• সিরি আ
  • " />
    X
    GO11IPL2020

     

    ২৭৯৯ দিন পর মিলানের একাদশে ফিরেই গোল করলেন ইব্রাহিমোভিচ

    এসি মিলানের হয়ে সবশেষ শুরুর একাদশে ছিলেন ২০১২ এর মে মাসে। ২৭৯৯ দিন পেরিয়ে গেছে, মিলান ছেড়ে আরও তিন ক্লাব ঘুরে আবার মিলানে ফিরেছেন ৩৮ বছর বয়সী ইব্রাহিমোভিচ। ফিরেই গোল করে দলের জয়ে অবদান রেখেছেন। খেলেছেনও পুরো ম্যাচ। তাতে সিরি আ-তে মিলান জয় পেয়েছে তিন ম্যাচ পর। ইব্রাহিমোভিচের ফেরার দিনে ক্যালিয়ারির বিপক্ষে মিলান জিতেছে ২-০ গোলে।



    ঘরের মাঠে সাম্পাদোরিয়ার বিপক্ষে মিলানের জার্সিতে দ্বিতীয় অভিষেকটা হয়ে গিয়েছিল ইব্রাহিমোভিচের। আগের সপ্তাহে সে ম্যাচে বদলি হয়ে মাঠে নেমেছিলেন সুইডিশ স্ট্রাইকার। তবে ম্যাচের ভাগ্য ঘোরাতে পারেননি তিনি। ক্যালিয়ারির বিপক্ষেও প্রথমার্ধে গোলশূন্য ছিল মিলান। বিরতির পর খেলা শুরুর কয়েক সেকেন্ডের ভেতর রাফায়েল লেয়াও গোল করে এগিয়ে নেন দলকে। লেয়াও ওই গোলে অবশ্য ইব্রাহিমোভিচের একটি রেকর্ড ছিনিয়ে নিয়েছেন। মিলানের হয়ে দ্বিতীয়ার্ধে দ্রুত সময়ে গোলের রেকর্ডটি এতোদিন ছিল ইব্রাহিমোভিচের কাছে (২০১২ সালে ইন্টারের বিপক্ষে)।

    এর পর ৬৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ইব্রাহিমোভিচ। থিও হার্নান্দেজের পাস বক্সের ভেতর পেয়ে ইব্রাহিমোভিচ বাম পায়ে সরাসরি গোলেই শট করেছিলেন। ওই নিচু শটেই পুরনো ক্লাবে নতুন করে ফিরে পেয়ে যান প্রথম গোল। ইব্রাহিমোভিচ পেশাদার ক্যারিয়ারের প্রথম গোল করেছিলেন ১৯৯৯ সালের অক্টোবর মাসে। নব্বইয়ের দশক, একুশ শতকের প্রথম, দ্বিতীয় হয়ে তৃতীয় দশকে এসেও গোল করলেন ইব্রাহিমোভিচ। চার দশকে গোল করা হাতে গোণা অল্প কিছু ফুটবলারের ভেতরও ঢুকে গেছেন তিনি।  

    ওই গোলেই মিলানের সবচেয়ে বেশি বয়সী পঞ্চম ফুটবলার হয়ে গেছেন ইব্রাহিমোভিচ। ৩৮ বছর ১০০ দিন বয়সে গোল করেছেন তিনি, ৪১ বছর ২৫ দিনে গোল করে রেকর্ডটি এখনও কস্তাকুর্তার হাতে। ইব্রাহিমোভিচ এখন সেই রেকর্ডে ভাগ বসাতে চাইলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না! 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন