• জাতীয় ক্রিকেট লিগ
  • " />

     

    আরিফুল-তানভীরে অবনমন আটকানোর লড়াই রংপুরের

    ১ম স্তর, রাজশাহী 
    রংপুর ১ম ইনিংস ২৭৪ অল-আউট (শুভ ১০৫, আরিফুল ৫৭, দেলোয়ার ৪/৫৯, মোহর ৩/৫৩) ও ২য় ইন ইংস ২২৮/৬* (তানভীর ৭২*, দেলোয়ার ৪/৭৩)
    রাজশাহী ১ম ইনিংস ২৫৪ অল-আউট (ফরহাদ ৭৫, অভিষেক ৬৭, আরিফুল ৬/৪১) 


    ঢাকা-খুলনার লড়াইটা যখন শিরোপার, রংপুর-রাজশাহীর লড়াই সেখানে অবনমন আটকানোর। আশঙ্কাটা শেষ রাউন্ড শুরুর আগে বেশি ছিল রংপুরেরই, টেবিলে সবার শেষে থেকে, তিনে থাকা রাজশাহীর সঙ্গে ৫.৩৯ পয়েন্ট ব্যবধান নিয়ে এ রাউন্ড শুরু করেছিল তারা। শেষ রাউন্ডের তৃতীয় দিন শেষে অবশ্য অবনমন আটকানোর ভাল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তাদের। আরিফুল হকের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের সঙ্গে তানভীর হায়দারের অপরাজিত ৭২ রানের ইনিংসে তারা এগিয়ে ২৪৮ রানে, বাকি আছে ৪ উইকেট। 

    ৫ উইকেটে ২২৪ রান নিয়ে দিন শুরু করা রাজশাহী এদিন যোগ করেছে আর মাত্র ৩০ রান, আরিফুলের বোলিং তোপে। দিনের শুরুতেই সাজিদুল ইসলামের বলে সাব্বির রহমান আউট হওয়ার পর দেলোয়ার হোসেনের ১৯ রান ছাড়া কেউই আর ছুঁতে পারেননি দুই অঙ্ক। আগেরদিন ৩ উইকেট নেওয়া আরিফুল এদিন আরও ৩টি উইকেট নিয়ে বোলিং শেষ করেছেন ৪১ রানে ৬ উইকেট নিয়ে। 

    ব্যাটিংয়ে নেমে রংপুর প্রথম বলেই হারিয়ে ফেলেছে মেহেদি মারুফকে। এই ওপেনারের মৌসুমটা শেষ হলো তাই হতাশা দিয়েই। ২য় উইকেটে জাহিদ জাভেদ ও সোহরাওয়ার্দি শুভ মিলে যোগ করেছেন ৪৮ রান। এরপর ৩৩ রানে ৩ উইকেট হারানো রংপুরকে টেনেছেন তানভীর হায়দার- নাসিরের সঙ্গে ৪০ রানের পর আরিফুলের সঙ্গে ৮৫ রানের জুটিতে। ৪৮ রান করে আরিফুল বোল্ড হয়েছেন দেলোয়ারের বলে। এই পেসার এখন পর্যন্ত ৪ উইকেট নিয়েছেন ৭৩ রানে। 

    দিনশেষে তানভীরের সঙ্গী ৯ বলে ২ ছয়ে ১৮ রান করা রিশাদ হোসেন।