• বাংলাদেশ-আফগানিস্তান-জিম্বাবুয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ
  • " />

     

    '৬০-৭০ শতাংশ ফিট' থেকেও ফাইনালের জন্য প্রস্তুত ছিলেন রশিদ খান

    '৬০-৭০ শতাংশ ফিট' থেকেও ফাইনাল খেলার জন্য প্রস্তুত ছিলেন আফগানিস্তান অধিনায়ক রশিদ খান। অধিনায়ক হিসেবে খেলতে না পারাটা তার জন্য ‘গ্লানির ব্যাপার’ হতো বলেও মনে করেন তিনি। মিরপুরে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় ট্রফি ভাগাভাগি করেছে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান। 

    চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে ফিল্ডিংয়ের সময় হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পেয়েছিলেন রশিদ। সে সময় উঠে গেলেও পরে ফিরে করেছিলেন বোলিং, যেটি তার চোটের অবস্থা করেছিল আরও বাজে। ফাইনালের আগেরদিনও নিশ্চিত ছিলেন না, খেলার জন্য ফিট হবেন কিনা। তবে বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া মিরপুরের ফাইনালে খেলার জন্য প্রস্তুত ছিলেন তিনি। 

    “না খেলতে পারাটা খুবই গ্লানির ব্যাপার হতো অধিনায়ক হিসেবে। ফিজিওকে ধন্যবাদ, সে অনেক কাজ করেছে। গত দুইদিনে তার সঙ্গে অনেক সময় কাটিয়েছি। আমার এর আগেও তিনবার এমন চোট হয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে ফাইনালের মতো ম্যাচে খেলে আপনি দলকে জেতাতে চাইবেন। আমি প্রস্তুত ছিলাম পুরোপুরি”, বলছেন রশিদ। 

     

     

    অবশ্য খেলার জন্য পুরো ফিট ছিলেন না তিনি, “৬০-৭০ শতাংশ ফিট ছিলাম, তবে সেটা আমার বোলিংয়ের জন্য যথেষ্ট। হয়তো ফিল্ডিংয়ে দৌড়াদৌড়ি করতাম না খুব একটা, কর্নারে থেকে করতাম। চার ওভার বোলিং করতে হতো শুধু আমাকে।”

    এর আগে রশিদ বলেছিলেন, দেশের জন্য খেলতে এসব চোটকে পরোয়া করেন না তারা, “আমার মনে হয়, (জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ফিরে এসে) বোলিং করা উচিত হয়নি। তবে দলের জন্য আপনাকে এগিয়ে যেতে হবে। বিশেষ করে, আমরা যে দেশ থেকে এসেছি, আমরা নিজেদের দিকে তাকাই না। দেশের প্রয়োজনে এক হাত নিয়েও আমরা এগিয়ে যাব।” আর আজ বলেছেন, শুধু ক্রিকেট নয়, যে কোনও পেশাতেই আফগানরা যে কোনও পরিস্থিতে শতভাগের চেয়েও বেশি দিতে প্রস্তুত থাকেন। 

    বিশ্বকাপের আগে জাতীয় দলে শুধু টি-টোয়েন্টির নেতৃত্ব পেয়েছিলেন রশিদ খান, তিন ফরম্যাটে তিনজনকে অধিনায়ক করেছিল আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। বিশ্বকাপে গুলবাদিন নাইবের নেতৃত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার পর তিন ফরম্যাটেই নতুন অধিনায়ক করা হয়েছে রশিদকে। প্রথম সফরে এসে রশিদ অধিনায়ক হিসেবে পেয়েছেন বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্টে ঐতিহাসিক জয়। এরপর টি-টোয়েন্টি সিরিজেও দাপুটে শুরুর পর ফাইনালে এসেছিল তারা।