• ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ ২০১৯-২০
  • " />

     

    ক্রিকেটকে বিদায় বলছেন মোহাম্মদ শরিফ

    ক্রিকেটের সব ধরনের ফরম্যাট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন প্রথম শ্রেণিতে বাংলাদেশ পেসার হিসেবে সবচেয়ে উইকেট নেওয়া মোহাম্মদ শরিফ। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ আবারও শুরু হলে অন্তত একটি ম্যাচ খেলে বিদায় নেওয়ার ইচ্ছা তার, নাহলে শেষ ম্যাচটা খেলে ফেলেছেন তিনি। 

    ২০১৮ সালে জাতীয় লিগে শেষ প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছিলেন, চোটের কারণে খেলতে পারেননি শেষ মৌসুমে। লিস্ট ‘এ’ শেষ খেলেছিলেন গত মৌসুমে। প্রথম শ্রেণিতে তিনি থামলেন ৩৯৩ উইকেট নিয়েই, ৪০০ উইকেটের মাইলফলকটার আক্ষেপ থেকে গেল তাই তার। অনলাইন পত্রিকা বিডিনিউজটোয়েন্টিফরডটকমকে তিনি বলেছেন, “৪০০ উইকেট না হওয়ার আক্ষেপ নিয়েই যেতে হচ্ছে। চোট খুব ভোগাচ্ছে। গত এক বছরে সেভাবে প্রথম খেলতে পারিনি। সামনেও খেলা কঠিন। সব মিলিয়েই ভাবছিলাম অবসরের কথা।”

     


    ২০০০-০১ মৌসুমে প্রথম শ্রেণিতে অভিষেক হয়েছিল তার। ২০০১ সালের এপ্রিলে বুলাওয়েতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক হয়ে গিয়েছিল টেস্টেও। ১৫ বছর ১২৮ দিন বয়সে টেস্ট খেলতে নেমেছিলেন তিনি, পেসার হিসেবে তার চেয়ে কম বয়সে অভিষেক হয়নি আর কারও। সব মিলিয়ে তার কমবয়সে টেস্ট খেলতে নামা ক্রিকেটারই ইতিহাসে আছেন আর ২ জন। 

    তবে প্রায় ৬ বছরের বেশি সময়ে ১০টি টেস্টের বেশি খেলা হয়নি তার। এ সময়ে ওয়ানডে খেলেছেন ৯টি। চোট ভুগিয়েছে তাকেও। দারুণ সম্ভাবনা নিয়ে এলেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শরিফ আলো ছড়াতে পারেননি তেমন তাই। ২০০৭ সালের পর খেলতে গিয়েছিলেন আইসিএলে, আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার থমকে গেছে তখন। এরপর আইসিএলকে বিদায় বলে আবার ফিরে এসে খেলেছেন ঘরোয়া ক্রিকেট। 

    ঘরোয়া ক্রিকেটে আলো ছড়িয়েছেন নিয়মিতই। প্রথম শ্রেণিতে বাংলাদেশ পেসারদের সর্বোচ্চ উইকেটের সঙ্গে লিস্ট ‘এ’-তে এখন পর্যন্ত ১১৯ ম্যাচে ১৮৫টি উইকেট আছে তার। জাতীয় লিগে নিজ দল ঢাকা বিভাগকে নেতৃত্বও দিয়েছেন তিনি। 

    প্রথম শ্রেণি ও লিস্ট ‘এ’- দুই ফরম্যাটেই হ্যাটট্রিক আছে তার। ২০১১-১২ মৌসুমে বরিশালের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের পর ২০১৬ ও ২০১৭-১৮ মৌসুমে হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি যথাক্রমে গাজী গ্রুপ ও লিজেন্ডস অফ রূপগঞ্জের হয়ে। পরের হ্যাটট্রিকটি আবার ছিল আগেরবার তার দল গাজীর বিপক্ষেই। 

    ব্যাটিংয়েও ছিলেন দারুণ কার্যকর। প্রথম শ্রেণিতে ৩২২২ রানের সঙ্গে লিস্ট ‘এ’-তে আছে ১০২৯ রান। 

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন