• ক্রিকেট, অন্যান্য
  • " />

     

    ভারত থেকে সরে যেতে পারে ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

    ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার হুমকি দিয়েছে আইসিসি। বেশ কয়েকবার সময়সীমা দেওয়ার পরও ভারত সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে কর অব্যাহতির বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্তে আসতে না পারায় বিসিসিআইকে এমন সতর্কতা দিয়েছে আইসিসি।

    ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় ভারত কর অব্যাহতির বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে না পারায় প্রায় ২০ থেকে ৩০ মিলিয়ন ডলার লোকসান হয়েছিল আইসিসির। তাই ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকেই ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কর অব্যাহতি নিয়ে কাজ শুরু করতে তাগাদা দিচ্ছিল আইসিসি। কারণ যদি এবারও কর অব্যাহতি না পাওয়া যায়, তাহলে আইসিসির চূড়ান্ত ক্ষতির পরিমাণ ছাড়িয়ে যেতে পারে ১০০ মিলিয়ন ডলার।


    আর তাই ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মাঝে এই বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসার জন্য বিসিসিআইকে নির্দেশ দেয় আইসিসি। তবে বিসিসিআই যথাসময়ে কাজ সম্পন্ন করতে না পারায় দুবার সময়সীমা বাড়ানো হয়। প্রথমে ১৭ এপ্রিল এবং শেষ ১৮ মে পর্যন্ত দিনক্ষণ বর্ধিত করা হলেও বিসিসিআই এখনও বিষয়টির সমাধান করেনি। বরং করোনাভাইরাসের কারণে ভারতে আরোপিত লকডাউনের অজুহাত দেখিয়ে আইসিসির কাছে টুর্নামেন্ট আয়োজনের চুক্তিতে ‘ফোর্স মেজিউর’ নামের একটি ধারা যোগ করতে অনুরোধ করেছে বিসিসিআই। অনিবার্য কারণে কোনও চুক্তির নির্দিষ্ট কোনও বিষয় বাস্তবায়ন না করা গেলে সেটিকে ‘ফোর্স মেজিউর’ বলা হয়। তবে বিসিসিআইয়ের এমন আবেদন সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে আইসিসি।

    আইসিসির মতে, দীর্ঘ সময় দেওয়ার পরও বিসিসিআই এক্ষেত্রে কোনও কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়নি। তাই আইসিসি বিসিসিআইয়ের কাছে সরকারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার প্রমাণ দেখতে চেয়েছে। এর জবাবে বিসিসিআই ভারত সরকারের কাছে বিষয়টি নিয়ে সংস্থাটির পাঠানো ৬ টি চিঠির কপি আইসিসির কাছে জমা দিয়েছে, যার মাঝে ৪ টি ২০১৮ সালে এবং ২ টি ২০১৯ সালে সরকারের কাছে পাঠিয়েছিল আইসিসি।

    যদিও সংশ্লিষ্টদের ধারণা, আইসিসির সম্প্রচার পার্টনার স্টারের সঙ্গে চুক্তিতে ভারতে দুটি বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনের কথা রয়েছে। আর তাই শেষ পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে দ্বন্দ্ব আরও ঘনীভূত হলেও ২০২১ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারতেই আয়োজিত হবে।

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন