• বাংলাদেশের ভারত সফর
  • " />

     

    দিল্লীর বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ পেছাতে সৌরভের কাছে পরিবেশবাদীদের খোলা চিঠি

    ভারত-বাংলাদেশ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি হবে দিল্লীর ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়ামে। দিল্লীর বাতাসের দূষণের কারণে এই ম্যাচ হওয়া নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন। ম্যাচের মাত্র চারদিন আগে দিল্লীর পরিবেশবাদীরা বিসিসিআই প্রধান সৌরভ গাঙ্গুলির শরণাপন্ন হলেন। এক খোলা চিঠিতে সৌরভের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে, ক্রিকেটার ও সমর্থকদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে যেন তিনি ম্যাচটির ভেন্যু বদলে দেন। 


    আরও পড়ুনঃ দিল্লীর বায়ুদূষণে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ নিয়ে সংশয়


    ভারতের পরিবেশ নিয়ে কাজ করা দুটি বড় এনজিও হচ্ছে ‘কেয়ার ফর এয়ার’ ও ‘মাই রাইট টু ব্রিদ’। দুই এনজিওই দিল্লীর বায়ুদূষণ নিয়ে বহু বছর ধরে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আগামী ৩ নভেম্বর দিল্লীতে হবে বাংলাদেশ-ভারত প্রথম টি-টোয়েন্টি। তবে দিল্লীর বায়ুদূষণের মাত্রা গত কয়েক দিনে অনেক বেশি। দীপাবলির পর সেটা বেড়ে যাওয়ার আশংকা তো আছেই। ২০১৭ সালে দিল্লীতে ভারত-শ্রীলংকা ম্যাচে বায়ুদূষণের জন্য মাস্ক পরে খেলতে বাধ্য হয়েছিলেন লংকান ক্রিকেটাররা। 

    দুই বছর আগে দিল্লীতে খেলতে এসে মাস্ক পরতে হয়েছিল শ্রীলংকান ক্রিকেটারদের 

     

    ‘কেয়ার ফর এয়ার’ এর প্রধান জয়তি পান্ডে ও ‘মাই রাইট টু ব্রিদ’ এর প্রধান রাভিনা রাজ কোহলি এই ম্যাচ অন্য কোথাও সরিয়ে নেওয়ার জন্য আহবান জানিয়েছেন।। দুইজনই নিজ নিজ এনজিওর পক্ষ থেকে সৌরভকে চিঠি লিখেছেন। জয়তি ও রাভিনা নিজেদের চিঠিতে লিখেছেন, দিল্লীর দুষিত বায়ু শুধু ক্রিকেটার নয়, সমর্থকদের জন্যও ক্ষতির কারণ হতে পারে, '৩ নভেম্বর দিল্লীতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-ভারত। এমন একটা সময়ে এই ম্যাচ হবে যখন দিল্লীর বায়ুদূষণের মাত্রা চরমে পৌঁছে যাবে। পরিবেশের এমন অবস্থার কথা মাথায় রেখে আমরা আপনাকে (সৌরভ গাঙ্গুলি) অনুরোধ করছি ম্যাচটা যেন এই ভেন্যু থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। ৩-৪ ঘণ্টা এই বিষাক্ত বায়ুর মাঠে খেললে আমাদের ক্রিকেটাদের স্বাস্থ্যের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হবে। ম্যাচ দেখতে আসা দর্শকও নিরাপদ থাকবেন না।’  

    ভবিষ্যতে ভারতের কোনো ভেন্যুতে আন্তর্জাতিক কিংবা ঘরোয়া ম্যাচ আয়োজনের আগে পরিবেশ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে সূচি ঠিক করার আহবান জানিয়েছেন জয়তি ও রাভিনা, ‘আমরা চাই ভারতের যেকোনো জায়গায় ঘরোয়া কিংবা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করার আগে সেখানকার বায়ুতে দূষণের মাত্রা পরীক্ষা করে নেওয়া হোক।’