• ক্রিকেট, অন্যান্য
  • " />

     

    বর্ণবাদ নিয়ে আইসিসির নীরবতায় প্রশ্ন তুললেন স্যামি, প্রতিবাদ গেইল-সাঙ্গাকারাদের

    জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে এর মধ্যেই, হাঁটু গেড়ে এর মধ্যেই প্রতিবাদ জানিয়েছেন বুন্দেসলিগার সানচো থেকে অনেক ক্লাবের ফুটবলার। ক্রিকেটারদের অবশ্য করোনার জন্য খেলা বন্ধ জায়গায় সরাসরি সেরকম কিছুর সুযোগ হয়নি। তবে ড্যারেন স্যামি, ক্রিস গেইলসহ অনেক ক্রিকেটার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। আইসিসিসহ অন্যান্য বোর্ডের নির্লিপ্ততা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্যামি।

    খুব বেশিদিন আগের কথা নয়, নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে গ্যালারি থেকে বর্ণবাদী গালি শুনতে হয়েছিল জফরা আর্চারকে। আর্চার সেই সময় নিজের কষ্টের কথা জানিয়েছেন। পরে অবশ্য ওই দর্শককে খুঁজে বের করে নিষিদ্ধ করেছে নিউজিল্যান্ড বোর্ড। তবে ক্রিকেটে বর্ণবাদের সমস্যার মূল আরও গভীরে। দক্ষিণ আফ্রিকার অ্যান্ডিল ফেহলেকায়োকে বর্ণবাদী মন্তব্য করার জন্য চার ম্যাচ নিষিদ্ধ হয়েছিলেন পাকিস্তানের সরফরাজ নেওয়াজ।

    কদিন আগে মিনিয়াপোলিসে পুলিশ নির্যাতনে ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর ক্ষোভে ফুঁসে উঠছে গোটাবিশ্ব #ব্ল্যাকলাইভসম্যাটারস হ্যাশট্যাগ ছেয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। ড্যারেন স্যামি বর্ণবাদ নিয়ে আগেও সোচ্চার ছিলেন। এবার কাঠগড়ায় তুলেছেন আইসিসিসহ অন্যান্য দেশের বোর্ডকেও, ‘ফ্লয়েডের ওই ভিডিও দেখার পর ক্রিকেট বিশ্বের কেউ যদি এটার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ না করে তাহলে আপনিও সমস্যার অংশ।’ আমি আইসিসসহ অন্যান্য দেশের বোর্ডের কাছে জানতে চাই, আপনারা কি দেখতে পাচ্ছেন না আমাদের মতো লোকদের সাথে কী করা হচ্ছে? এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ কি আপনারা করবেন না? এটা শুধু আমেরিকা না, পুরো বিশ্বের সবখানেই হচ্ছে। এটা চুপ করে থাকার সময় নয়।’ অবশ্য ইংল্যান্ড বোর্ড একটি পোস্ট দিয়ে এই প্রতিবাদের সাথে সংহতি প্রকাশ করেছে এর মধ্যেই। আইসিসিও ইএসপিএনক্রিকইনফোকে জানিয়েছে বর্ণবাদের বিরুদ্ধে তারা সবসময়ই সোচ্চার।

    ক্রিস গেইলও সরাসরি তার বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের কথা ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে বলেছেন, ‘আর সবার মতো কালো মানুষদের জীবনও মূল্যবান, কিন্তু সবখানেই তাদের নির্যাতিত হতে হয়। আমি ক্রিকেট খেলতে পৃথিবীর নানা প্রান্তে গেছি, অনেক জায়গাতেই আমাকে বর্ণবাদী মন্তব্য শুনতে হয়েছে। এই বর্ণবাদ শুধু ফুটবলে নয়, ক্রিকেটেও আছে। এমনকি কালো হিসেবে দলের মধ্যেও আমাকে কিছু আচরণ সইতে হয়েছে। তবে আমি বলতে চাই, কালো হিসেবেই আমরা শক্তিশালী ও গর্বিত।’ ইয়ান বিশপ, কুমার সাঙ্গাকারাসহ আরও অনেক সাবেক ক্রিকেটার এই প্রতিবাদে যোগ দিয়েছেন।    

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন