• ক্রিকেট, অন্যান্য
  • " />

     

    • ক্রিকেট, অন্যান্য

    বিদেশের সিরিজে স্ত্রীর সাথে দেখা করতে লাগবে কোহলি-শাস্ত্রীর অনুমতি

    দেশের বাইরের সফরে হরহামেশাই ভারতীয় ক্রিকেটারদের সাথে দেখা যায় তাদের স্ত্রী ও বান্ধবীদের।কোন ক্রিকেটার নিজের পরিবারের সাথে কখন দেখা করতে পারবেন, সেটা এতদিন নির্ধারণ করতো বিসিসিআই। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ-১৮ বলছে, বিশ্বকাপের আগে বিসিসিআইয়ের পরিচালনা কমিটির এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, সফরের সময় ক্রিকেটারদের স্ত্রী কিংবা বান্ধবীদের সাথে দেখা করার বিষয়টা বোর্ডের পাশাপাশি দেখবেন দলের অধিনায়ক ও হেড কোচও।

    ২০১৪ সালে ইংল্যান্ড সফরের সময় ৩-১ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ হেরেছিল ভারত। ওই সফরে বান্ধবী আনুশকা শর্মা বিরাট কোহলির সাথে ছিলেন। বিসিসিআইয়ের এমন অনুমতি নিয়ে উঠেছিল অনেক বিতর্ক। ওই সিরিজ হারের পরেই স্ত্রী ও বান্ধবীদের সাথে ভারতীয় ক্রিকেটারদের সফরে যাওয়া ও দেখা করার বিষয়টা নিয়ন্ত্রণে আনে বোর্ড। এই ব্যাপারে তারা ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াকে আদর্শ মেনেছে, যেখানে স্ত্রী ও বান্ধবীদের সাথে নির্ধারিত কিছু সময়ের জন্য দেখা করার অনুমতি দেওয়া হয় ক্রিকেটারদের। 

    বিশ্বকাপের আগে ২১ মে বৈঠকে বসে বিসিসিআইয়ের পরিচালনা কমিটি। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, সামনের দিনগুলোতে বিদেশের সফরে পরিবার ও বান্ধবী আনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দিতে পারবেন কোচ ও অধিনায়ক, ‘নির্ধারিত সময়ের বাইরে ক্রিকেটারদের সাথে স্ত্রী ও বান্ধবীদের দেখা করার ব্যাপারে ম্যানেজমেন্ট কিংবা দলের কোচ ও অধিনায়কের সাথে কথা বলে নিতে হবে। আগে এই ব্যাপারটা শুধু ম্যানেজমেন্টই দেখতো। এটাও বলা দরকার, ক্রিকেটীয়ো ও অ-ক্রিকেটীয়ো ব্যাপারকে আলাদা করে রাখতে চায় বিসিসিআই।’ 

    এদিকে পরিচালনা কমিটি বিশ্বকাপের সময় একজন ক্রিকেটারের স্ত্রীকে সাথে নেওয়ার আবেদন প্রত্যাখ্যানও করেছিল, নিউজ-১৮ এর রিপোর্টে বলা হয়েছে এমনটাই, ‘দলের একজন ক্রিকেটার বিশ্বকাপে তার স্ত্রীকে নির্ধারিত সময়ের আগেই নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। ওই ক্রিকেটারের সাথে আলোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, তার স্ত্রীকে বিশ্বকাপে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে না।’ বিশ্বকাপে পুরোটা সময়জুড়েই কোহলি, রোহিত ও ধোনির স্ত্রী তাদের সাথে ছিলেন।

    এদিকে বিসিসিআইয়ের এই নতুন নিয়মে কিছুটা অবাক হয়েছে বোর্ডের সাবেক প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা রত্নাকর শেঠি, ‘বিদেশের সফরে বিসিসিআই সবসময়ই ক্রিকেটারদের স্ত্রী ও বান্ধবীদের সাথে সময় কাটানোর সুযোগ দেয়। এটা করা হয় যেন সিরিজের সময় ক্রিকেটারদের মনোযোগ সরে না যায়। আর এসব ব্যাপারে সবসময় বোর্ডই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন এটা বদলানোর কোন কারণ দেখছি না। সব দেশের বোর্ডেই এরকম কিছু নিয়ম আছে। এখানে অধিনায়কের সাথে আলোচনার কোন সুযোগ নেই। এসব নিয়মের আসলে কোন ভিত্তি নেই কারণ সেটা সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়। যতদিন কমিটিতে নির্বাচিত সদস্যরা না আসেন, ততদিন এই নিয়মটা চলবে বলেই মনে করছি।’