• লা লিগা
  • " />

     

    দুর্দান্ত ব্যাকহিলের পর বেনজেমা-বন্দনায় জিদান-কাসেমিরো

    এই মৌসুমে যেন রিয়াল মাদ্রিদের আক্রমণকে একাই টেনে নিয়ে যাচ্ছেন করিম বেনজেমা। কাল এসপানিওলের বিপক্ষে গোল না পেলেও তার দুর্দান্ত অ্যাসিস্ট গড়ে দিয়েছে ব্যবধান। ম্যাচ শেষে কাসেমিরো আর জিনেদিন জিদান দুজনেই প্রশংসায় ভাসিয়েছেন বেনজেমাকে।

    সাধারণত ফরোয়ার্ড হিসেবে গোল করেই নিয়মিত আলোচনায় থাকেন বেনজেমা। তবে গত রাতে গোল বানিয়ে দিয়ে সবার প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে মার্সেলোর লং বল হেডে নামিয়ে বেনজেমার পায়ে তুলে দিয়েছিলেন সার্জিও রামোস। সেই বল বেনজেমা গোলমুখে রাখতে পারছিলেন না এস্পানিওল ডিফেন্ডার বের্নার্ডোর চাপে। বল যখন প্রায় বাইলাইনের কাছাকাছি চলে গেছে তখনই দেখা গেল বেনজেমার সেই জাদুকরী পায়ের ছোঁয়া। ডান পায়ে ব্যাকহিল করলেন বের্নার্ডোর দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে। কাসেমিরো ঐদিকে গোলমুখের দিকে নিজের দৌড় অব্যাহত রেখেছিলেন। বেনজেমার ব্যাকহিল থেকে বল পেয়ে এরপর ট্যাপ-ইন ফিনিশে বল জালে জড়ান তিনি।


    ম্যাচের পর গোলের জন্য নিজে কোনও কৃতিত্বই নেননি ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরো। বরং গোলের পিছনে পুরো কৃতিত্ব দিলেন বেনজেমাকেই, “করিম যা করেছে তারপর আমার গোল নিয়ে কথা বলাটা ঠিক হবে না। ওটা টপ ক্লাস ব্যাকহিল ছিল, আমাদের তাকে অভিনন্দন জানানো উচিৎ। করিমের জন্য অবশ্য এটা খুব বড় বিষয় নয়। সে নাম্বার নাইন, নাম্বার টেন সব পজিশনেই খেলতে পারে। এটি করিমের গোল।”

    ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বেনজেমার ব্যাকহিলকে সাম্প্রতিক সময়ে রিয়াল মাদ্রিদের সেরা ব্যাকহিল অ্যাসিস্ট বলেছেন জিদান। সাংবাদিকরা ২০০৬ এবং ২০১০ সালে রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক খেলোয়াড় গুটির দুটি অ্যাসিস্ট মনে করিয়ে দিয়েছেন তাকে। ২০১০ সালে দেপোর্তিভো লা করুনার বিপক্ষে গুটির দুর্দান্ত ব্যাকহিল অ্যাসিস্ট থেকে গোল করেছিলেন বেনজেমা আর ২০০৬ সালে খোদ জিদান গোল করেছিলেন গুটির ব্যাকহিল অ্যাসিস্ট থেকে। তাই সাংবাদিকরা এই ৩ টি ব্যাকহিল অ্যাসিস্টের মাঝে কোনটি সেরা তা জানতে চেয়েছিলেন জিদানের কাছে, “করিমের অ্যাসিস্টটি সেরা। বড় বিষয় হচ্ছে এটি একটি টিম মুভ ছিল। রামোস হেড দিয়ে বল নামিয়ে বেনজেমাকে দিয়েছিল। এরপর বেনজেমার নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যাকহিল। আর কাসেমিরোও দৌড় বন্ধ করেনি, সে জানত বেনজেমা সেখান থেকে কিছু একটা তৈরি করতে পারে। একটি সুন্দর টিম গোল।”

    বেনজেমা অবশ্য নিজের ঢোল নিজে বাজাননি। বরং বিনয়ী হয়ে কাসেমিরোকেই গোলের কৃতিত্ব দিলেন, “এটাই ফুটবল। এমন কিছু হতেই পারে, আমি ফুটবলকে এভাবেই দেখি। আমি জানতাম কাসেমিরো দৌড়াবে গোলের দিকে, সে ভালো ফিনিশ করেছে।”

    প্রিয় প্যাভিলিয়ন পাঠক, 

    কোভিড-১৯ মহামারি বিশ্বের আরও অনেক কিছুর মতো অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে ক্রীড়াঙ্গনকে। পরিবর্তিত এই পরিস্থিতিতে নতুন এক সংকটের মুখোমুখি হয়েছি আমরাও। প্যাভিলিয়নের নিয়মিত পাঠক এবং শুভানুধ্যায়ী হিসেবে আপনাদের কাছে অনুরোধ থাকবে আমাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর। আপনার ছোট বা বড় যেকোনো রকম আর্থিক অনুদান আমাদের এই কঠিন সময়ে মূল্যবান অবদান রাখবে।

    ধন্যবাদান্তে,
    প্যাভিলিয়ন