• বঙ্গবন্ধু বিপিএল
  • " />

     

    ম্যাচ ফি বৃদ্ধি ও প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোতে টেস্টের দৃশ্যপট বদলের আশা মাশরাফি-মাহমুদউল্লাহর

    জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি বৃদ্ধি ও প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা ও মাহমুদউল্লাহ। বিসিবির বোর্ড মিটিংয়ের পর ম্যাচ-ফিতে বেশ একটা পরিবর্তন এসেছে, পরিবর্তন আসতে পারে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা ক্রিকেটারদের বেতন কাঠামোতেও। তাদের মতে, টেস্ট ক্রিকেটের দৃশ্যপটটা বদলে যেতে পারে এতে। 

    বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট খেলা একজন ক্রিকেটার এখন থেকে প্রতিটি ম্যাচের জন্য পাবেন ৬ লাখ টাকা, আগে যেটি ছিল ৩ লাখ ৫০ হাজার। একইভাবে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে যথাক্রমে ২ লাখ ও ১ লাখ ২৫ হাজার থেকে বেড়ে ম্যাচ ফি হচ্ছে ৩ লাখ ও ২ লাখ। 

    মাহমুদউল্লাহ বলছেন, টেস্টের ম্যাচ ফি বাড়ানোর ফলে আরও উৎসাহী হবেন তারা, “আমি মনে করি খুবই ইতিবাচক দিক। বোর্ডকেও ধন্যবাদ। অবশ্যই টেস্টের আগ্রহ আরও বাড়বে। আগে ছিল না, তা নয়। তবে দিনের শেষে এটাই রুটি-রুজি। এখান থেকেই পারিশ্রমিক পাই। ছেলেরা আরও উৎসাহী হবে।” 

    গত অক্টোবরে ১১ দফা ও পরে যোগ করা আরও ২ দফা দাবিতে আন্দোলনে নেমেছিলেন দেশের ক্রিকেটাররা। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ি বিসিবি এর আগেই জাতীয় লিগের ম্যাচ ফি বাড়িয়েছিল। মাহমুদউল্লাহ বলছেন, তাদের দাবির প্রেক্ষিতে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, যেটি “ক্রিকেট-ক্রিকেটারদের জন্য ভাল”। 

    আর ম্যাচ ফি বাড়ানোকে খুব ভাল সিদ্ধান্ত বলে মাশরাফি প্রশংসা করছেন প্রস্তাবিত বেতন কাঠামোর, “খুব ভালো সিদ্ধান্ত। এর থেকে ভালো সিদ্ধান্ত হয়েছে যে ভাগটা (বেতন কাঠামো) করা। আমার মনে হয় এটা খুব ভালো সিদ্ধান্ত।”

    প্রস্তাব অনুযায়ী, লাল বল ও সাদা বলের ফরম্যাটের জন্য আলাদা স্কেল রাখতে পারে বিসিবি। মাশরাফি বলছেন, “ যারা তিন ফরম্যাটের জন্য প্রস্তুত থাকবে তাদের বেতন বেশি হবে। এমনকি যারা টেস্ট ক্রিকেটকে বেশি প্রাধান্য দেয় তাদের বেতন বেশি হওয়া উচিত। তাহলে হয়তোবা টেস্ট ক্রিকেটের দৃশ্যপট পরিবর্তন হতে পারে। অবশ্যই বিসিবি খুব সুন্দর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ আমরা শুনি যে টেস্ট খেলতে চায় না… বেতনের ভেতরে থাকলে ওই স্পৃহাটা আসবে যে আমি শুধু টেস্ট খেলবো, অন্য সবার থেকে বেশি বেতন পাবো। এটা খুব ভালো সিদ্ধান্ত ভাগাভাগি হচ্ছে।”

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন