• লা লিগা
  • " />

     

    লা লিগায় সবচেয়ে কম বয়সে অভিষেকের রেকর্ড 'মিনি মেসির'

    লা লিগার সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় এখন মায়োর্কার লুকা রোমেরো। গতরাতে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে ম্যাচের ৮৩ মিনিটে মাঠে নেমে স্পেনের শীর্ষ লিগে সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড়ের ৮১ বছরের রেকর্ড ভাঙেন এই আর্জেন্টাইন কিশোর।

    ১৯৩৯ সালে ১৫ বছর ২৫৫ দিন বয়সে সেল্টা ভিগোর হয়ে লা লিগায় সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড়ের রেকর্ড গড়েছিলেন ফ্রানসিসকো বাও রদ্রিগেজ ওরফে স্যানসন। আর রোমেরো ১৫ বছর ২১৯ দিন বয়সে মায়োর্কার ফার্স্ট টিম জার্সি গায়ে চড়িয়ে বৃহস্পতিবার সেই রেকর্ড নিজের করে নিলেন।


    মাত্র গত মাসেই ফার্স্ট টিমের সঙ্গে অনুশীলন শুরু করেছিলেন। এখনও ক্লাবের বি টিমের হয়ে খেলা হয়নি, তার আগেই লা লিগা অভিষেক হয়ে গেল এই কিশোরের। অবশ্য গত ১৪ জুন বার্সেলোনার বিপক্ষেই লা লিগা অভিষেক হয়ে যেত পারত রোমেরোর, তবে কিছু কাগজপত্রের কাজ বাকি থাকায় সেদিন সাইডলাইনে বসেই খেলা দেখেছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত মাদ্রিদের বিপক্ষে পেলেন মাঠে নামার সুযোগ।

    ২০০৪ সালে মেক্সিকোর দুরাঙ্গো শহরে এক আর্জেন্টাইন পরিবারে জন্ম নিয়েছিলেন রোমেরো। তার বাবা ডিয়েগো আদ্রিয়ান রোমেরোও পেশাদার ফুটবল খেলেছেন একসময়। রোমেরোর জন্মের সময় মেক্সিকোর তৃতীয় বিভাগ ক্লাব আলক্রানেসের হয়ে খেলতেন ডিয়েগো। তারপর স্পেনের বেলিয়ারিক দ্বীপে ফর্মেন্তেরা নামক ক্লাবেও খেলেছেন তিনি। আর সেই ক্লাবের অ্যাকাডেমিতেই ফুটবলে হাতেখড়ি হয় কিশোর রোমেরোর।

    মাত্র ৭ বছর বয়সে বার্সেলোনায় ট্রায়াল দিতে এসে লা মেসিয়ার প্রশিক্ষকদের মুগ্ধ করেছিলেন রোমেরো। তবে বয়স অনেক কম হওয়ায় পরিবার থেকে আলাদা হয়ে লা মেসিয়ায় একা থাকা সম্ভব হবে না মর্মে তাকে আর স্বাক্ষর করাতে পারেনি বার্সেলোনা। অবশ্য শুধু বার্সাই নয়, রিয়াল মাদ্রিদও তার ব্যাপারে পূর্বে খোঁজ-খবর করেছিল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

    সংবাদমাধ্যমে তরুণ এই ফরোয়ার্ডকে এরই মধ্যে ‘মিনি মেসি’, ‘মেক্সিকান মেসি’সহ বিভিন্ন উপনাম দেওয়া হয়েছে। কারণ তার খেলার ধরনের দিক দিয়ে লিওনেল মেসির সঙ্গে কিছুটা সামঞ্জস্য রয়েছে বলে মনে করা হয়। মেসির মতোই রোমরোও বাঁ পায়ের জাদুতেই সবাইকে মুগ্ধ করে চলেছেন, আর ‘আর্জেন্টাইন কানেকশন’ তো রয়েছেই। গায়ের গড়নের দিক দিয়েও মেসির সঙ্গে অনেক মিল তার। ছোটখাটো গড়ন, শিশুসুলভ চেহারা আর ঝাঁকড়া চুলের রোমেরোতে অনেকেই তরুণ মেসির প্রতিবিম্ব খুঁজে পাচ্ছেন। আর সেজন্যই ‘মিনি মেসি’র তকমা সেঁটে গেছে তার নামের সঙ্গে।


    জন্ম ও বসবাসের সূত্রে মেক্সিকো এবং স্পেনের জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ রয়েছে তার সামনে। তবে রোমরোর ইচ্ছে, পিতৃভূমি আর্জেন্টিনাকেই প্রতিনিধিত্ব করবেন আন্তর্জাতিক পর্যায়ে। এরই মধ্যে আলবিসেলেস্তেদের হয়ে যুব পর্যায়ে খেলাও হয়ে গেছে তার। ২০১৮ সালে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে দেশটির হয়ে খেলার স্বপ্নের কথা জানিয়েছিলেন রোমেরো, “আমার পুরো পরিবার আর্জেন্টাইন। আর তাই আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের জার্সি পড়ে খেলাটা আমার স্বপ্ন।”

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন