তাতেই প্রথম ইনিংসে ৪ রানের লিড পেয়েছে আফগানিস্তান।

    কিন্তু তৃতীয় দিনে এসে আবার ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ এ। প্রথম ইনিংসে শুন্য রানের পর এবার ইমরুল ৩৪ রান করেছেন, কিন্তু নাঈম শেখ, জাকির হাসান, রকিবুল হাসানদের কেউ দুই অংক ছুঁতে পারেননি। পাঁচে নেমে বিজয় করেছেন ২৩, এরপর আফিফ করেছেন ৪১। আর তাতেই শেষ পর্যন্ত ১৭৫ রানে অলআউট হয়ে গেছে বাংলাদেশ এ, ৭ উইকেট নিয়ে কাইসই দিয়েছেন আসল ছোবল।

    শেষ দিনে ১৭২ রানের লক্ষ্যও খুব সহজ হওয়ার কথা নয়। ২ রানে উসমান গনিকে ফিরিয়ে আশাও জাগিয়েছিলেন সালাউদ্দিন শাকিল। এরপর ৪৩ রানে ফিরিয়ে বহির মাহবুবকেও ফিরিয়েছেন শাকিল। এরপর ৭১ রানে সানজামুল ফেরান শহীদ কামালকে। কিন্তু ইব্রাহীম জাজাই ও নাসির জামাল এরপর কোনো বিপদ হতে দেননি। দুজনের ১০২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতেই জয় পেয়ে যায় আফগানিস্তান।