• ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ২০১৯-২০
  • " />

     

    ওয়ার্ক-আউট, কমেডি শো দেখা : ঘরবন্দী থাকার দিনে ক্রিকেটারদের বিসিবির গাইডলাইন

    ঘরে বসেই নিজেদের ‘জিম’ বানিয়ে নিয়েছেন মুশফিকুর রহিম, সৌম্য সরকাররা, ইকুইপমেন্ট থাক বা না থাক। এমনিতে এ সময় তাদের থাকার কথা খেলার মাঝেই। তবে করোনাভাইরাস মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়ার পর আপাতত গৃহবন্দী অবস্থা ছাড়া উপায় নেই। ক্রিকেটারদের এমন ঘরে বন্দী থাকার দিনগুলিতে শারীরিক ও মানসিক ফিটনেসের জন্য আলাদা করে গাইডলাইন তৈরি করেছে বিসিবি, যা সরবরাহ করা হয়েছে ক্রিকেটারদের। 

    কভিড-১৯ থেকে নিজেদের বাঁচিয়ে রাখার গাইডলাইনের সঙ্গে এতে আছে ফিজিক্যাল ট্রেনিংয়ের তালিকা। আছে খাদ্যতালিকা, বই পড়া, মেডিটেশনের পরামর্শ। সোশ্যাল মিডিয়া এড়িয়ে যাওয়ার সঙ্গে ‘ডিভাইস’ ব্যবহার সীমিত করতে বলা হয়েছে, পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ‘কমেডি শো’ দেখতে। 

    “লকডাউন বা আইসোলেশনের পরিস্থিতিতে বিসিবি ক্রিকেটারদের ফিট রাখতে পরিকর, সে লক্ষ্যেই বেসিক লেভেলের এক গাইডলাইন প্রস্তুত করা হয়েছে ফিটনেস এবং মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে”, এক অফিশিয়াল ইমেইলে বলেছে বিসিবি। 

    “মাঠে ফিরলে ক্রিকেটাররা যেসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে, সে ব্যাপারে বিসিবি সচেতন। এটিকে প্রাধান্য দিতেই এ গাইডলাইন প্রস্তুত করা হয়েছে। বিসিবির হেড অফ ফিজিক্যাল পারফরম্যান্স নিক লির দেওয়া এ নির্দেশনা মানা খুবই সহজ, এমনকি কারও কাছে ফিটনেস সামগ্রী বা জিম না থাকলেও। জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের বিশেষায়িত প্রোগ্রাম দেওয়া হয়েছে। সব ক্রিকেটারের জন্য দিন ধরে ধরে ওয়ার্ক-আউটের গাইডলাইন বিসিবির ডিজিটাল প্লাটফর্মে পাওয়া যাবে। 

    “দীর্ঘদিন ধরে বিরতিতে থাকার পর ক্রিকেটে ফিরলে চোটের ঝুঁকি বাড়ে, এ কারণেই বিসিবি আশা করে ক্রিকেটাররা এই পদক্ষেপের সেরাটা গ্রহণ করবে।” 

    এছাড়া ঘরে থাকাকালীন সময়ে মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারে আলাদা গাইডলাইন দিয়েছে বিসিবি। সেখানে নতুন রুটিন তৈরি করতে বলা হয়েছে। সঙ্গে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলা, মেডিটেশন, প্রার্থনা করা, বই পড়া, সীমিত পরিসরে সিনেমা-নাটক-সিরিয়াল দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মন ভাল রাখতে বেশি করে কমেডি শো দেখার কথা বলা হয়েছে। 

    পরীক্ষিত মাধ্যম ছাড়া আতঙ্ক সৃষ্টি করে এমন খবর থেকেও নিজেদের দূরে সরিয়ে রাখতে বলেছে বিসিবি।